Wednesday, December 13, 2017

ভালোবাসা শুধু শরীর নয়

আজ আপানাদের জন্য একটা ভালোবাসার গল্প।
পড়ুন, ভালো লাগবে।

Lovly Propose - Valobasa
Tags: True Love Story, Bengali True Love Story, Bhalobasar Golpo, Bangla Bhalobasar Golpo, Bengali Bhalobasar Golpo

বাড়িতে এসে, জিজ্ঞাসা করলো, রান্না করি কিনা।
আমি বললাম, না আমি ভাল রান্না করতে পারি না।
মিম, মাথা নিচু করে বললো যদি আমি রান্না করে দিই খাবেন?
আমি বললাম খাব না কেন???
না মানে, এমনি।
বুঝতে পারলাম, ও হয়তো বলতে চাচ্ছে, ও দেহ বিক্রি করে বলে ওর রান্না খাবো না।
আমি বললাম, ফ্রিজে দেখ কি আছে, পারলে রান্না কর, দুজনেই খায়।
মিমের মুখে হাসি ফুটে উঠলো।
মিম রান্না করে, আমি খায়, এভাবেই চলে গেল কয়েক দিন।
হাসপাতালের বিল দিয়ে দিলাম।
মিম জিজ্ঞেস করলো, আমি এত গুলো টাকা দিলাম, এত কিছু কেন করলেন?
দেখ মিম, আমারতো মা নেই, তোমার মা কি আমার মা হতে পারে না।
মিম আর কোন কথা বলেনি।
এভাবে কেটে যাই কয়েক দিন।
হঠাৎ এক দিন, মিমের মা মারা যান।
মায়ের মৃত্যুর পর মিম যেন কেমন হয়ে গেল।
বুঝতে পারলাম, ও বেচে থাকতে চায় না।
মরে যেতে চাই, যে কারনেই হোক, মিম আজ দেহ ব্যাবসায়ি।
তার স্থান এই সমাজে নেই।
যে সমাজ বিপদের দিনে হাত গুটিয়ে ন্যায়, অথচ, সুযোগ বুজে ধিক্ষার দিতেও দিধাবোধ করে না।
সেই সমাজে মীম বেঁচে থাকতে চাই না।
মিমের কেউ নেই, কার কাছে থাকবে, বাড়ি বলতে ঝুপড়ি।।
এদিকে, দাদা বৌদি চলে আসছে।
আমি বৌদিকে সব বললাম (শুধু মিমের অনৈতিক কাজের কথা বাদে)।
বৌদি বললো মেয়েটিকে নিয়ে আসতে।
আমি মিম কে নিয়ে আসলাম।
বৌদি আমাকে ডেকে বললো, মীম, মেয়েটি অনেক ভাল।
তুমি কি মীমের প্রেমে পড়ে গেছ। বিয়ে করতে চাও?
বৌদির কথায়, আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।
আমি কখনো এভাবে ভাবিনি। বৌদি শুনতে চাইলেন।
আমি কি বলবো, ভেবে না পেয়ে বললাম, ভেবে দেখবো।
রাতে, খবর এল, আমার চাকরি হয়ে গেছে, কিন্ত আমাকে যেতে হবে অনেক দূরে,।
ওখানেই হবে আমার পোস্টিং।
যেতে হবে ৭ দিনের মধ্যে।
রাতে, বাগানের ভেতর বসে ভাবছি, কি করবো, এই অসহায় মেয়েটিকে কি তার ভাগ্যের উপর ছেড়ে
দেবো।
যদি তাই দিই, তাহলে হয়তো ও মরে যাবে, না হয়তো সারা জীবন, নিশিদ্ধ পল্লিতেই কাটাতে হবে।
কি করবো, মাথায় আসছে না।
হঠাৎ লক্ষ করলাম কে যেন, গেটের বাহিরে যাচ্ছে।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ১১.৩৫ , এত রাতে কে, যায়?
পিছু নিলাম, বাহিরে গিয়ে বুঝতে পারলাম, মীম যাচ্ছে।
আম বাগানের ভিতর দিয়ে, আমিও পেছন পেছন যাচ্ছি, মীম কি করতে চাচ্ছে, বুঝতে চেস্টা করছি, দেখলাম জংগলের ভেতর যাচ্ছে, আমি আড়াল থেকে দেখছি।
কিছুক্ষণ পর মিম একটি আম গাছের নিচে আসলো, তার পর গা থেকে কাপড় খুলে দড়ির মত পাক
দিল।
বুজতে পারলাম, মীম মরতে চাচ্ছে।
আমার কেন জানি খুব রাগ হল, গাছের দিকে এগোতে থাকলাম।
যখই গাছে উঠবে, সামনে দাঁড়িয়ে দিলাম এক চড়।
মীম কিছু বলচ্ছে না, কাপড়ের গিট খুলে দিলাম।
এটা কি করতে যাচ্ছিলে?
মরে গেলেই সব কিছু শেষ।
মীম কাঁদছে, কি হল,কাদছেন কেন??
মীম বললো, বৌদির কথা আমি সব শুনেছি।
বুজতে পারলাম কেন মরতে চাচ্ছে।
এই সমাজ, ওর অতিত জানলে মেনে নেবেনা, মেনে নেবেনা কোন পুরুষ।
নির্ভরতার হাত কেউ হয়তো বাড়িয়ে দেবেনা।
কিছু না ভেবেই, মীমের হাত ধরলাম।
বলেই ফেললাম, যাবে আমার সাথে, এখান থেকে বহুদূরে।
আমার সাথে বাকি জীবনটা কাটাবে?
মীম আমার পা জড়িয়ে ধরে,,, এ হয় না, আমি কে কি আপনি ভাল করেই জানেন, আমি অসতি।
আমাকে মাফ করবেন। ছেড়ে দিন ভাগ্যের হাতে।
আমি মীম কে উঠিয়ে, জড়িয়ে ধরে বললাম, আর কোন কথা বলবা না। আমি যা করবো, তুমি শুধু পাশে থেকো, হতে পারো তুমি অন্যের কাছে অসতি, আমার কাছে নয়..।
মীম কে নিয়ে বিয়ে করে গ্রামে আসলাম।
বাড়ি থেকে, আমার সৎ মা আমাদের মেনে নিলেন না।
বাধ্য হয়ে, চলে গেলাম।
গিয়ে,সেই প্রথম রাতে, মিম কে বলেছিলাম,আমি কখনো, কারো কাছে ভালবাসা পায়নি, তুমি শুধু একটু ভালবাসা দিও।
মীম, পা জড়িয়ে ধরে,বলেছিল, আপনার পায়ের নিচে আমাকে একাটু ঠায় দেবেন, আর কিছু চায় না।
আজ ৩ বছর হল,ক্যান্সারে আর্কান্ত হয়ে মীম আমায় ছেড়ে চলে গেছে, না ফেরার দেশে।
রেখে গেছে, ২টি সন্তান।
একজন আমার মা, অন্যজন আমার বাবা।
আমি আজও মীমের কথা, মনে করে, চোখের জলে ভাসি।
কত ভালবাসতো আমায়, কখনো বলে বোঝাতে পারবো না।
আজ সন্তানেরা বড় হয়ে গেছে। আমি ওদের নিয়েই আছি।
আজ মেয়েটার বিয়ে হয়ে, শশুর বাড়ি চলে গেল, মীম আজ তুমি থাকলে আমি আরো অনেক বেশি খুশি হতাম।
এখনো অনেক মিস করি তোমায়............!

Copied From- Rahul's Post on FB

Tuesday, December 5, 2017

স্কুলে থাকতে সিনেমার ন্যুন শো চিনলেও যৌন হেনস্থা চিনিনি

রিসেন্ট একটা স্কুলের ঘটনা সবাই শুনেছেন।
তাছাড়া আরও অনেক খবর আমরা রোজ শুনছি।
পোষ্টটী পড়লেই বুঝতে পারবেন সব।
OLd SCHOOL

না ছিলো না!
আমার আটপৌরে দেড়শো বছর পেরিয়ে যাওয়া ইস্কুলে হোয়াইট বোর্ড ছিলো না - খড়খড়ে ব্ল্যাকবোর্ড ছিলো। 
স্মার্ট ক্লাসরুম আর ইন্ডিভিজুয়াল ডেস্ক ছিলো না - ছিলো ঘরের মেঝেতে ময়লা জমে থাকা সপ্তম শ্রেণী আর সারি সারি নড়বড়ে পায়ার 'বেঞ্চ' - যাতে পাঁচজন প্রাণের বন্ধু একসাথে বসতাম। স্পেশাল রেমেডিয়াল ক্লাস ছিলো না - কেশব নাগের অংকের বইয়ে তৈলাক্ত বাঁশে বাঁদরের ওঠানামা মাপতে মাপতেই গোঁফ এবং লেজ গজিয়ে গেছে আমাদের।
স্যুট টাই পরা টীচার্সদের কাছে পড়ার 'সৌভাগ্য' হয়নি আমাদের - 'ম্যানার্স' এবং 'ডেকোরাম' এর তালিমেও ঘাটতি থেকে গেছে বিস্তর - তবু বোকা কৈশোরের আমরা ধুতি শার্ট পরা ছাপোষা মাস্টারমশাইদের দেখলেই সিগারেট লুকোতাম - বিজয়ার পরে পায়ে হাত দিয়ে পেন্নাম ঠুকতাম। 
সেই বিরল এবং বিলুপ্ত প্রজাতির বাংলা মিডিয়াম ইস্কুলের মাস্টারমশাইরা - যারা সবাই হয়ত ভালো পড়াতেন না - কেউ একটু বেশীই মারকুটে ছিলেন - কারো নিরীহতার সুযোগে পঞ্চম পিরিয়ড হয়ে উঠত মাছের বাজার - যাদের কাছে আমাদের বোকা বাবা মায়েদের আবদার ছিলো "মাস্টারমশাই - কোনো রকম অসভ্যতা দেখলে দুই চড় কশিয়ে দেবেন"। 
তাই ভালো রেজাল্ট করে দেখা করতে গেলে ওঁরা শেক হ্যান্ড করে 'কংগ্র‍্যাটস' বলেন নি - আলতো করে কান মলে দিয়েছেন।
চকচকে রাংতার মোহে এই ইস্কুল গুলোকে আমরা মেরে ফেললাম - যাদের প্রতিটি শিক্ষককে আমাদের বাবা মা রা ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন - সকালের বাজারে একসাথে কাটাপোনা কিনতেন যে! স্কুলে থাকতে থাকতেই তাই আমরা সিনেমার ন্যুন শো চিনলেও - 'যৌন হেনস্থা' চিনিনি ভাগ্যিস।

Wednesday, November 29, 2017

মিষ্টি ভালোবাসা

আজ একটা সুন্দর ভালোবাসার গল্প।
Love pic - bhalobasa
Tags: Valobasar Golpo , Valobashar Golpo, Bhalobasar Golpo, Bhalobashar Golpo, Bengali Love Story
আশিক, আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।
- মানে?
- হ্যাঁ, সত্যি কথা।
সামনে বসে আছে নিধি। আশিকের সামনে।
একটা লাল রঙের শাড়ি পরে। মুখে ক্রিম অথবা পাউডার মাখা। নিধি এমনিই সুন্দর দেখতে। 
আজ আরও বেশি লাগছে।
বিয়ের সাজে সাজলে সব মেয়েকেই সুন্দর লাগে। 
তবে একটু আগে নিধি যে কথাটা বলল, তা শুনবার পর এই
সুন্দর টুকুই অসহ্য লাগছে আশিকের কাছে।
- কি বলছ তুমি? মাথা খারাপ?
- মাথা খারাপ হবে কেন? মা বাবা বিয়ে ঠিক করেছে, আমিও করে ফেলছি।
- আমার কি হবে?
- তুমিও একটা বিয়ে করবা। আমার থেকে সুন্দরী।
- আমি তো তোমাকে বিয়ে করব।
- তোমার বিয়ের বয়স হইছে? মেয়েদের বিয়ের বয়স হয়, ২০ এর পর। আর ছেলেদের হয়,বউকে ভালভাবে রাখার মত উপার্জন করার পর।
- এতো তাড়াতাড়ি বিয়ে করবে কেন?
আমি তো আর কয়েক বছর পরেই এস্টাব্লিশড হয়ে যাব।
-আমার পরিবার এতদিন অপেক্ষা করবে না।
- নিধি, এই নিধি।
- বল।
- একটু বোঝাও না বাড়িতে। আমি তোমাকে ভালবাসি অনেক।
- আমিও বাসতাম।
- এখন বাস না?
- ভেবে দেখলাম, তোমার মত বেকারের সাথে প্রেম করার চেয়ে,বাবা মায়ের পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করে ফেলা ভাল।
- এভাবে বোলোনা প্লিজ। খুব কষ্ট হয়। আমি তোমাকে ভালবাসি। আমাকে আর একবছর সময় দাও, আমি ঠিক ব্যবস্থা করে ফেলব
একটা।
- তুমি এক বছরে তো বের হতেই পারবেনা পাস করে। কিসেরব্যবস্থা করবে?
- করে নেব ঠিক। দরকার হলে সারাদিন টিউশনি করাব।
- টিচার আমার পছন্দ না।
- প্লিজ নিধি। একটু মা বাবাকে বলে বিয়েটা ভেঙ্গে দাওনা।
- কেন ভাঙব? আমার বাবা মা ছেলেকে অনেক পছন্দ করেছে।
তাছাড়া আমারও পছন্দ হয়েছে। এতো এতো টাকা তার।
- ওওও।
- কি হল?
- কিছু না। আচ্ছা কর বিয়ে তাকেই। আমার সাথে দেখা করতে  এসেছ কেন?
- তুমি আমার একমাত্র ভালবাসার মানুষ। এতো বছর প্রেম করলাম, আর এই সুখবর দিতে আসব না?
- হ্যাঁ, ভাল। দেয়া হয়েছে। যাও এখন। 
- আর একটু বসে থাকি তোমার পাশে?
- বসে থেকে কি হবে?
- তাড়িয়ে দিচ্ছ?
- না।
- তবে? - কিছুনা। আশিক মুখ নিচু করে বসে আছে। নিধির সামনে। বুকের ভিতর কেমন যেন লাগছে।
এতদিনের ভালবাসার মানুষটা অন্য কারও হয়ে যাবে।
কেমন হাসি মুখে কথাগুলো বলল। এতদিনের ভালবাসা শুধু কি তাহলে আশিকের একারই ছিল?
নিধি ভালবাসেনি?
ভালবাসলে, এভাবে অন্যের জন্য বউসেজে এসে, বিয়ের কথা হেসে হেসে বলতে পারত?
পারত না। একদম না। একদম ভালবাসে নি। 
কিন্তু আশিক ভালবাসে।
এভাবে হারিয়ে যেতে আশিক দেবে না।
আঁকড়ে ধরবে নিধিকে।
জাপটে ধরে বলবে, তুমি শুধু আমার।
অন্য কারও জন্য বউ সাজতে পারবে না। 
তবে এই সাহসটুকুই আশিকের নেই। 
এই হারিয়ে যাবার সময়টাতেও শুধু কষ্ট পেতে পারছে।
চোখ ভেজাতে পারছে।
নিধি এসে একটু পাশ ঘেঁষে বসল।
এখনও মুখটা হাসি হাসি। এই হাসিতে গা জ্বলে যাচ্ছে। 
আস্তে করে আশিকের আঙ্গুলের উপর নিধি আঙ্গুল রাখল। 
আশিক হাত সরিয়ে নিল।
Love pic couple- bhalobasa

অন্যের বউ কেন আশিককে ছোবে? 
নিধি চোখ বড়-বড় করে বলল, বাব্বা! আমার ভালবাসার মানুষটার
দেখি  রাগও হয়। খুব রাগ হচ্ছে আমার উপর?
মারতে ইচ্ছা করছে? মার!
- রাগ করিনি।
- তবে অভিমান করেছ?
- না তাও করিনি।
- তবে কি করেছ ? 
- কিছুই করিনি
- ভালও বাসনি? 
আশিক থমকে গেল এই কথায়। কি বলবে? 
ভাল তো সে বাসেই। নিধি জানে। আবার নতুন করে শোনার কি?আশিক তাও বলল -হ্যাঁ বাসি।
নিধি হাসতে শুরু করল। শব্দ করে।
লেকের জলের ভিতর সে শব্দ ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ছে।
এতোটা হাসির কথা আশিক বলেনি।
আশিককে নিয়ে সবসময় হাসে নিধি।
খুব কান্না পাচ্ছে আশিকের।
কেঁদে ফেলা কি উচিৎ?
কাঁদলে কি নিধি আশিকের হয়ে যাবে? হয়ত হবে না। 
নিধির হাসি থামছে না।
হাসতে হাসতেই নিধি বলল, তুমি এতো বোকা কেন? 
- কেন কি হয়েছে?
- বোকা না তো কি? আমি এতগুলো মিথ্যা বললাম, আর তুমি সবগুলো বিশ্বাস করে চোখ ভিজিয়ে, মুখ ফুলিয়ে বসে আছ।
- মানে?
- মানে কিছুই না। আমার বিয়েটিয়ে কিছুই না। 
আরে গাধা,বিয়ের কথা হলেই কি মানুষ শাড়ি পরে বসে থাকে?
আর আমার বিয়ে হলে আজ, তুমি আগে জানতে না?
আর তোমার কাছে কেন বসে থাকব বিয়ে হলে?
- তাহলে লাল শাড়ি পরেছ কেন?
- পরতে মানা?
- না।
- তাহলে? আজ পহেলা ফাল্গুন তাই পরলাম। তোমার জানার কথা না। মেয়েরা এসব বেশি জানে।
- পহেলা ফাল্গুনে মেয়েরা হলুদ শাড়ি পরে।
- তাই? এতো জানো? আমি পরলাম লাল। কোন সমস্যা?
- না।
আশিকের ঠোঁটের কোণে, হঠাৎ করেই একটু খানি হাসি ফুটে উঠেছে।
নিধি বলেই যাচ্ছে, দেখো, বাবা মাকে সোজা বলে দিয়েছি।
পড়াশুনা শেষের আগে, নো বিয়ে।
আমার উপর মা-বাবা জোর করবেনা। 
অনেক ভয় পায় আমাকে।
আর ততদিনে, তুমি একটা ব্যবস্থা করে ফেলবে।
বিয়ের কথা বললাম, আর তুমি মুখ ফুলিয়ে বসে রইলা।
অধিকার খাটাতে পারলে না? আমার উপর কোন অধিকার নাই তোমার? 
- আছে।
- তবে? ধরে রাখবে,হারিয়ে যেতে দেবেনা। এরপর থেকে যেন ভুল
না হয়।
- হবে না। 
- আমার কবিতা কই?
- পকেটে।
- শুনাও।পকেটে রেখেছ কেন? 
আশিক একটা কাগজ বের করল, পকেট থেকে।
গল্পের সাথে ইদানীং কবিতাও লেখে। যা খুশি ছন্দ মিলায়। 
বের করেই পড়তে লাগল,
আমি হাসতে জানি, কাঁদতে জানি
তোকে বুকের মাঝে বাঁধতে জানি,
চলতে পারি ,বলতে পারি
তোর ভালবাসায় ভুলতে পারি। 
পাশে তুই থাকতে পারিস
দূরে দূরে রাখতে পারিস,
তাই বলে কি ভালবাসা
তিলে তিলে গলতে দেখিস?
ছুঁয়ে ছুঁয়ে কাছে আসা
দুইয়ে দুইয়ে ভালবাসা, 
এভাবে আর ওভাবে হোক
তোকে ঘিরেই স্বপ্ন আশা ।
নিধি কবিতা শুনছে আশিকের মুখে।
আশিক বলা শেষ করেই, হঠাৎ করে নিধিকে জড়িয়ে ধরল।
আমি তোমাকে ভালবাসি।
তোমাকে অন্য কারও হতে দেবনা। তুমি শুধু আমার।
অন্য কারও জন্য বউ সাজতে পারবেনা।
নিধি চুপচাপ আশিকের স্পর্শ অনুভব করছে।
বোকা ছেলেটা হঠাৎ করেই চালাক হয়ে গেছে।
নিজের অধিকার বুঝে নিতে চায়,আঁকড়ে ধরতে চায়।
ভালোবাসায় আঁকড়ে ধরার টান না থাকলে, হয়ত একসময় হারিয়ে যায়।
এই বোকা বোকা ছেলে বা মেয়ে গুলোও ভালবেসে বড় স্বার্থপর
হয়ে যায়। 
নিজের জিনিসের এক ফোঁটাও কাউকে দিতে চায় না।

Thursday, November 23, 2017

চরম ইন্টার্ভিউ

Interview - Valobasa


চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। 
শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব-

প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না-কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!

প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!

প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।

প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!

প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!

প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।

প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।

প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।

পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। 
শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। 
প্রশ্নকর্তা বললেন, 
‘আপনাকে আমি ১০টি জলের মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। 
উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।' 
তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। 
তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।' 
প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 
এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে-দিন না রাত?'
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। 
কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। 
এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। 
এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। 
উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!'

‘কীভাবে?' প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি কথা দিয়েছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!'
ব্যস চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!

Sunday, November 19, 2017

সাঁতার জানিনা - মজার জোকস

আজ সময় খুব কম।
একটা ছোট মজার জোকস বলব শুধু।
Funny Bengali Jokes Images
একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। 
পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। 
ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা জল শূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। 
প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। 
দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল। 
কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। 
তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। 
আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?
সে বললো, ‘আমি তো সাঁতার জানি না মাস্টারমশায়’।

Monday, November 13, 2017

অভাব

শুধু একটা কথা বলব,
ভালোবাসার মানুষটিকে প্লিজ অবহেলা করবেন না।

তোমাকে ভালোবেসে কেউ একজন প্রতিদিন বলে যাচ্ছে : কেমন আছো... কি করছো... খেয়েছো কিনা..!

এরকম ইত্যাদি কথাবার্তা বলে তোমার প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখছে... কেয়ার করছে। 
কিন্তু তুমি তার কোন কথাই মূল্য দিলে না, অবহেলা করে যাচ্ছো। 
শত ব্যস্ততার মাঝেও কেউ একজন তোমাকে এইভাবে খোঁজ রাখছে অথচ এতে তোমার কিছু যায় আসে না, অবহেলা করেই যাচ্ছো !!
.তোমার অবহেলা পেয়ে মানুষটা খুব কষ্ট পাবে,

রাতে কেঁদে চোখ লাল করবে, তবুও তোমার খোঁজ রাখছে প্রতিনিয়ত। 
তুমি হয়তো ভাববে বাহ, এতো কষ্ট দেওয়ার পরেও সে আমাকে ভোলেনি, না জানি আমাকে কতো ভালোবাসে। 
এই দূর্বলতা পেয়ে তুমি প্রতিনিয়ত অবহেলা করেই যাচ্ছো।
একদিন, দুইদিন, তিনদিন... চতুর্থ দিন সে তোমার খোঁজ রাখছে না। 
তোমার মোবাইলে, ফোনে, মেসেজে তার কোন সাঁড়াশব্দ নেই। 
তুমি হয়তো অবাক হয়ে যাবে ভাববে কি ব্যাপার আজকে তার কোন খবর নেই কেন ? 
তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে... তুমি হয়তো একটু ব্যস্ত হয়ে পড়বে তার খবর নেয়ার জন্য !!
অবশেষে জানতে পারবে যে মানুষটা রাতের পর রাত তোমার জন্য কেঁদে চোখ লাল করে দিতো, সে এখন গভীর ঘুমে মগ্ন।

যে মানুষটা তার সবকিছু বাদ দিয়ে প্রতি মুহূর্তে তোমার খোঁজ রাখতো, সে এখন তার বন্ধুদের সাথে ফুল মাস্তিতে আছে।
যে মানুষটা তিনবেলা খাওয়ার আগে তুমি খেয়েছো কিনা জানতে চাইতো, সে এখন নিজে খেয়েই টুপ করে ঘুমিয়ে পড়ছে।
ঠিক সেই মুহূর্তেই তুমি তার অভাবটা বুঝতে পারবে।
তোমার প্রতি তার কেয়ারটুকুর মূল্যটা বুঝতে পারবে।
ঠিক তখনেই মনে হবে মানুষটা তোমার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, তখন ইচ্ছা করবে তাকে ফিরিয়ে আনতে। 
মনে মনে খুব চাইবে সে যেন আগেরমত তোমার কেয়ার করে, কিন্তু তখন তুমি তাকে আর পাবে না, সে ফিরে আসবে না। 
কারণ, ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে, তুমি অনেক দেরি করে ফেলেছো!!

Friday, November 10, 2017

ঝগড়া - খুনসুটি

Young Lovly Couple -Valobasa

Boy - I hate you..
Girl- Me too..
Boy- আমি তোমার সাথে থাকতে চাইনা।
Girl- আমি ও চাইনা।
Boy-তা থাকবে কেন... :@
Girl- আমি কেন কেউ তোমার সাথে থাকবে না।
Boy- সেটা তোমায় না দেখলেও চলবে
girl- হুঃ এতোদিন দেখেছিলাম তাই বেঁচেছিলে।
boy- কি দেখেছিল ? একটা ice cream ও তো খেতে দিতেনা , শুধু ঠান্ডা লাগবে বলতে।
girl- বেশ করেছি । ice cream খেলে যে জ্বর আসতো সেটা ভূলেগেছ তাই তো!
boy- ও একটু আধটু হতেই পারে। তোমার তো ছোট ছোট ব্যপারে ঝামেলা করা চাই । gift গুলো পর্যন্ত like করতে না :@
girl- কি করে like করবো ? তুমি gift choice করতে জানো ?
boy- এখন তো বলবেই । নেবার সময় তো হাসি মুখে নিয়ে নিতে...
girl - সে তো তোমাকে hurt করতে চাইনি বলে কিছু
বলতাম না ., তাছাড়া তুমিও তো আমার gift like করতে না।
boy-কোনটা করিনি শুনি... তোমার দেওয়া violet shirt
টা আজও যত্ন করে রেখে দিয়েছি।
Girl- কোন shirt টা ? যেটা তোমার birthday তে দিয়েছিলাম !?
boy- হ্যাঁ , যার জন্য তুমি সেদিন দোকানের ছেলেটার সাথে ঝগড়া করেছিলে।
girl- বেশ করেছি । ও তোমায় অপমান করবে কেন?
boy- আমার জন্য তুমি ঝগড়া করবে.... ! এত 
ভালোবাস আমায়.. !
girl-হুম, i love u..
boy- i love u too babu...!

Friday, October 20, 2017

আলো বন্ধ করলে সাদা কালো সব সমান

আজকের লেখাটি,
একটা কালো মেয়ের কথা, যাকে অনেকবার দেখতে এসেছে 
কিন্তু কেউ বিয়ে করেনি।
Kankona San
চেয়ারে বসে বইয়ের উপর মাথা রেখে কাঁদছে রিমি। 
এই নিয়ে ৭ টা ছেলে ওকে দেখে গেছে।
কিন্তু কেউ পছন্দ করেনি। 
রিমি ভাবছে ছেলেরা তাকে পছন্দই বা করবে কেন? 
সবাই সৌন্দর্যের পাগল। 
সবাই ছোটে অপ্সরীদের পেছনে। 
তার মত কালো পেত্নী মেয়ের দিকে ছেলেরা মুখ তুলে তাকাবে কেন?
নিজের উপর রিমির রাগ হয়। 
ঈশ্বর কেন তাকে কালো করে সৃষ্টি করেছেন?
এই সমাজে যে কালো হয়ে জন্মানো অপরাধ। 
তার উপর প্রতিবেশিদের কানা-ঘুষা চলছে, 'দেখ রিমিকে
এখনো বিয়ে দিতে পারল না। বুড়ি হয়ে যাচ্ছে।'
রিমির মাঝে মাঝে ইচ্ছা হয় আত্মহত্যা করতে।
যে সমাজ তার মত কালো মেয়েদের অধিকার দিতে পারে না সেখানে বেচে থেকে লাভ কি?
আবার ভাবে ধুর আত্মহত্যা কেন করব?
আত্মহত্যা  করেলে তো সমাজের এই সব মুখোশধারি
শয়তানদের কাছে আমার পরাজয় হবে। 
রিমির চোখে মুখে যে অনেক স্বপ্ন।
না রিমি আত্মহত্যা করবে না।
সমাজে তাকে বেচে থাকতে হবে। 
এই সমাজের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়ী হতে হবে।
রিমির ভাবনায় ছেদ পড়ে পিঠে কারো হাতের ছোয়ায়। 
ঘুরে দেখে ওর বাবা দাঁড়িয়ে আছে। 
ওঠ রিমি, আর কত কাদবি? ভাত খেতে চল।
মেয়ের দুঃখ ভাল করেই বোঝেন তিনি। মেয়েটার গায়ের রং কালো। মেেয়টার জন্য ভীষণ কষ্ট হয়।
কোন মতে নিজের চোখের জল আড়াল করেন মেয়ের সামনে থেকে। আজ যে তিনিই এক রকম জোর করে রিমিকে ছেলে দেখিয়েছেন। বার বার প্রত্যাখাত হয়ে রিমি ঠিক করেছিল আর
কোন ছেলের সামনে যাবে না। কিন্তু যখন ওর বাবা এসে বলল চল মা ওরা বসে আছে। আমার মান সম্মানটা রাখ।ছেলেরা যদি তোকে না দেখেই ফিরে যায় তাহলে আমার আর মান-সম্মানই থাকবে না।।তখন আর রিমি বাবার অনুরোধ ফেলতে পারেনি।


চল রিমি, ভাত খেতে চল। 
তোর মা বসে আছে। 
রিমি সুবোধ বালিকার মত বাবার পেছনে পেছনে ভাত খেতে চলে যায়।
রাতে শুয়ে রিমি ভাবছে যেদিন কোন ছেলে ওর সব কিছু জেনে শুনে নিজ থেকে এসে বিয়ের প্রস্তাব দেবে সেদিনই ও বিয়ে করবে। ওর বিশ্বাস দেশে এখনও ভাল ছেলে রয়েছে।
বেশ কয়েক দিন পর ফেসবুকে রিমির নতুন একটি ছেলের
সাথে পরিচয় হয়।
চলতে থাকে তাদের দুজনের চ্যাটিং। 
রিমির কাছে ছেলেটাকে ব্যাতিক্রমি মনে হয়। 
ওর চিন্তা-ধারা, মন-মানসিকতা সম্পুর্নই ভিন্ন ধরনের। 
ছেলেটা বেশ বুদ্ধিমানও বটে। ওর নাম ইশরাক। ইন্টারনেটে কি সব
হিবিজিবি কাজ করে উপার্জন করে। উপার্জনও মন্দ না।
ইশরাককে রিমির বেশ মনে ধরেছে। 
কিন্তু ইশরাককে ওর মনের কথা বলতে সাহস পায় না।
রিমি ভাবে আমার মত মেয়েকে কি ইশরাকের মত ভাল ছেলের পাশে শোভা পায়? 
ওর পাশে শোভা পায় কোন রাজকুমারি।
ধুর এইসব আমি কি ভাবছি? 
ইশরাক হয়ত আমাকে একজন বন্ধু ভাবে। এর বেশি কিছুই না। কিন্তু ইশরাকের মাঝে মাঝে কিছু কথা রিমিকে আশান্বিত করে তোলে।
মনে মনে ভাবে ইশরাকও হয়ত আমাকে ভালবাসে। 
সে যে অন্য দশটা ছেলের মত নয়।
যদি ওর কাছে আমাকে ভাল লেগেই থাকে তাহলে বলছে না কেন ওর ভালবাসার কথা? 
আমার মনের কথা গুলি কি গাধাটা বুঝতে পারেনা? 
আমার চোখের ভাষা কি হাবাটা পড়তে পারেনা?

এইভাবে দুই মাস কেটে যায়... 

রিমি আশায় থাকে গাধাটা ওর ভাল লাগার কথা জানাবে।
আর রিমি তার ভালবাসার নায়িকা হয়ে থাকবে সারা জীবন। ইশরাকের সব কষ্ট ভুলিয়ে দেবে।
কিন্তু রিমির আশায় গুড়বালি।
ইশরাকের কোন সাড়া শব্দই নেই। 
হাবাটা কেবল ওর সাথে মজা করেই যায়। 
রিমি সিদ্ধান্ত নেয় এইবার ও নিজেই ইশরাককে বলবে ওর মনের কথা।
কপালে যা আছ হবেই।
না হলে গাধাটাকে চিরতরে হারাতে হবে।
এই যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে তখন আকস্মাৎ একদিন ইশরাক ওর ভালবাসার কথা রিমিকে জানায়। 
রিমি তো আনন্দে আত্নহারা।
রিমি বলে ইশরাক তুমি জান কিনা জানিনা তোমার এই কথাটি শোনার জন্য কত কাল, কত ক্ষণ, কত মাস, কত মিনিট অপেক্ষা করেছি তা তুমি বুঝবে না।
তুমি আমার মনের ভাষা বুঝতে পারনি? 
যদি বুঝতে তাহলে আমাকে এত কষ্ট দিতেনা! 
দুঃখে সুখে সারা জীবন তোমারই পাশে থাকব। 
আমিও তোমাকে ভালবাসি। 
কথা গুলি বলতেই রিমির গাল বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। 
তবে এই অশ্রু দুঃখের নয় সুখের।
মোবাইলটা বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে রিমি।


রিমি ও ইশরাকের বিয়ে হয়েছে এক বছর হল। 
বেশ সুখেই কাটছে ওদের দাম্পত্য জীবন।
আজ ইশরাক রিমিকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছে, পথে ইশরাকের অনেক পুরানো বন্ধু রিফাতের সাথে দেখা।
ইশরাক – কিরে কেমন আছিস?
রিফাত- ভাল। তোর কি খবর? 
ইশরাক – আছি কোন রকম। কোথাই থাকিস শালা আজকাল তোর দেখাই পাওয়া যায় না।
রিফাত – ব্যবসা নিয়া ব্যস্ত আছিরে। রিমিকে ইঙ্গিত করে বলল এটা কি তোর বউ নাকি? 
ইশরাক – ঠিকই ধরেছিস। বিয়া করে স্বাধীণতা হারিয়ে ফেলেছি।
রিফাত – এ এ এ তোর মত ছেলে কি করে এই রকম কালো মেয়েকে বিয়ে করেছিস? আর কি মেয়ে খুজে পাসনি?
(রিফাতের উদ্দেশ্যই ইশরাককে অপমান করা) 
রিফাতের কথা গুলি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই রিমির মনটা বিষাদে ছেয়ে যায়। নিজেকে অপরাধি মনে হয়। চোখের সামনে নিজের বউয়ের এই অপমান !! ইশরাকও ছেড়ে দেবার পাত্র নয়।
ইশরাক – শোন রিফাত তুই তো বিয়ে করেছিস নিশুকে। নিশু তো আমাদের ক্লাসমেট ছিল। ওকে তো আমি ভাল করেই চিনি। ওর গায়ের রংটা ছাড়া আর কি আছে বল? 
ও তো ভাল করে নিজের নামটাও লিখতে পারে না। 
কি করবি ওর ফরসা চামড়া দিয়ে। 
ওর রুপ কি বাজারে কেজি হিসেবে বিক্রি করবি? 
ওর ফরসা চামড়া কি তোর কোন কাজে আসবে? 
উপরের চামড়াটাই মানুষের আসল রুপ না। 
বাতি নিভালে কালো-সাদার মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না। 
চিন্তা করে দেখতো তোর একটা বিএ পাশ ছেলের সাথে ওর মত
একটা প্রায় মুর্খ মেয়েকে কেমন বেমানন দেখায় না?
ভুলে গেছিস ও এস.এস.সি তে টেষ্ট পরীক্ষায় ৮ বিষয়ে জোড়া চশমা পেয়েছিল?
তোর বউয়ের মত সুন্দরী মেয়ে যাদের মাথা আস্ত একটা ফাকা লাউ দিয়ে ভরা তাদের কেন আমি বিয়ে করব।
মাথায় গোবর ভরা সুন্দরীরা কোন উপকারে আসবে? 
আমার রিমি কালো হতে পারে কিন্তু ওর যা মেধা, বুদ্ধিমত্তা আছে তার শত ভাগের এক ভাগও নেই তোর নিশুর মাঝে। 
গোড়ান ফুল তো দেখেছিস।
দেখতে কত সুন্দর। কিন্তু মানুষের কাছে তার কোন কদর নেই। কারন এই ফুলের কোণ গুন নেই। 
তোর বউয়ের মত আলু মার্কা সুন্দরীরাও আমার কাছে এই গোড়ান
ফুলের মতই কোন মুল্য নেই। 
আমি কেন সুধুসুধু একটা লাউয়ের ঢোল নিয়ে ঘুরব? 
মাথা মোটা এইসব সুন্দরীদের আমি লেবেন্ডিস লেডি বলেই ডাকি।মনে রাখিস অমূল্য জিনিষ বাজার থেকে চিনিয়া লইতে হয়। 
তা তোর মত টিনের চশমা পড়া লোকদের চোখে ধরা পড়বে না। দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাতে হবে।
পাল্টাতে হবে মন মানসিকতা। 
তবেই দেখবি সব কিছু সুন্দর লাগছে।
কথাগুলি বলেই রিফাতকে কনও কথা বলার সুযোগ না দিয়েই ইশরাক রিমিকে নিয়ে হন হন করে হেটে যায়।
ইশরাক ভেবেছিল রিমির হয়ত মন খারাপ।
কিন্তু ওর দিকে তাকিয়ে দেখে রিমি মিটিমিট হাসছে।
আজ তার স্বামী তাকে অপমান করার বদলা ফিরিয়ে দিতে পেরেছে।
আজ নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ মনে হচ্ছে রিমির।
মনে মনে ভাবে সমাজে ইশরাকের মত মানুষ আছে বলেই আজও সমাজ টিকে আছে।

লেখাঃ মাসুদ সরকার রানা

Wednesday, September 27, 2017

আপনি কি ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছেন ?

শারদীয় শুভেচ্ছা Friends...
দুর্গাপূজাতে আপনাদের জন্য টিপস নিয়ে এসেছি, 
সুখে থাকার টিপস।
Sad cute girl
আপনি ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছেন?
খুবকষ্ট হয় আপনার?
মরে যেতে ইচ্ছে করে?
নেশা করেন?
লেখা পড়া ছেড়ে দিয়েছেন?
মন খারাপ করে থাকেন?
আপনি আপনার জীবনটা নিয়ে খুব বোরিং?
খুব হতাশাগ্রস্থ আপনি?
জীবনটিকে তিলে তিলে শেষকরে দিচ্ছেন?
আপনার উত্তর যদিহ্যাঁ হয়, তবে আপনাকে বলছি।



তুই ছেলেই হ আর মেয়েই হ, থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফেলে দেবো।
কি পেয়েছিস কি?
জীবনটাকে দু-টাকার কয়েন ভেবেছিস?
তুই কি জানিস , তুই কতটা প্রিয় তোর বাবার কাছে?
তুই কি জানিস তুই তোর মায়ের কাছে সাত রাজার ধন?
তুই কি জানিস একটি সন্তান জন্ম হওয়ার জন্য, মাকে কতটা ব্যাথা সহ্য করতে হয়?
তুই কি জানিস তোর মা তোকে দশ মাস, দশ দিন গর্ভে ধারণ করে রেখেছিলো?
কে না কে তোকে ছেড়ে গেছে, তাতে তুই কষ্ট পাবি?
এত মূল্যবান একটা জীবন নষ্ট করবি?
কেনো তুই এত অবুঝ?
যে গেছে তো গেছে-ই।
ও গেছে আরেকজন আসবে।
এত ভাবিস কেনো? 
তুই ডিজিটাল যুগে এসে যদি এত বোকামী করিস তবে রাগ তো হবেই আমার!
এই জামানায় প্রেমের শোকের আয়ু বড় জোড় কয়েক সেকেন্ড।
এটা এই জামানায় বেঁচে থাকার মূল মন্ত্র।
আচ্ছা তুই যদি মরে যাস তবে যে তোকে ছেড়ে গেছে সে তো দূর থেকে বলবে,
বাব্বা বেঁচে গেছি অল্পের জন্য।
আর যদি তুই বড় মানুষ হোস তবে দেখবি, সে দূর থেকে আফসোস করে বলবে, ইস কেনো যে ওকে ছেড়ে এলাম!
সো, কিছু করে দেখাও বস।

Friday, September 1, 2017

আমি মেয়ে, আমি অবাঞ্ছিত

১৪ বয়সে প্রথম জেনেছিলাম - আমার জন্মের খবর পেয়ে ঠাম্মা মাথায় হাত দিয়ে বারান্দায় বসে পড়েছিল। 
Beautiful Baby Girl - Valobasa
আমি, বাবা মার দ্বিতীয় কন্যা সন্তান। 
এই ঘটনার ঠিক দেড় বছর পর আমার ভাইয়ের জন্ম হয়। 
ঠাম্মা আমাকে সারাজীবন 'লক্ষ্মীছাড়ী' বলেই ডাকতো। 
ছোটবেলাতেই বুঝে গিয়েছিলাম বাড়ীতে আমার আর দিদির জন্য এক রকম ব্যবস্থা, আর ভাইয়ের জন্য অন্যরকম। 
পুজোয় ভাইয়ের জন্য চারটে জামা; আমার-দিদির একটা একটা। ভাইয়ের টিফিনবক্সে আপেল-কলা-মিষ্টি। আমার-দিদির যা হোক কিছু। এসব কড়া নিয়মের বাইরে বেরোনোর ক্ষমতা আমার মায়ের ছিলনা। দিদিও কখনো নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করেনি। 
কিন্তু আমাকে বারবার ঠাম্মার কাছে শুনতে হয়েছে, -"এ মেয়ের বড় নোলা, ভীষন লোভ, এক্কেবারে অলক্ষ্মী এসেচে কোথা থেকে।
তবুও আমার বায়নার অন্ত ছিলনা। মা মাঝে মাঝেই আমার বায়না মেটাতে, সবাই কে লুকিয়ে পয়সা দিত। দিদিকে কখনো কিছু চাইতে দেখিনি। 
আমি তখন ক্লাস সিক্স-এ। 
স্কুল থেকে ফিরে দেখি মা'র মুখ থমথমে। 
কিছু একটা হয়েছে আন্দাজ করতে পারছি। সন্ধ্যেবেলা পড়তে বসে দিদি বলল- "তুই মা কে এত বিপদে ফেলিস কেন? 
আজ ঠাম্মা দেখেছে,মার থেকে লুকিয়ে পয়সা নিচ্ছিস।"
আমার থেকে সাড়ে তিন বছরের বড় দিদি সেদিন আমাকে বুঝিয়ে ছিল 'এ বাড়ীতে মেয়েদের কি কি করতে নেই।
মেয়েদের মুখফুটে কিচ্ছু চাইতে নেই;  বেশী কথা বলতে নেই; লাফাতে নেই;  দৌড়াতে নেই। মেয়েদের চিৎকার করতে নেই; ঘুড়ি ওড়াতে নেই;  গুলি খেলতে নেই; পা ছড়িয়ে বসতে নেই;  হা হা করে হাসতে নেই, সব সময় খাই খাই করতে নেই। 

অবাক হয়ে সেদিন আমি ..."নেই"-য়ের ফর্দ শুনেছিলাম।
দিদিকে খুব বেশীদিন এত 'নেই' মানতে হয়নি। আমার রোগা ভোগা দিদিটা বিয়ের ধকল সামলাতে পারেনি। বিয়ের দু'বছর পর, মাত্র বাইশে, শ্বশুরবাড়ীতেই মারা যায়। 

সেদিন প্রথম আমার মা, সারাদিন বিছানায় শুয়ে ছিল। ঠাকুমা, ভাই আর বাবার মানবিকতা বোধকে, সেই একদিনের জন্য কিছুটা জাগ্রত অবস্থায় দেখেছিলাম। সারাদিন কেউ মাকে কোনো ফরমাইশ করেনি। 
সত্যি বলব- এত দুঃখের দিনেও, সেদিন আমার ভালোলাগছিল;  একটাই কথা ভেবে আমার কাকভোরে ওঠা মা, এই সুযোগে, একটা পূর্ণ দিনের বিশ্রাম তো পেল!!
কলেজে এক অধ্যাপক, ফাঁকা ক্লাসরুমে আমার এক বন্ধবীর হাত চেপে ধরেছিল। ব্যাপারটা প্রিন্সিপল্ কে জানাতে গেলাম। তিনি বললেন- "গার্লস কলেজে ওসব হয়েই থাকে। এ'নিয়ে বেশী সোরগোল কোরোনা। আমি দেখছি কি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।" তিনি যে কি ব্যবস্থা নিয়ে ছিলেন আজও জানতে পারিনি। 
কিন্তু, আমার ভাই ব্যাপরটা কোনো ভাবে জেনে, আমাকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। বাবার সামনে দাঁড়িয়ে সে সোজা ভাষায় আমাকে বলল- "তোর আর সেজেগুজে কলেজ যাবার দরকার নেই। বাড়িতে পড়ে পরীক্ষা দে।"
Baby Girl Studying - Valobasa

আমিতো দিদির মত লক্ষ্মী মেয়ে নই, তাই অন্যের করে দেওয়া ব্যবস্থা, আমার পক্ষে মানা সম্ভব হয়নি।

আমার 'মেয়েবেলার', আর এক দিনের কথা খুব মনে পড়ে। 
বাড়ীতে কি একটা পুজো ছিল। দিদি মাকে রান্নাঘরে সাহায্য করছে। ঠাম্মা আমাকে ঠাকুরঘরে নিয়ে গিয়ে প্রসাদ, ঘট, ফুল বেলপাতা সাজানোর প্রশিক্ষন দিচ্ছে। পুজোর জোগাড় শেষ হল, আমার শিক্ষা সম্পূর্ণ হল।  কিন্তু, আমার চোখ তখনো আটকে আছে, নারায়নের জন্য সাজানো প্রসাদী নৈবেদ্যর থালায়। নৈবেদ্যর চূড়ায় চূড়ামনী হয়ে বসে আছে, বেশ বড় সাইজের একটা নলেনগুড়ের সন্দেশ। 
যথা সময়ে পুজো শেষ হল। মা প্রসাদ ভাগ করার তোরজোড় করছে। হঠাৎ‌ ! সবকিছু সরিয়ে, সবাইকে অবাক করে দিয়ে,আমি - সেই মহার্ঘ্য সন্দেশ, ছোঁ'মেরে তুলে নিয়ে, মুখে পুড়ে দিলাম। 
মুখভর্তি সুস্বাদে আমি তখন অবিভূত। 
হুঁশ ফিরল, যখন সন্দেশ ভরা গালে মায়ের প্রচন্ড এক চড় এসে পড়লো। 

ঠাকুমার প্রভূত গালিগালাজ থেকে বুঝলাম--- নৈবেদ্য যতই আমার সাজানো হোক; সেই প্রসাদের সিংহভাগের অধিকারী বাড়ীর পুরুষ সদস্যরা। 
দু'গালে মায়ের পাঁচ আঙুলের দাগ নিয়ে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি। অনেক রাতে মায়ের ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙলো। অভিমানে-রাগে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে রইলাম। কিন্তু,  আমার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে,  মায়ের অসহায়  কান্না, কোনোদিন ভুলতে পারি নি।
"মরার সময় ছেলের হাতের জল না পেলে স্বর্গবাস হয়না।"...... ঠাম্মার এই কথাটা বাবা মনে প্রানে বিশ্বাস করতো। ভাই ছিল আমার বাবার সেই স্বর্গবাসের ইনভেস্টমেন্ট। 
আমার ভাই, বর্তমানে ব্যাঙ্গালোরের এক বহুজাতীক সংস্থায় কর্মরত এবং বিবাহিত। তার অবাঙালী পরিবারকে নিয়ে সেখানেই নিরাপদ জীবন যাপন করছে। এ শহরে খুব একটা আসার দরকার পড়েনা। এলেও অফিসের ভি.ই.পি গেস্টহাউজে থাকে। পূর্ব- দক্ষিণ খোলা বিশাল ফ্ল্যাটের অভ্যস্থ জীবন; এ'বাড়ীর স্যাঁতস্যাতে দেওয়ালে ওদের কষ্ট হয়। বাবা মারা গেছেন প্রায় দু'বছর হল। প্রভিডেন্ট ফান্ডের ষাট শতাংশ ছেলের ক্যারীয়ারে খরচ করেছেন। ইনভেস্টমেন্টের পুরোটাই যে জলে গেছে সেটা মৃত্যুর দিনেও বিশ্বাস করেতে পারেননি।
ঠাকুমার প্রায় চুরাশী চলছে। বৃদ্ধার আর ছেলের হাতের জল পাওয়া হলনা। আমার ছাত্র পড়ানো আর স্কুলে চাকরীর টাকায়, সংসারটা কোনো মতে দাঁড়িয়ে আছে। 
সেদিন সবে বাড়ীর দরজায় পা রেখেছি। মা ছুটে এল........
 "তাড়াতাড়ি আয়। সকাল থেকে কিচ্ছু খাচ্ছে না। বারবার তোকে খুঁজছে।"......
ঘরে ঢুকে বৃদ্ধার মাথার কাছে বসলাম। 
মনে হল আমাকে দেখে, একটু যেন হাসলো। 
আমার হাতে ধরা দুধের গ্লাস থেকে দু'চুমুক মুখে দিয়েই, আবার ক্লান্তিতে মাথাটা বিছানায় এলিয়ে দিল। 
ইশারায় আমাকে কাছে ডাকলো। আমি মুখটা নামিয়ে আনলাম মুখের কাছে। 
খুব আস্তে, প্রায় নিভে যাওয়া কন্ঠে ঠাম্মা বলল - "লক্ষ্মীছাড়ী বিয়ে কোরিস; তোর মেয়ে হতে ইচ্ছা হয়। 
বুড়িটাকে ক্ষমা করে দিস।"
Girl With Mom travelling- Valobasa
মা আর আমি সেদিন সারারাত জেগে বসে রইলাম। 
সারারাত ঠাম্মার বন্ধচোখ থেকে গড়িয়ে পড়া জল মুছলাম।
এত দিন পরে বৃদ্ধার কাছে আমার 'অলক্ষ্মী' জন্ম সার্থক হয়েছে।

# জানিনা কার লেখা, তবে Aparna Chakraborty নামের কেউ হতে পারে।