ও তোর বাবা নয়

ও তোর বাবা নয় - মজার গল্প।
Bengali Funny Story - Bangla Mojar Golpo
Happy Couple - Valobasa
গদা বিয়ের উদ্যোগ নিয়েছে...!
.
.
গদাঃ বাবা আমার একজনকে পছন্দ হয়েছে।
বাবাঃ ওয়াও! কে এই সৌভাগ্যবতী?

গদাঃ বাবলি , আমাদের পাশের বাড়ির গোপালের মেয়ে।

বাবাঃ উহ! নোহ! আমি তোমাকে কিছু
বলতে চাই কিন্তু প্রমিজ করো তোমার মাকে বলবে না।

গদাঃ ওকে প্রমিজ।

বাবাঃ আসলে বাবলি তোর বোন হয়।
.
.
অনন্যোপায় গদা বাবলি কে ভুলে গেল।
.
.
আবার ২ মাস পর!!!
গদাঃ বাবা, আমি প্রেমে পড়েছি। আর ওই মেয়েটা অনেক সুন্দর।

বাবাঃ ওয়াও! এটা তো অনেক বড় খবর। তা কে সে?

গদাঃ বুল্টি, আমাদের পাশের বাসার গোবিন্দবাবুর মেয়ে।

বাবাঃ ওহ! নো! আবার? বেটা এই বুল্টি ও তোর বোন হয় !
.
.
এমন করে অনেক দিন চলে গেলো। 
গদার তো পাগল হবার দশা, মেজাজ খারাপ করে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে গিয়ে বলল:
মা এইপর্যন্ত ৬টা মেয়েকে সিলেক্ট করেছি কিন্তু বাবা বলছে ওই ছ'জনই নাকি আমার বোন।

গদার মা গদার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল:
আমার গদা বাবা কাঁদে না সোনা। তুই যেকোনো মেয়ের সাথে প্রেম কর।
বাবার কথা শুনবি না ।
ও তোর বাবা নয়!!!🤭😁

রূপকথা

Bengali Story - Bangla Short Story
রাত তখন ১১টা, শুনশান গলি .. । 
অফিস ফেরত মেয়েটি অন্ধকার গলিতে পা বাড়াল, এ গলি পেরিয়ে ডান দিকে দুটো গলি ছাড়িয়ে মিনিট পাঁচেক হাঁটলে তার বাড়ি । চুপচাপ, শুনশান চারদিক .. এইখানেই তো গলির দক্ষিণ কোনায় কতগুলো ছেলে রোজ আড্ডা মারে! তাহলে? .. সে এগোতে লাগল .. পায়ের প্রতিটি পদক্ষেপের শব্দ সারা এলাকা যেন শুনতে পাচ্ছে .. হঠাৎ... 
..
.
নাহ! মশাই ! হঠাৎ কিছুই নয়, আপনি যা ভাবছেন তা একদম নয়! মেয়েটি বাড়ি পৌঁছাল। 
মা বলল " কি রে মা! আজকেও এত দেরী করলি কেন, খাবার যে ঠান্ডা হয়ে গেল, আপিসে কাজের চাপ বেড়েছে?" ..
- আরে কি বলছো? রোজই তো এরকম সময়েই ফিরি, খেতে দাও তো! অত ভাবো কেন? "মেয়েমানুষ" হয়েছি কি করতে? 
..
মেয়েটি খাওয়া সেরে ঘরে টিভি চালিয়ে .. ফ্যানের তলায় সোফায় গা এলিয়ে দিল ..। উফঃ এই সরকারি চাকুরি! কি ঝক্কির বাবা! আজকাল তো মেয়েরা সরকারি চাকরি না করলে বিয়ের জন্যে ছেলেই পাওয়া যাচ্ছে না! ... তাই কোন গতি না দেখে.. মা-বাবার অনুরোধে .. ইয়ে আর কি! 
..
টিভিতে একটা নিউজ চ্যানেল দিয়ে সে মৌরি চিবোতে চিবোতে সেদিকে মনঃসংযোগ করল, কাল ১৫ই আগস্ট ছিল, ভারতের ৭২তম স্বাধীনতা দিবস, তাই বর্তমান প্রগতিশীল ভারতের কিছু ভালো ভালো খবর পরিবেশন করা হচ্ছিল .. মেয়েটি মন দিয়ে দেখতে লাগল ..
- " বর্তমানে ভারতে অর্থনৈতিক উন্নতির বিচারে চিনকেও পিছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর প্রগতিশালী দেশ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে, ঘুষ, দুর্নীতি ,করফাকি, ট্রেনের টিকিট না কাটা বা অরাজনৈতিকতা দেশ থেকে সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত হয়েছে, সমগ্র রাজনৈতিক দলগুলি দেশের স্বার্থে একত্রিত হয়ে একটি মাত্র দল গঠন করেছে, বিগত ২০ বছরে ভারতে একটিও ধর্ষণ ,নারী নির্যাতন, শিশুশ্রম কন্যাভ্রূণ হত্যার নিদর্শন মেলেনি, আজকাল সারা ভারতে ক্রাইমের percentage মাত্র ০.৫%, আজকাল পুলিশের সেরকম প্রয়োজনীয়তা পরছে না, শিল্প, গবেষণা, আর্ট, বিজ্ঞানে ভারত প্রভূত উন্নতি করেছে, সারা ভারতে বেকারের সংখ্যা বিলুপ্ত প্রায়, কেউ আর বেকারত্বের জ্বালায় বিগত ২০বছরে আত্মহত্যা করেনি, কোন খুব প্রতিভাশালী ব্যক্তিও বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে না, দেশের infrastructure এ একরকম নবজাগরণ আসায় ভারত সারাবিশ্ব থেকে সমাদৃত হচ্ছে, কৃষিবিদ্যায় নতুন টেকনোলজির ব্যবহারে বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, কোন চাষি বিগত ২০ বছরে অনাহারে থেকে আত্মহত্যা করেনি, ধর্ম-জাতি-বর্ন সব মিলেমিশে একাকার হয়েছে,সামাজিক ও শিক্ষা, ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সংরক্ষন প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে কারন অনগ্রসর জাতি আর অনগ্রসর নেই, সবাই সমান ।আজ খুব গর্বের দিন , শুভ স্বাধীনতা দিবস, সবাই এগিয়ে আসুন, আমরা ভারতকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাই ।"
- মেয়েটি টিভি বন্ধ করে ভাবতে শুরু করল ... কি অদ্ভুত আমাদের ভারতবর্ষ! অনেক ভাগ্য করে জন্মেছিলাম! কোন পারিবারিক চাপ নেই, প্রেমিকযুগল যে কেউ যে কাউকে বিয়ে করতে পারে, কোন ধর্ম-জাতি-বর্ন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না .. 
কেউ আর কার্টুন আকার জন্যে জেলে পুরে দেয় না, গণতন্ত্রের মুখ চেপে ধরে না, প্রত্যেকটি মানুষের সমান অধিকার, তুমি এটা খাবেনা, এটা বলবে না,এটা পরবে না, এটা করবে না, ওটা করবে না, কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, এখন তো ভারতে ৯৫% মানুষ শিক্ষিত, আর দারিদ্রসীমার নীচে মাত্র ২% মানুষ, প্রত্যেকটি মানুষ, সৎ, দেশপ্রেমী, কর্মঠ, নিষ্ঠাবান... একে অপরের সাহায্যে সর্বদা সক্রিয়। এ তো ভারতবর্ষে নয় যেন স্বর্গভূমি, একদিন সারাবিশ্বে স্বাধীনতার আক্ষরিক মানেই হয়তো ভারতবর্ষকে বোঝানো হবে ।
..
রাতে কখন যে ঘুম এসে গেছিল ... কে জানে! মেয়েটি সকালে উঠে তড়িঘড়ি অফিস ছুটল ... বাস স্ট্যান্ডে এসে চারপাশের পরিপাটি গোছানো চারপাশের পরিবেশটা তাকে প্রতিদিনের মতোই মুগ্ধ করল, চারদিকে গাছপালা ,চকচকে রাস্তা,কোথাও কোন নোংরা-আবর্জনা নেই... রাস্তার কোনায় ডাস্টবিনে মেয়েটি সদ্য শেষ হওয়া চিপসের প্যাকেটটি ফেলে এল ...হঠাৎ কোথা থেকে একটি লোক দৌঁড়তে দৌঁড়তে এসে ডাস্টবিনে ...."পিক!" 
মেয়েটির দিকে লজ্জাতুর মুখে তাকিয়ে বলল "অনেকক্ষন ধরে মুখে জমে ছিল দিদিভাই,সেই কখন থেকে চিবোচ্চি, আর রাখতে পারছিলাম না,"
- মেয়েটি হেসে ফেলল ।
...
উপরের সবকিছু কেমন রূপকথার মতো লাগল তাই না? কিন্তু এই রূপকথাটাই বাস্তব হতে পারত যদি আমরা প্রত্যেকটি ভারতবাসী এরকম হতে পারতাম, সৎ, দায়িত্বশীল, কর্মঠ,দেশপ্রেমী ভারতীয় নাগরিক হতাম. ... আমাদের প্রচেষ্টাতেই এই রূপকথার মতো কথাগুলি বাস্তবায়িত হতে পারত । হ্যা! আমাদের ভারতবর্ষও স্বর্গ হতে পারত... কিন্তু।

বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে?

 বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে? 

Bengali Funny Story | Bengali Funny Jokes
Soham - Valobasa

রবার্ট ছোটবেলা থেকেই রাতে বিছানায় শুতে ভয় পেত। 
তার সবসময় মনে হতো বিছানার তলায় কেউ আছে।
বন্ধুর পরামর্শে একদিন এক সাইকোলজিস্ট এর কাছে গেল।
"ডাক্তারবাবু আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। 
সবসময় মনে হয় আমার বিছানার তলায় কেউ আছে। 
আমি পাগল হয়ে যাব।"
"ঘাবড়াবেন না। 
এক বছরের মধ্যে আপনাকে আমি ঠিক করে দেব", বললেন সাইকোলজিস্ট।
"সপ্তাহে তিনবার আমার চেম্বারে আসবেন ।"
"আপনার চার্জ কত?"
"2000 টাকা প্রতি ভিজিটে"।
" ঠিক আছে ডাক্তারবাবু।
প্রয়োজন হলে আপনার কাছে ফিরে আসব," রবার্ট বললেন।
ছয় মাস পরে রাস্তায় রবার্টের সঙ্গে সাইকোলজিস্টের দেখা।
ডাক্তার: "কি হলো? 
আপনি যে ভয় পেয়েছিলেন সে সম্পর্কে আপনি আমাকে দেখাতে এলেন না কেন?"
রবার্ট: "ওয়েল, 2000 টাকা প্রতি ভিজিট; 
সপ্তাহে তিনবার; এক বছর -- অনেক টাকার ব্যাপার!"
"আমার এক ভারতীয় বাঙালি Bondhu আমাকে এক প্লেট বিরিয়ানি এবং এক বোতল বিয়ারের পরিবর্তে আমার প্রবলেম সলভ করে দিয়েছে।
ও আমার সব খরচ বাঁচিয়ে দিয়েছে। 
আর সেই টাকায় আমি একটা নতুন Swift গাড়িও কিনে নিয়েছি। আমি ভীষণ খুশি।"
ডাক্তার: "তাই! তা আপনার বন্ধু আপনাকে কিভাবে নিরাময় করে তুললো?'
"সে আমাকে বলল - খাট বিক্রি করে দে। 
মেঝের উপর একটা গদি পেতে তার উপর শুয়ে পড়।"

ভগবানকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না

এটা একটা মজার গল্প।
পড়ুন, মজার আছে...
দুই ভাই ছিল, একজনের বয়স ৬ বছর আর অন্যজনের বয়স ১০ বছর....।।
তাদের দুজনের দুষ্টুমি ও অত্যাচারে পাড়া প্রতিবেশীরা অতিষ্ঠ।
তাদের মা বাবা সবসময় চিন্তায় থাকতো, এই বুঝি ছেলেরা কিছু একটা ঘটিয়ে এলো....।।
একদিন গ্রামে এক মহান সাধুবাবা এলো, যার আশীর্ব্বাদে নাকি সকলের মঙ্গল হয়...।।
এক প্রতিবেশী এসে তাদের মা কে বললঃ তোমার ছেলে দুটোকে সাধুবাবার কাছে নিয়ে যাও....হয়তো ওদের মতি গতি ঠিক হতে পারে.....।।
প্রতিবেশীর কথামতো মা প্রথমে ছোট ছেলেকে সাধুবাবার কাছে
নিয়ে গেল....।।
সাধু ছেলেটিকে সামনে বসিয়ে মা কে বাইরে অপেক্ষা করতে বলল......

এরপর সাধুবাবা বাচ্ছাটিকে বললঃ বল ব্যাটা....
তুই ভগবান কে জানিস...??
বল ভগবান কোথায়....??
বাচ্ছাটি কিছু বলল না, শুধু সাধুর দিকে তাকিয়ে রইলো......
সাধু আবার জিজ্ঞাসা করলো,
ছেলেটি এবারও কিছু বলল না.....
সাধুবাবা এবার রেগে গিয়ে বললঃ আমি কি বলছি শুনতে পচ্ছিস না....??
বল....ভগবান কোথায়.....??
ছেলেটি কিছু না বলে ভয়ে ভয়ে সাধুবাবার দিকে তাকিয়ে রইলো....
হঠাৎ যেন ছেলেটির চেতনা এলো,
সে উঠে দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে ছুট লাগালো......
সাধু তাকে বারবার ডাকলো,
কিন্তু সে একছুটে ঘরে গিয়ে
খাটের তলায় লুকিয়ে পড়লো.....।।
ছেলেটির দাদা ঘরেই ছিল, সে এটা দেখে বললঃ কি হয়েছে......??
তুই লুকোচ্ছিস কেন রে.....??
ভাইঃ দাদা.....পারলে তুইও তাড়াতাড়ি কোথাও লুকিয়ে পড়....
দাদাও খাটের নীচে ঢুকতে ঢুকতে বললঃ কিন্তু...হয়েছেটা কি....??
তুই এতো ভয় পাচ্ছিস কেন....??
ভাইঃ এবার আমরা খুব বড়ো ঝামেলায় ফেসে গেছি....।।
শুনলাম.... ভগবান কে নাকি কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা......





আর সবাই ভাবছে...এতে নাকি

আমাদেরই হাত আছে.....।।

আমি ভাঙিনি স্যার

বাচ্চাদের জন্য আজ একটা মজার ছোটো গল্প।
এটা জদিও গল্প বাট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলির অবস্থা এর থেকে ভালো কিছু নয়।

 স্কুল পরিদর্শক ক্লাস ফাইভের ছাত্র জিতুকে প্রশ্ন করলোঃ-
বলোতো হরধনু কে ভেঙে ছিল?
.
জিতুঃ- আমি ভাঙিনি স্যার । ঐ যে ওই আবির ভেঙেছে।
.
আবিরঃ- না স্যার, আমি ভাঙিনি । ওই জিতু মিছা কথা কইতাছে।
.
পরিদর্শক ক্লাস থেকে বেরিয়ে ক্লাস টিচারকে জিজ্ঞেস করলোঃ- কি পড়াচ্ছেন এখানে ? ছাত্ররা সামান্য একটা প্রশ্নের এই রকম উত্তর দিচ্ছে ?
.
ক্লাস টিচার :-- স্যার, জিতু আর আবির কিন্তু সত্যিই খুব ভালো ছেলে। ওরা এই সব ভাঙচুর করে না। আর পটলা টা এক নম্বরের দুষ্ট।
ওই পটলা ই ভাঙ্গতে পারে।
.
স্কুল পরিদর্শক মাথায় হাত দিয়ে আর কথা না বাড়িয়ে হেড মাষ্টার মশাই এর রুমে গিয়ে 
সব বিস্তারিত জানালোঃ-  এখানে কি সত্যিই কিছু পড়াশোনা হয়? ছাত্ররা না হয় জানেনা, কিন্তু তাই বলে শিক্ষকের ও এই দশা ?
.
হেড মাষ্টারঃ- দেখুন স্যার, ওই ক্লাস টিচার অনেক দিন ধরে পড়াচ্ছেন, প্রতিটি ছাত্রকে তিনি ভালো মতই চেনেন। তিনি যখন বলছেন পটলা 
ভেঙেছে তাহলে পটলাই ই ভেঙেছে।
.
স্কুল পরিদর্শক আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেলেন,
এবং স্কুল শিক্ষাবোর্ডে চিঠি লিখলেন।
যে স্কুলে কেউই "হরধনু কে ভেঙেছে" তাও জানে না, সেই স্কুল রাখার কোনো দরকার নেই।
.
.
কিছু দিন পরে শিক্ষাবোর্ড থেকে উত্তর এল:

*বাচ্চা-কাচ্চা রা ভাঙ্গাভাঙ্গি করতেই পারে। তার জন্য স্কুল উঠিয়ে দেবার দরকার নেই। এটা বিরোধীদের চক্রান্ত। আমরা ওসব বুঝি। ওদের কথায় কান দেবেন না। উন্নয়নের স্বার্থে আমরা অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছি, আর একটা হরধনু কেনা হোক...!!!*

বেঁচে থাকাটাই আসল চ্যালেঞ্জ

বেঁচে থাকাটাই আসল "চ্যালেঞ্জ
Upset Girl - Valobasa

এই তো .. হোলির আগের দিন, পাশের পাড়া, ক্লাস এইটের ছেলে, স্কুল থেকে হোলি খেলে ফেরায় মা বকাবকি করল, গায়ে হাত তুলল, ব্যস!ওইটুকু ছেলে আত্মহত্যা করল, কাল খবরে পেলাম হাওড়ায় মা ফেসবুক করতে বারন করায় আত্মঘাতী মাধ্যমিকের ছাত্রী।
বিগত ১ মাসে নাকি দিনহাটায় ৭-৮টি আত্মহত্যা হয়েছে, 
সব ছেলে-মেয়ের বয়েস নাকি ১৪-১৭ ... ! 
প্রতিনিয়ত পেপার ঘাটলে হয়তো প্রতিদিনই এরকম কিছু চোখে পড়ে।
ভাবছেন ব্লু-হোয়েল ? 
না তার থেকেও ভয়ানক গেম "প্রেম-গেম"
জীবনের প্রথম বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণা হয়তো নিতে পারছে না সদ্য বেড়ে ওঠা Teenager গুলি ..। 
জীবন কি এতই সস্তা? 
কিন্তু এর থেকে কিছু ব্যাপার উঠে আসছে অবশ্যই যেটা নতুন Generation এর ছেলেমেয়েদের অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, শেখাও উচিত । 
১. প্রথমত আগে তোরা নিজেকে ভালোবাসতে শেখ, নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে অন্যকে কিভাবে ভালোবাসবি? 
২. "তোমায় ছাড়া বাঁচবো না" এই চিন্তাধারা মাথা থেকে বের করতে হবে, হ্যাঁ! 
কাছের কেউ ছেড়ে গেলে কষ্ট হয়, তার সাথে কাটানো স্মৃতিগুলো বুকে জাকিয়ে বসে, কিন্তু আত্মহত্যা এর সমাধান নয়।
আত্মহত্যা কখনোই কোন কিছুর সমাধান হতে পারেনা, আর জীবনের থেকে মূল্যবান এই নশ্বর পৃথিবীতে কিচ্ছু নেই.. কিচ্ছু না.. । 
সময় সবকিছু বদলে দেয়, ঘা শুকিয়ে দেয়, নিজেকে একটু সময় দে, অপেক্ষা কর, দেখবি জীবনকে আবার ভালোবাসতে শুরু করেছিস। এটা মনে রাখিস, যারা সত্যিকারের ভালোবাসে, তারা কখনো ছেড়ে যায়না, তাহলে ভেবে দেখ যে ছেড়ে গেল, ভালোইবাসলো না তার জন্যে জীবনটাই দিয়ে দিবি? 
যারা সত্যিকারের ভালোবাসে ( যেমন মা-বাবা-ভাই-বোন) তাদের জন্যে বাঁচতে পারবি না? 
৩. প্রেম-ভালোবাসা আজকাল খোলামকুচির মতো, ঠুনকো, দুদিনের প্রেমিক/প্রেমিকার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আত্মহত্যা করলি ..আর যারা তোকে জন্ম দিল, যত্নে-আদরে-স্নেহে-ভালোবাসায় এত বড় করে তুলল, সেই মা-বাবার ভালোবাসার কি দাম দিলি? 
তাদের ভালোবাসা কিন্তু ঠুনকো নয়, বুকের রক্ত জল করে , কষ্ট করে, তোর অভাব-অনটন মিটিয়ে তোকে বড় করে তুলেছিল, তাদের কথা কি একবারও মাথায় এলো না? 
তোদের শুধুমাত্র তোদের প্রেমিক-প্রেমিকারা ভালোবাসেনা, তোদের কাছের মানুষ, মা-বাবা-ভাই-বোন..তারাও ভালোবাসে, তাদের কথাও একটু ভাবিস । 
৪. বয়সটা খুব ভয়ংকর, ১৩-১৯ .. সামান্য কিছু হলেই আমরা অন্ধকার দেখি, ভেঙে পড়ি, এই বয়সে অভিজ্ঞতা ও জীবনবোধের অভাব ঘটে প্রচন্ড, সহজেই ব্রেন ওয়াশ করা সম্ভব, ব্লু-হোয়েলে আত্মঘাতী ৯৫% শতাংশ ছেলে-মেয়ের বয়েস ১০-১৯। 
তাই এই বয়সের আমার সকল ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি, তোর সাথে কোন কিছু খারাপ ঘটলে মা-বাবা, দাদা, দিদি, ভাই, বোন..বা খুব ভালো বন্ধু তার সাথে শেয়ার কর, নিজে কোন বড় পদক্ষেপ নিস না...। একটা উপায়, একটা সাজেশন, একটা মতামত জীবন বদলানোর ক্ষমতা রাখে । 
জীবন একটাই, জীবনের থেকে মূল্যবান কিছু নেই, সেটা সবসময় মাথায় রাখিস । 
৫. গুরুজনদের বলছি, এই বয়েসটা খুব সেন্সিটিভ, বাড়ির লোকের একটু নজরদারি , একটু শাসনে রাখা উচিত ছেলে-মেয়েদের, যা বর্তমান প্রজন্মে ক্রমশ হ্রাসমান, এই বয়েসটি শেখার বয়েস, অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের বয়েস, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শিক্ষা দরকার, ছেলে-মেয়ের সাথে ফ্রেন্ডলি মিশুন, আর তাদের শিক্ষাও দিন, একটু শাসনে রাখুন, নইলে ভবিষ্যৎ খুব মারাত্মক হতে চলছে (উদাহরণ ব্লু-হোয়েল) ।
.
.
শুধু এটুকুই বলার আত্মহত্যা কখনোই কোন সমাধান হতে পারে না, জীবনে খারাপ সময় চলছে? 
খুব খারাপ সময়? 
সেই খারাপ সময়কে "সময়" দে, ঠিক কেটে যাবে .. এভাবে মা-বাবার চোখের জলের কারন হয়ে দাঁড়াস না, তারা এসব দেখার জন্যে তাদের বুকের রক্ত জল করে তোদের বড় করে তোলে না.. একটু অপেক্ষা কর, আবার নতুন সকাল আসবে ..😊
কখনো শুনেছিস যে ২৪-২৫ বছরের যুবক যুবতী ব্লু-হোয়েলে আত্মঘাতী হয়েছে? ৯৫% আত্মঘাতীর বয়েস ১১-১৯ .. তাই একটু অপেক্ষা, একটু ধৈর্য, এক সময় দে নিজেকে, এখানে মৃত্যু নয়, বেঁচে থাকাটাই আসল "চ্যালেঞ্জ" । 
ভালো থাকিস তোরা! 😊
~ অপূর্ব ©

একটা বৃষ্টি ভেজা রাত

আজ একটা বড় গল্প আপনাদের জন্য।
অবশ্যই ভালোবাসার গল্প, কস্টের গল্প, ভালোবেসে কষ্ট পাওয়ার গল্প।
তো শুরু করি।
Bhalobasar Golpo - Valobasa
প্রায় রাতে রুপা আমাকে ফোন করে ওয়েটিংয়ে পেত।
আমি কথা ঘুরিয়ে বলতাম ' বাবু আমার ফ্রেন্ড কল করেছিল। রুপা আমার কথা বিশ্বাস করে বলত আচ্ছা
ঠিক আছে।
আমি শান্তিতে নিশ্বাস ফেলে রুপার সাথে ৫মিনিট কথা বলার পর' বলতাম আমার শরীর খারাপ লাগছে - ঘুমিয়ে যাই? 
রুপা আমার কথা শুনে বলত আচ্ছা ঘুমিয়ে পড় তুমি। 
আমি এই ভাবে দিন দিন রুপাকে এভয়েড করতে লাগলাম। 
আমার এখন আর ওকে ভাল লাগে না। 
আমি এই সম্পর্কে বিরক্ত হয়ে গেছি। 
প্রতিদিন ফোনে কথা বলা ' দেখা করা আমার আর ভালো লাগে না। রুপা এইসব হয়তো বুঝতে পেরেছে তাই আর দেখা করার কথা বলে না।
আমি প্রায় রাতে ওয়েটিংয়ে থাকতাম আর রুপা আমায় বার বার কল করত!! 
সে দিন রাতে ৩টার সময় ফোনে কথা বলছি' তখন হঠাৎ ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি ৫৩টা ফোন কল এসেছে ওয়েটিংয়ে।
আমি ফোন ব্যাক করে শুনতে পারলাম রুপা কান্না করছে!! 
কান্না করে করে আমায় বলল ' আজকে ও কি ফ্রেন্ড কল করেছিল?? আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে থাকলাম কিছু বললাম না।

- - দু দিন পর এক বিকালে রুপার সাথে দেখা হল সেই পার্কে। 
যেখানে আমি রুপাকে প্রথম ভালবাসার কথা বলেছিলাম। 
আজ রুপা নীল শাড়ি পরে এসেছে। 
আমায় দেখে রুপা অনেক খুশি। 
আমি ওর মুখ দেখে বুঝতে পারলাম - রুপা খুশিতে ফোন ওয়েটিং এর কথা সব ভুলে গেছে! 
রুপা আমার পাশে বসে আছে। 
রুপা: তুমি খেয়ে এসেছ? 
আমি : হুম। 
রুপা : বাড়ির সবাই ভাল আছে? 
আমি রুপার দিকে তাকিয়ে বললাম ' হুম ভাল আছে। আমি এখানে রুপার সাথে প্রেম করতে আসিনি!! আমি এসেছি এই সম্পর্ককে এখানেই শেষ করতে। আমার ভালো লাগছে না আর এইসব। 
রুপা ব্যাগ থেকে টিফিন বক্স বার করে বলল ' তোমার জন্য নিজে বানিয়ে এনেছি। তোমার প্রিয় খাবার পাটিশাপটা পিঠে ।। 
আমি রুপার দিকে তাকিয়ে বললাম ' আমি কিছু বলতে চাই তোমায়। রুপা তখন টিফিন বক্স খুলে হাতে চামচ নিয়ে বলল - খেয়ে বলো। আমি রুপার মুখে ভালবাসা আর মিষ্টি হাসি দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমি আমার মন কঠিন করে বলে দিলাম সব' ব্রেক-আপ এর কথা। আমার
কথা শুনে ওর হাত থেকে চামচ মাটিতে পড়ে গেল - তাকিয়ে থাকল অসহায় হয়ে।। 
তারপর বলল '
২বছরের সম্পর্ক আমাদের আর তুমি বলছ এখন ব্রেকাপ !! 
কোথায় হারিয়ে গেল তোমার সেই সব প্রমিস? 
আমার হাতে হাত রেখে করা ওয়াদা।
আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি কিছু বলছি না। 
রুপা আবার বলল ' মনে আছে বলেছিলে আমার হাত ধরে 'এই জায়গায় দাঁড়িয়ে- রুপা আমি কোন দিন তোমাকে ছেড়ে যাব না! 
রুপা আমি ভালবাসি তোমায়!! কোথায় গেল সেই সব কথা! কোথায়
হারিয়ে গেল দিপ?? 
আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলাম। তারপর বললাম ' আমি ভালবাসতাম তোমায় কিন্তু এখন আর বাসি না।
আমায় ক্ষমা করে দাও। মনে কর এইসব শুধু টাইমপাস ছিল আর কিছু না। দয়া করে আমায় ভুলে যাও।
বাবা মা যেখানে বিয়ে দিবে সেখানে বিয়ে কর ' দেখবা অনেক সুখে থাকবা।
Bhalobashar Golpo - Valobasa
- - রুপা আমার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে 'মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। 
ওর চোখ থেকে টপটপ করে জল মাটিতে পড়ছে । 
আমি রুপার কান্না দেখে বললাম ' কান্না করে কি হবে? 
ভালবাসা তো আর জোর করে হয়না। 
আর তা ছাড়া আমার চাকরি নেই - বিয়ে করে তোমায় খাওয়াব কি? রুপা কান্না মাখা চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল 'জল খেয়ে থাকতে পারব কিন্তু আমায় ভুলে যেও না। 
আমি বললাম' জল  খেয়ে কি জীবন চলে? 
এই সব সিনেমায় হয়' বাস্তবতা অনেক কঠিন!! 
সে দিন রুপা আমার চোখে চোখ রাখতে পারছিল না। 
শুধু কান্না করছিল। আমি ওর কান্না সেদিন দেখতে পাইনি। 
আমি অমানুষ হয়ে গেছিলাম। 
আমাদের ব্রেক-আপ হয়ে গেল। 
আমি রুপার নাম্বার 'ফোন থেকে মুছে দিলাম। 
রুপা মাঝেমধ্যে আমায় কল করত কিন্তু আমি রিসিভ করতাম না। আমার এইসব বিরক্ত লাগতো। 
বিরক্ত লাগার কারণ তখন আমার আরো একটা বড় লোকের মেয়ের সাথে প্রেম হয়ে গেছে। 
মেয়েটা আমায় বিয়ে করতে চায়।
ওর নাম হল ইরা। 
ইরার সাথে প্রথম দেখা হয় আমার একটা শপিং মলে। 
তখনও রুপার সাথে আমার সম্পর্ক ছিল কিন্তু আমি সেই সময় রুপার কথা চিন্তা করিনি। 
ইরা যেদিন প্রথম আমায় বিয়ের কথা বলল ' তখন আমি কোন কিছু চিন্তা না করেই হ্যা বলে দিলাম। 
আমার মনে হয়নি রুপার কথা।
মনে হয়নি একটা বিশ্বাস আমার পথ চেয়ে আছে। 
আর সেই বিশ্বাস এর নাম রুপা।
- - প্রায় প্রতি রাতে রুপা আমায় কল করত আর কান্নাকাটি করতো। আমি বিরক্ত হতাম। 
চুপ করে কান্না করা শুনতাম তারপর বলতাম ' তোমার কান্না করা শেষ' এখন ফোন রাখি? আমি ঘুমাব।
এই বলে ফোন কেটে দিতাম কিন্তু রুপা আমায় আবার ফোন করত তখন আমি বিরক্ত হয়ে ফোন অফ করে দিতাম।। 
সে দিন রাতে ঘুমিয়ে আছি তখন রুপা ফোন করছে। 
আমি ওর কল দেখে বিরক্ত হয়ে বার বার ফোন কাটছি কিন্তু মেয়েটা ভীষণ ছেছড়া!!
কল করছে তো করছেই। শেষমেশ রাগ করে কল রিসিভ করে বললাম' সমস্যা কি তোমার?? 
রুপা আমার কথা শুনে চুপ করে রইল তারপর বলল Happy Birthday To You. 
আমি রুপার কথা শুনে থ হয়ে গেলাম। 
আজকে আমার জন্মদিন?? 
আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। ইরা আমায় একবারও ফোন করে কিছু বলল না অথচ রুপা ঠিক সেটা মনে রেখেছিল। 
আমি সে দিন রাতে রুপার সাথে একটু ভাল করে কথা বললাম। 
আমি রুপার কন্ঠ শুনে বুঝতে পারলাম ওর শরীর ভাল না। 
রুপা ফোন রাখার আগে বলল ' চিন্তা কর না আমি আর ফোন করব না। 
ভালো থেকো নিজের খেয়াল রেখো । 
এই বলে ফোন রেখে দিল রুপা।।
- - ইরা অবশ্য পরের দিন আমার জন্ম দিনের উইস করল আর বলল' বাবু আমি ঘুমিয়ে গেছিলাম রাতে। প্লিজ রাগ করো না। আমি আর ইরার উপর রাগ করে থাকতে পারলাম না। ইরাকে পেয়ে আমি
রুপার কথা ভুলে গেলাম। এখন আর রুপা আমায় কল
করে না। আমি এখন ইরা নিয়ে বেস্ত। ইরা প্রতিদিন
আমার সাথে দেখা করতো কফি শপে। এই ভাবে দিন
চলতে থাকে। আমাদের ভালবাসা বাড়তে থাকে। রাতে
খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে আছি তখন একটা নাম্বার থেকে ফোন আসে। আমি ফোন রিসিভ করে জানাতে পারলাম" এই নাম্বার রুপার ফ্রেন্ড আকাশের।
আকাশ আমায় বলল ' দাদা আপনি কেন এমনটা করলেন রুপার সাথে? রুপা না খেয়ে থাকে -কারো সাথে কথা বলে না। বাড়িতে একা বসে কান্না করে।
দাদা ওর অবস্থা খুব খারাপ। 
এই ভাবে চলতে থাকলে রুপা বাঁচবে না!! 
আমি আকাশের কথা শুনে রাগে ফুলে গিয়ে বললাম ' তোর যখন এতো চিন্তা রুপাকে নিয়ে তা হলে তুই ওর সাথে প্রেম করিস না কেন সালা??
Ekti Bristi Veja Rat - Valobasa
- - আকাশের সাথে কথা বলার সময় - ইরা ৩/৪ বার ফোন ওয়েটিংয়ে পেয়েছে আমার। 
আমি কল ব্যাক করে দেখি মেয়েটা মন খারাপ করে বসে আছে।
আমায় বলল ' তুমি কার সাথে প্রেম করছিলে দিপ?
আমি বললাম কেউ না ইরা ভাই ফোন করেছিল।
কিন্তু ইরা আমার কথা শুনল না। 
মন মরা হয়ে কথা বলল। 
আমি বুঝতে পারলাম ' মেয়েটা আমায় অনেক ভালবাসে। আমি পরের দিন ইরা সাথে দেখা করলাম।
ইরা আমার সামনে মন খারাপ করে বসে আছে। 
আমি চকলেট দিয়ে বললাম ' আমি সত্যি কাল রাতে কোন মেয়ের সাথে কথা বলিনি  ইরা। 
অনেক বোঝানোর পর ইরা আমার দিকে তাকিয়ে বলল ' আচ্ছা বিশ্বাস
করলাম তোমায়। 
আমি ইরার কথা শুনে শান্তিতে নিশ্বাস ফেললাম। 
ইরা আমার হাতে হাত রেখে বলল' আমি তোমায় ছাড়া বাঁচবোনা দিপ। আমি শুধু তোমাকে ভালবাসি - বিশ্বাস করি। 
আমার বিশ্বাস নষ্ট করে দিও না।। আমি ইরার কথা শুনে চুপ করে
থাকলাম। 
চিন্তা করতে থাকলাম মেয়েটা আমায় কত ভালবাসে। তারপর বললাম 'না ইরা আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না ।'
- - আমি কথা বলা শেষ করার সাথে সাথে একটা ছেলে এসে আমাদের পাশে দাঁড়াল। 
ইরা ছেলেটাকে দেখে চমকে গেল। 
ছেলেটা বলল ' তুমি এখানে কি করছ ইরা?? তুমি না বললে ' তোমার শরীর খারাপ বের হতে পারবা না! 
আমি এইসব শুনে হা।
জানাতে পারলাম এই ছেলেটা ইরার BF.. ইরা ছেলেটিকে বলল' জান আমি কাজিন এর সাথে দেখা করতে এসেছি। আমি ইরার কথা শুনে হা করে বসে আছি!!!
- - রাতে দাঁড়িয়ে আছি ছাদের। 
আজ রুপার কথা অনেক মনে হচ্ছে। 
আমি খারাপ একটা মেয়ের জন্য রুপার মতন ভাল মেয়েকে ছেড়ে দিলাম! 
আমি কেন বুঝতে পারলাম না - যে মেয়ে প্রথম দেখাতে Love
You বলতে পারে " সে মেয়ে কেমন হতে পারে!!
আমি সে দিন রুপার কান্না দেখিনি। আমি মানুষ না।
নিজের অজান্তে আমার চোখ থেকে জল পড়ল মাটিতে। 
রাতে অনেক গুলো ঘুমের ঔষদ খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। 
আর কিছু বলতে পারি না। 
চোখ খুলে দেখি হাসপাতালে আমি। পাশে মা আর বন্ধুরা। 
মা কান্না করছে। বাবা বাইরে ডাক্তারের সাথে কথা বলছে।
আমি হাসপাতাল থেকে ২দিন পর ছাড়া পেলাম।
বাড়ি এসে শুয়ে আছি বিছানায়। 
রুপার কথা অনেক মনে হচ্ছে। আমি মাকে বললাম ' মা আমার ফোনটা দিয়ে যাও। 
মা ফোন দিয়ে চলে গেল। আমি ফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক
ওপেন করলাম। 
দেখি অনেক গুলো মেসেজ জমে আছে।
তারপর যা দেখলাম তা দেখে আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। 
দেখি রুপার বন্ধুদের স্ট্যাটাস - - - রুপা এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে
গেছে!! রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে রুপা ২দিন আগে!!! আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিল। আমি ফোন রেখে ছুটে গেলাম রুপার কাছে।।

- - আমি বসে আছি রুপার কবরের সামনে। চোখ থেকে জল টপটপ করে পরছে মাটিতে। আমি তাকিয়ে আছি মাটির নিচে ঘুমন্ত রুপার দিকে।
আমার মনে হল সে দিন এর কথা। 
সেই দিন রুপা আমায় বলেছিল' দিপ আমি জল খেয়ে থাকতে পারব
তোমার সংসারে কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। 
আমি রুপার কথা চিন্তা করে করে কান্না করছি। 
আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। 
আকাশের দিকে তাকিয়ে বললাম' হে ঈশ্বর - আমার ভুল হয়ে
গেছে। আমি আর ভুল করবনা। আমার কাছে রুপাকে
ফিরিয়ে দাও।। 
আকাশে মেঘ জমে আছে। 
আমি কান্না করছি তখন মেঘে বিশাল জোরে গর্জন করে উঠল। 
আমি চমকে গিয়ে উঠে বসলাম বিছানায়।
দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ২টা!! 
আমি কি এইসব স্বপ্নে দেখেছি এতো সময়?? 
আমি ভয়ে ঘেমে গেছি!! 
তা হলে কি ইরা নামের কেউ নেই? 
আর রুপার সাথে আমার ব্রেক-আপ হয়নি? 
আমি ফোনে ডায়াল লিস্ট দেখলাম। ইরা নামের কারো নাম্বার নেই ' সব নাম্বার রুপার। 
এর মানে এতো সময় সব কিছু আমি স্বপ্নে দেখছিলাম!! 
আমি পাগলের মতন বাইরে গেলাম। গিয়ে দেখি বাইরে
সত্যি বৃষ্টি হচ্ছে আর মেঘ ডাকছে । আমি বাইক নিয়ে রুপার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালাম। 
বৃষ্টিতে আমি ভিজে গেছি। 
Boy In Rain - Valobasa

আমি রুপাকে ফোন করে বারান্দায় আসার কথা বললাম। 
রুপা বারান্দায় এসে ' এতো রাতে আমাকে দেখে অবাক হয়ে গেল। বলল 'পাগল হয়ে গেছো তুমি?? 
আমি বললা ' হ্যা রুপা তোমার প্রেমে আমি পাগল হয়ে গেছি। তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করছিল তাই চলে এসেছি।। 
আমি নিচে থেকে উপরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা রুপার সাথে
ফোনে কথা বলেছি। 
রুপা হাসি দিয়ে বলল "পাগল একটা। এই বলে ভেতরে গিয়ে একটা ছাতা এনে উপর থেকে আমার দিকে ছুড়ে দিল।
- - আমি ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছি।
আশেপাশে কেউ নেই। বৃষ্টি হচ্ছে ঝমঝমিয়ে। রুপা আমার দিকে
তাকিয়ে আছে বারান্দা থেকে আর আমি তাকিয়ে

আছি রুপার দিকে। মন ভরে দেখছি দুজন দুজনাকে।।

বল্টূ আবার বড়লোক

অনেক দিন পর আবার বল্টু। 
দেখা জাক বল্টু এখন কি করছে। 
Boltu Mojar Funny Bengali Story
ছবিটা দেখলেন তো?
না দেখলে পড়ুন আর কি বুঝলেন সেটা বলার দরকার নেই। 

বল্টু হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস নিচ্ছিলো।
বেডের পাশে নার্স, বল্টুর বউ, দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
এবার বল্টু বলতে লাগলো তোমরা সবাই আমার প্রিয় তাই সবাইকে সব ভাগ করে দেব।
বল্টু বড় ছেলেকে বলল কলকাতার ১৭টি বাড়ি তুই নে।
ছোট ছেলেকে বললো তোমাকে আমি খুব পছন্দ করি তাই ভীমপুরের ২০টি বাড়ি তোমার।
এবার বল্টু তার বউকে বললো আমার যাবার পর তোমাকে যেন কারো কাছে হাত পাততে না হয় তাই দমদমের ১৫টি ফ্লাট তোমাকে
দিলাম।
নার্সতো পুরো অবাক এই ছেড়া কাপর পড়া বৃদ্ধ এত বড়লোক!
এবার নার্স বল্টুর বউকে বলতে লাগলো আপনার অনেক বড় ভাগ্য যে আপনার স্বামী আপনাকে কত সম্পত্বি দিয়ে যাচ্ছে।

এবার বল্টুর বউ বলতে লাগল কিসের সম্পত্বি?
\
/
\
/
\
/
ও হলো দুধওয়ালা।
এতক্ষন উনি আমাদের সকালের দুধ দেওয়ার

ডিউটি ভাগ করলেন।

প্রেয়সী

কেমন আছেন?
জানি ভালোই আছেন। 
তবে আপনারা কেউ কমেন্ট করেন না , এটা আমার ভালো লাগেনা।
এখন প্রতিদিন ২০০০০ লোক আমাদের ভালোবাসা.ইন ভিজিট করছেন। তবুও কমেন্ট নেই একটাও এটা মেনে নেওয়া যায় বলেন?
শুরু হচ্ছে...,
গোপেনবাবুর গোপন অ্যাফেয়ার..!!!

গোপেনবাবুর এই অভিসারের ব্যাপারটা বাড়ির লোকেরা আন্দাজ করে, কিন্তু কেউই ঠিকমতো ধরতে পারেনা। 
বাড়ির লোকজন বলতে সদা সন্দিগ্ধা স্ত্রী, কলেজ পড়ুয়া ছেলে আর স্কুলে পড়া মেয়ে।

গোপেনবাবুর বউ তার স্বভাব জানে, তাই তার ওপর কড়া নজর রাখার চেষ্টা করে। 
ছেলেও ঠারেঠোরে তার দিকে চোখ রাখে, তাও তিনি জানেন। রাখবে না? 
হতচ্ছাড়া ছেলেগুলো যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মায়ের চামচা হয়!

কিন্তু প্রতিবারেই এই অভিসারের পর তিনি সবচেয়ে ভয় পান তার মেয়েকে। 
ছোট হলে কি হবে? 
অসাধারণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা তাঁর মেয়ের! 
কতবার যে বাড়ি ফিরে মেয়ের হাতে ধরা পড়তে পড়তে বেঁচে গিয়েছেন, তা বলার নয়!...

তিনি দিব্যি কাজকর্ম সেরে নিপাট ভালোমানুষের মতো ঘরে ঢুকে দেখেছেন, মেয়ে তাঁর দিকে একটা অদ্ভূত দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে! 
সে দৃষ্টি এতই তীক্ষ্ণ, যে অনেক সময়ে গোপেনবাবু তার চোখে চোখ পর্যন্ত রাখতে পারেননা!...

তারপর মনে মনে বহু সাহস টাহস জোগাড় করে, গলা টলা ঝেড়ে যতদূর পারেন স্বাভাবিক গলায় মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন, "কিরে, কিছু বলবি?"

মেয়ে কোনো উত্তর দেয় না, আবার চোখও সরিয়ে নেয় না। 
শুধু একভাবে তাকিয়ে একটা ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস ফেলে। 
এই ব্যাপারটাকেই তিনি বড্ড ভয় পান! হাঁটু দুর্বল হতে থাকে! 
মনে হয় ও সব বুঝে ফেলেছে!

সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে যা হোক তা হোক, অফিস ফেরত প্রেয়সীর ওখান থেকে অল্প ঢুঁ মেরে আসা যায়। 
সমস্যাটা হয় ছুটির দিনে, শনি আর রবিবারে। 
শনিবার'টা তা'ও কোনো রকমে কাটিয়ে দেন, কিন্তু রবিবার আর পারেন না! 
যেকোনো ছুতোয় ওখানে গিয়ে লম্বা সময় উপভোগের জন্যে মন উশখুশ করতে থাকে!

আজও বহু বায়নাক্কা করে, সকাল থেকে গুটির পর গুটি সাজিয়ে রবিবারের বিকেলে গোপেনবাবু এসে পৌঁছলেন বড় রাস্তার মোড়ে গাড়ি রেখে সাড়ে তিন মিনিট হেঁটে বাঁদিকে চার নম্বর গলির সেই গোলাপী রঙের বাড়িটার সামনে...

মনটা খুশিতে ভরে গেল! এই তো জীবন! 
একটা ভর ভরন্ত সংসার, নিশ্চিন্ত রোজগারের পর আর এই একটাই জিনিস তো চান তিনি জীবনে... বয়স যত বাড়ছে, ততো বাড়ছে এই টান!... 
এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে নিয়ে টুক করে ঢুকে পড়লেন তিনি!

প্রচুর লোকজন চারিদিকে। 
তার মধ্যেই একটা টেবিল দখল করে বসে হাঁক পাড়লেন, "কই দেখি, এক প্লেট হিংয়ের কচুরি, দুটো সিঙাড়া, আর চারটে ছানার জিলিপি এদিকে..!!!"

আসলে, গোপেনবাবুর বয়স হয়েছে, তাই প্রেশার, সুগার, ইত্যাদি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া ভীষণ রেস্ট্রিক্টেড, ভালো খাবার বিশেষ কিছুই জোটে না। 
বাড়ির লোকের কঠোর নজর তার খাওয়া দাওয়ার দিকে!

এ জীবনে গোপেনবাবু বেঁচে আছেন এই প্রেয়সীর জন্যেই...

*"প্রেয়সী মিষ্টান্ন ভান্ডার" -*

সকল প্রকার মিষ্টান্ন ও মুখরোচকের বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান ।
  সংগৃহীত

পড়ুন আর একটু ভাবুন

যেটা আজ আমরা করছি।
সেটা কি ঠিক করছি?
পড়ুন প্রথম থেকে শেষ, বুঝতে পারবেন আমি কি বলছি!
১. স্কুল থেকে ফিরতে না ফিরতেই সায়ক চেঁচিয়ে বলে উঠলো,
"মা তাড়াতাড়ি খেতে দাও,খুব ক্ষিদে পেয়েছে।"
"কেন টিফিনে খাসনি আজকে? 
চাউমিন করে দিলাম যে!" 
"মা জানো! রাজা আজকে কিছু খেয়ে আসেনি, ওর মায়ের খুব শরীর খারাপ...তাই আমার টিফিনটা আজকে ওকে দিয়ে দিয়েছি।"
"সারাদিন মুখে রক্ত উঠে, তোমাদের জন্য রান্না করবো আর তুমি দাতা কর্ণ সাজছো! 
এরপর থেকে আর যদি কাউকে কোনদিনও নিজের টিফিন দাও তবে....টিফিন কেন, কোনোকিছুই দেবে না।"
পিঠে ঘা কতক কিল খেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর শিশুটি বুঝতে পারেনা তার অন্যায়টা কোথায়! 

২০ বছর পর -
উচ্চপদস্থ সায়ক লাহিড়ী মাকে গাড়িতে তুলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসার পথে বোঝাতে লাগল নতুন বৃদ্ধাশ্রমটি কত ভালো। 
সেখানে তিনি অনেক সুখে থাকবেন।
গাড়ির পিছনের কাচ দিয়ে, নিজের ভিটেটুকু দেখতে দেখতে বৃদ্ধা বুঝতে পারেননা। 
তার শিক্ষার গলদটা কোথায় ছিল!!! 

২. মাথা নীচু করে বসে থাকা মেয়েটার দিকে তাকিয়ে তার বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলে উঠল, "নিজে পড়ে জয়েন্টে ভালো rank করেছো ঠিকই কিন্তু পড়তে তো হবে প্রাইভেটেই...! 
আবার তোমার ভাইও বলেছে ইঞ্জিনিয়ারিংই পড়বে। 
এত খরচা আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। 
তুমি জেনারেলে গ্রাজুয়েশনটা করো। 
আর অমিয় বাবুর সাথে কথাটা বলাই আছে। 
বিয়েটা হয়ত সেকেন্ড ইয়ারেই হয়ে যাবে তোমার। 
ছেলে হিসাবে তোমার ভাইএর চাকরী পাওয়াটা বেশী দরকার।"

২০ বছর পর -
টেলিফোনে মেয়ের কান্নার আওয়াজ- "বাবা আমায় ক্ষমা কর। আর আমাদের বাড়িতে কোনদিনও এসো না। 
তোমার শেষ কেমোথেরাপির পর তোমার জামাই অমর কে বলেছিলাম, বাবা এরপর থেকে আমাদের সাথেই থাকুক, ভাইও বিদেশে। 
তার উত্তরে আমাকে বললো, 'নিজের তো এক পয়সা রোজগার করার মুরোদ নেই, একটা পাতি গ্রাজুয়েট...এখন নিজের সাথে সাথে নিজে বাবাকেও আমার ঘাড়ে....লজ্জা করল না বলতে'?"

৩. রান্নাঘরে ৫ মাসের অন্তঃস্বত্বা বউমাকে আদা-রশুনটা দিয়ে শাশুড়ি কাটা কাটা স্বরে জানালো, "বউমা আমাদের বাড়ির নিয়মই হলো, শিলে বাটা মশলা ছাড়া রান্না করিনা, আর সকালের খাবার বাড়ির ছেলেদের খাবার আগে খাইনা"। 
ঘড়ির কাঁটা ৯.৩০ ছুঁই ছুঁই। 
সকালে উঠে, অশক্ত শরীরে মশলা বেটে স্বামীর পাতের গরম ভাতের দিকে দু-পেট ক্ষিদে নিয়ে আড়চোখে তাকিয়ে কিশোরী মেয়েটা....।

২০ বছর পর -
পক্ষাঘাতে শয্যাশায়ী বৃদ্ধা মহিলাটি, বার বার ঘড়ির কাঁটার দিকে আর দরজার দিকে তাকাচ্ছেন। 
ঘড়ির কাঁটা ১১টার ঘরে। 
বউমা এখনো খাবারটা দিয়ে গেল নাতো!!

৪. সরকারি উচ্চপদস্থ কর্তা আবেশ সাহা হুইস্কির গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে বউ এর গলার হিরের হারের দিকে তাকিয়ে লঘু হাসিতে বলে উঠলেন, "বুঝলে কিনা, আমি তো নিই স্পিড মানি। 
মানে ক্লায়েন্টের টাকায়, তাদের কাজটা একটু স্পিডে করে দেওয়া...আর বদমাইশগুলো এটাকে বলে ঘুষ..!" 
পাশে বসা দশ বছরের রকি বাবার আনা দামী প্লে-স্টেশনে গেম খেলতে খেলতে বাবার মুখের দিকে আনমনে একবার তাকিয়ে নিল। 

২০ বছর পর -
মদের নেশায় আকন্ঠ চুর রকি সাহা, এক লাথিতে শোবার ঘরের দরজাটা খুলে দিয়ে ভীত সন্ত্রস্ত বৃদ্ধ সাহা দম্পতিকে বলে উঠল,"দশ হাজার টাকা বার করে দাও এখুনি। 
আজ সারারাত মস্তি!" 
"দিনের পর দিন আমাদের উপর এই অন্যায় অত্যাচার...রকি, এটা ঘোর পাপ..ঘোর পাপ"..থরথর কন্ঠে বলে উঠলেন আবেশ সাহা। 
"হাঃ হাঃ! সারাজীবন নিজে ঘুষের টাকা নিয়ে....এখন আমাকে এসেছে নীতিকথার গপ্প মারাতে.....চাবিটা দাও।" 


সমাজের বুকে ঘটে যাওয়া একটুকরো কোলাজ.....!!! 
ভাববেন, শেয়ার করবেন।