আমার ভালোবাসার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমার ভালোবাসার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ছেলেটার কিছু অগোছালো কথা

Cheleta R Meyeta - Valobasa

মেয়েটা পাখি হতে চাইল, আমি বুকের বাঁদিকে আকাশ পেতে দিলাম।
দু-চার দিন ইচ্ছে মতো ওড়াওড়ি করে বলল, তার একটা গাছ চাই।
মাটিতে পা পুঁতে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম।
এ ডাল সে ডাল ঘুরে ঘুরে সে আমাকে শোনালো অরণ্য বিষাদ।
তারপর টানতে টানতে একটা পাহাড়ি ঝর্ণার কাছে নিয়ে এসে বলল, তারও এমন একটা পাহাড় ছিল।
সেও কখনো পাহাড়ের জন্য নদী হোতো।
আমি ঝর্ণার দিকে তাকিয়ে মেয়েটিকে বললাম, নদী আর নারীর বয়ে যাওয়ায় কোনও পাপ থাকে না।
সে কিছু ফুটে থাকা ফুলের দিকে দেখিয়ে জানতে চাইল, কি নাম?
বললাম, গোলাপ।
দুটি তরুণ তরুণীকে দেখিয়ে বলল, কি নাম?
বললাম, প্রেম।
তারপর একটা ছাউনির দিকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলো, কি নাম?
বললাম, ঘর।
এবার সে আমাকে বলল, তুমি সকাল হতে জানো?
আমি বুকের বাঁদিকে তাকে সূর্য দেখালাম।
ভালোবাসাই পাগোল ছেলের অগোছালো কথা বুঝতে না পারলে আমার কিছু করার নেই, সরি।
আমিও কিছু বুঝতে পারলাম না।

আমার প্রথম ব্যর্থ ভালোবাসার গল্প


আমি আজ আমার জীবনের একটি ভালোবাসার কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বেশ অনেকদিন আগের কথা তবুও আপনাদের সাথে শেয়ার না করলে ভাল লাগছে না।
তাহলে এবার শুরু করি...
এটা আমার কলেজ জীবনের প্রথম দিনের ঘটনা,
আমি আগের থেকেই সপ্ন দেখতাম জে কলেজে গিয়ে একটা সুন্দর মেয়ের সাথে প্রেম করবো।
তো সেইরকম মনোভাব নিয়েই আমি আমার কলেজের ভিতর ঢুকছি,
এমন সময় ভিতর থেকে একটা সুন্দর মেয়ে তার বান্ধবিদের সাথে বাইরে বেরচ্ছে,
ব্যাস, সেই মেয়েটার সাথেই আমার প্রেম করতে হবে এইরকম ভেবেই তাকে মনে মনে ভালবাসতে থাকলাম।
দুদিনের ভিতর আমি আমার বান্ধবিদের দিয়ে ওর সম্পর্কে কিছু কিছু তথ্য জোগাড় করলাম।
ওর নাম নেহা।
আমি কথা বলার সুযোগ খুজছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না কোনোভাবেই।
তারপর হটাত মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো...
আমি ওকে ফেসবুকে খুঁজতে লাগলাম এবং পেয়েও গেলাম।
কি আনন্দ যে হচ্ছিল তখন তা তোমাদের বলে বোঝাতে পারবোনা।
যায়হোক, ফেসবুকে আমি ওকে একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিলাম।
পরদিন সকালেই দেখি অ্যাক্সেপ্ট করেছে এবং আমাকে গুড মর্নিং লিখে ম্যাসেজ ও পাঠিয়েছে।
খুব খুসি হয়ে গেলাম...
তারপর থেকে আমাদের মোবাইলে ম্যাসেজের বন্যা বয়ে জেতে লাগলো।
আমি ওর সাথে কলেজে এসেও কথা বললাম,
দু-চার দিনের ভিতর আমাদের দুজনের মধ্যে বেশ একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠল।
কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসার কথা বলতেই পারছিলাম না।
এদিকে বন্ধুরা খোঁচাতে লাগলো,
ওরা আর একটা কথাও বলেছিল যে আমি যদি না বলতে পারি তাহলে অন্যরা ওকে পটিয়ে নিয়ে যাবে।
এই কথাটাই আমার মনে বেশি করে বাজল।
পরের দিন আমি একটা সুন্দর গোলাপ নিয়ে গিয়ে ওকে দিলাম
এবং প্রপোজ করলাম।
ও বলল, আমি তোমাকে কখনো ওভাবে ভাবিনি, আমরা খুব ভাল বন্ধু।
আমি বললাম, কিন্তু আমি তোমাকে খুব ভাল বেসেফেলেছি, তোমাকে না পেলে আমার খুব কষ্ট হবে।
ও বলল, তবুও সেটা আর সম্ভব না, আমি অলরেডি একজনকে ভালোবাসি, তাকে ছাড়া আমিও বাঁচতে পারবনা।
তারপর আমি শুধু ঠিক আছে বলে চলে এসেছিলাম,
আর কোনদিন ওর সাথে কথা বলিনি, কিন্তু আমি এখনো ওকে খুব মিস করি।
এখনো মাঝে মাঝে ওর জন্য বুকের মধ্যে হালকা ব্যাথা করে।
তবুও আমি আর ওকে ডিস্টার্ব করিনি কোনদিন।
আমি ভাল করেই বুঝে গেছি যে মেয়েরা সবার সাথেই খুব ভাল ভাবেই কথা বলে।
তাইবলে আমাদের ভেবে নেওয়া উচিত না যে সে আমাকে ভালোবাসে।
তোমরাও আর এরকম ভুল কোরোনা।
তাহলে আজ আর লিখছিনা।
ওকে ভুলে যাওয়ার যদি কোন পদ্ধতি আপনাদের কারোর জানা থাকে তাহলে প্লিজ অবশ্যই আমাকে জানাবেন...

আমার প্রথম ভালোবাসা


নমস্কার বন্ধু...
আমার নাম পিয়ালি।
বাড়িতে আমার তেমন কোন বন্ধু বা মনের কথা বলার কেউ নেই,
তাই তোমাদের সাথেই আমার মনের কথা শেয়ার করার জন্য আজ এখানে লেখা শুরু করলাম।
যেহেতু এটা ভালোবাসা সম্পর্কীয় ওয়েবসাইট, তাই আমিও ভালোবাসা সম্পর্কীয় কিছু লেখার চেষ্টা করছি।
আমি নবদ্বীপ বালিকা বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রি।
বাড়িতে রোমান্টিক প্রেমের সিনেমা দেখতে দেখতে মনেহত, আমাকে যদি কেউ এভাবে ভালোবাসত, আমার যদি এইরকম একটা বয়ফ্রেন্ড থাকত!
এইরকম কথা হয়ত সবারই মনেহয়। আমারও সেরকমই মনেহত।
আমি ঠিক ভালোভাবে গুছিয়ে লিখতেই পারছিনা, ভুল হলে বা খারাপ হলে কিন্তু হাসবেন না।
আমাদের একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাকে একজন প্রপোজ করল, আমারই ক্লাসমেট সে।
প্রেম করলে ত কোন ক্ষতি নেই, তাই আমিও হ্যাঁ বলে দিয়েছিলাম।
এক মাসের মধ্যেই আমি আর ও খুব কাছে চলে আসলাম। আমি যেখানে প্রায়ভেট পড়তাম, ও সেখানেই চলে আসলো।
তারপর একসাথে স্কুল, প্রায়ভেটে যাওয়া আসা, সুযোগ পেলেই একজন অপরের দিকে তাকিয়ে থাকা ত চলতেই থাকে।
আমাকে ও মাঝে মাঝেই নানারকম গিফট দিত, আমিও ভাল কিছু দেখলেই কিনতাম, কেমন যেন খুব ভাল লাগত ওর জন্য কিছু কিনতে।
সত্যি বলতে আমার বেশ ভালই লাগত ওকে।
একদিন আমরা স্কুল পালিয়ে গেলাম সিনেমা দেখতে, সিনেমা দেখতে সত্যিই খুব ভাল লাগছিল। ও আমাকে বলেছিল, আমাকে ছেড়ে ও কখনও যাবেনা।
কিন্তু এখন আমার থেকে ও অনেক দূরে।
ওর বাবা অন্য এক জায়গাতে বাড়ি তৈরি করে ওদেরকে নিয়ে চলেগেছে। যাওয়ার আগে আমি আর ও খুব কেঁদেছি। কিন্তু আমাদের কিছু করার ছিলনা।
এখনও আমাদের কথা হয় ফোনে। কিন্তু ভালোবাসা বোধহয় অনেকটা হালকা হয়েগেছে। প্রথম প্রথম কদিন আমি ওকে খুব মিস করতাম।
প্রাইভেট, স্কুল সবকিছু ফাকা ফাকা লাগত, নিজেকে বড্ড একা লাগত। কিন্তু আস্তে আস্তে অনেকটা ঠিক হয়েগেছে।
না..., আজ আর লিখছি না, এরপরের দিন আমি একটা খুব সুন্দর ভালোবাসার গল্প লিখব।
যদি কেউ আমার লেখা পড়ে থাক, তালে প্লিজ কমেন্ট করবে। আর তোমাদের ভালোবাসার গল্পও আমাদের সাথে শেয়ার করবে প্লিজ। টা টা...