বন্ধু

বন্ধুত্ত তুই বড্ড এলোমেলো। যেন আষাঢ়ের মেঘ, বৃষ্টি,রুদ্দুর। বন্ধুত্ব শব্দটায় উপলব্ধির বালাই শিষ্টাচার নাই,  আদব কায়দা এখানে পায়না ঠাই।বন্ধু মানে কাঠফাটা রোদে আমবনে আড্ডা,একে অপরের সাথে রংবাজি, কারন ছাড়াই হেসে হামা গুড়ি।। বন্ধু মানে প্রবাহিণীর রুপের বিস্লেসন, ভবিষ্যতের ভাবনা জলাঞ্জলি। বন্ধু মানে রোজই হোলি। বন্ধু মানে জিবনের গতিপথ সচল। পাসেই তো আছি বন্ধু কেন এত আবিচল ? বন্ধু মানে কি খাওয়াবি ভাই ? বন্ধু মানে কিছুই নয় গোপন, ভাবনাগুল সব বলা যায় যাকে সেত আপনের চেয়ে আপন।

বাবা তুমি কি জান ?


 
বাবা তুমি কি জান আমি ধিরে ধিরে তুমি হয়ে যাচ্ছি! এখন আমার শরীরে ও ঘামের গন্ধ হই, বাসের ভিড়ে ঝুলে ঝুলে বাড়ি ফিরি। দুটো সাদা শার্টে অনায়াসে কাটাতে পারি এক বছর ।আমিও এখন বাটা জুতো পরি মজবুত দেখে , চুল কাটি ধানের সাইজে । আমিও এখন গম্ভির তোমার মত, হাসির উপকরন গুল কেমন তুচ্ছ লাগে। বাবা তুমি কি জান আমি ধিরে ধিরে তুমি হয়ে যাচ্ছি! তুমি বিছানায় শুয়েই ঘুমিয়ে পড়তে আর আমি ভাবতাম তুমি পৃথিবীর এক নিশ্চিন্ত এক মানুস। এখন বুঝি ক্লান্তির কাছে  তুমি ছিলে অসহায়!তমার মত আমিও এখন জীবন নয় জিবিকার পিছনে ছুটে চলা মানুস। তুমি আমায় বেচে থাকতে সিখিয়েছ টিকে থাকতে নয়,টিকে থাকার লড়াইয়ে তাই হয়ত ক্লান্ত আমি। যদি আরেকবার বায়না ধরার সুজক পেতাম তবে তমার কাছে বায়না ধরতাম, 💓

্প্রভু জগন্নাত এর রথ


 জগন্নাথ এর রথ ২০৬ টি কাঠ দিয়ে তৈরি ,যা নরদেহের ২০৬ টি হাড়ের অনুরুপ !রথের ১৬ টি চাকা ৫ টি জানেন্দ্রিয় ,৫ টি কর্মেন্দ্রিয়,ও ৬ টি রিপুর প্রতিক! রথের রশি হল মন। বুদ্ধি রথের সারথি! এই দেহ রথের রথি স্বয়ং ঈশ্বর! ঈশ্বর নিজের ইচ্ছায় এই শরীরকে চালিত করেন!মানুসের ইচ্ছায় কিছু হয় না,যা কিছু হয় সব ঈশ্বরের ইচ্ছায়! উল্টোরথের পর জগন্নাথ রথ থেকে একবার নেমে গেলে এই রথে আর ওঠেন না !তখন এই রথ ভেঙ্গে ,কাঠ সব পুড়িয়ে ভোগ রান্নার কাজে লাগান হয়!তেমনি আমাদের শরীর থেকে ঈশ্বর একবার বেরিয়ে গেলে এই শরীরে আর কোন গুরুত্ব থাকে না। মৃত বলে এই দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়!সব কিছুর আধার সেই ঈশ্বরকে পেলে আর কিছু পাওয়ার বাকি থাকেনা !জগতের নাথ প্রভু জগন্নাথ সকলের মঙ্গল করুন!

কখনো কখনো হেরে যাওয়া টাও ভাল


আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে? সে কি জ্যাক? যে কি না সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না! তবে কি রোজ ? যে কি না মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিল ? এবারও না । জ্যাক বা রোজ কেউই না ! ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিল। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়ত তাকে এই হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হত। মাঝে মধ্যে হেরে যাওয়া ভাল।আপনি যদি আপনার  পরীক্ষাই ব্যর্থ হয়ে থাকেন। আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন। আপনি যদি আপনার লক্ষে না পৌঁছাতে পেরে থেকেন। আপনি যদি আপনার ভালবাসা হারিয়ে থাকেন । সবকিছুই কোন না কোন কারনে ঘোটে থাকে।মাঝে মধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভাল। হতে পারে সেরেস্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন।

lyrics

মনের কথা


 আমি যখন ছোট ছিলাম ভাবতাম সব বাচ্ছারা ভগবানের দেওয়া আসিরবাদ।আগের জন্মে মা বাবা কোন পুণ্য করে থাকলে এই জনমে ভগবান একটা বাচ্ছা উপহার দেন ,অনেকটা স্কুল থেকে যে ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট গুল দেয় না , সেটার মত, আমার বারিতেউ আকদম তাই হয়েছে ।ছোট বেলা থেকে প্রমান পেয়েছি যে আমার বোন সেই আশীর্বাদ এর ফল ,আমি ওর থেকে বড়ো তো তাই সবটা আমার সামনেই হয়েছে ।নিজের চোখে দেখেছি বিশ্বাস করুন এখন বড় হয়েউ দেকছি ,কি ভাল চা বানায় আমার বোন শুধু চা কেন দম বিঋয়ানি বলুন চিংড়ি মাছের মালায়কারি বলুন , গান গাইতে বলুন, ছবি আঁকতে বলুন,সেলাই আবৃতি জা মনে আসে বলুন, ও হছে আকদম পারফেক্ট  অল রাউন্ডার  মত। ওই বললাম না ভগবানের দেয়া আশীর্বাদ ,নিশ্চয়ই আমার বাবা মা আগের জন্মে ভালকাজ করেছিলেন বার বার শুধু আগের জন্ম আগের জন্ম বলছি কারন  এই জন্মে আমার বাবা মার আকটা মাত্র কাজ ,আমার বিয়ে দেওয়া হ্যা ওটা একটা মস্ত বড় কাজ।আমার বোন জেগুলতে সিধস্ত আমি সেগুলতেই একদম লবডঙ্কা, তাই আমার বিয়ে হয় না ।

ভালবাসা


 মা ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে যখন বলে তুই নাই বাড়িতে , আমার খেতে ইছে করছে না।তুই খেয়েছিস বাবা? তখন ভাবি এটাই হয়ত ভালবাসা .....! মাস সেসে বিস হাজার টাকা বেতন পেয়ে আট আজার টাকা পাঠানোর পরেউ বাবা যখন বলে আমাদের আর খরচ কি? তর টাকা লাগলে বলিস ।অথচ আমি জানি আমি ছাড়াউ ফ্যামিলিতে আরো পাচজন সদস্য আছে। তখন ভাবি বাবার এই মিথ্যে কথাটাই হয়ত ভালবাসা....! বাড়ি থেকে আসার সময় দাদু যখন বলে আজকে না গেলে হয় না ? তার ছলছল চোখ দেখে মনে হয় এই মায়াকেই হয়ত ভালবাসা বলে বৌদি ফোন করে যখন বলে ,পনেরো দিন হয়ে গালো অথচ তুমি আমার বাড়িতে একবার এলে না ,যাও আজকে থেকে কথা বন্ধ ।তখন মনে হয় এইত ভালবাসা...! বন্ধুর থেকে ধার করা টাকায় ,ছোট  ভাইকে কিনে দেওয়া জামা পরে যখন ও নাচানাচি করে ,নিস্পাপ মুখের ওই হাসিটকু দেখলে মনে হয় এই হচ্ছে ভালবাসা ....!বোনের বাড়িতে একটু দেরি করে গেলেই যখন বলে কেন এসেছিস ? আমার কোন ভাই নেই, আবার পরোক্ষনেই জড়িয়ে ধরে ভ্যা করে কেঁদে দেয় । তখন মনে হয় এই হচ্ছে সুদ্ধতম ভালবাসা ....! !!!!! শুধু প্রেয়সীর ললাটে চুম্বন দেওয়াকে ভালবাসা বলে না !। ভালবাসা ছড়িয়ে আছে জিবনের পরতে পরতে , শুধু খুজে নিতে হয় , বুঝে নিতে হয়...!!!!!!!!!!

যুগান্তরের ডেস্ক ।


 টুইটারে সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আধিপত্তের কারণে ভবিষ্যত প্রজন্মএর শিশুরা অশিক্ষিত হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রিটিশ এক লেখক । বুকার পুরস্কার বিজয়ী লেখক হাওয়ারড জাকবসণ বলেন , স্মারতফন এর ব্যবহার এবং প্রচুর পরিনামে ফেসবুক ,টুইটারসহ বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাবহারের কারনে নাটকীয় তরুন প্রজন্মের যোগাযোগের পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে ।আর এসবের কারনে তারা হারাছে  বই পড়ার আভাসও ।খবর দা  এন্ডিপেন্ডেন্টের। জ্যাকবসন জানান ,শুধু তরুন প্রজন্মেই নয় ,তিনি নিজেও বইয়ের প্রতি আর তেমন মনোযোগ দিতে পারেন না কারন তার মনোযোগের একটা বড় অংশও চলে যায় মবাইল কম্পিওটার এর স্ক্রীন এর পেছনে ।তিনি বলেন ,আমি আগে যে পরিমান বই পড়তে অভ্যস্ত ছিলাম এখন আর পড়তে পারিনা ।আমার মনোযোগ চলে যায় ইলেক্ত্রনিক সব পর্দার দিকে। আমি সাদা কাগজ চাই ,কাগজের ওপর আলো চাই।জ্যাকবসন বলেন,আগামি ২০ বছরের মধ্যে আমরা এমন শিশুদের পাব যারা পড়তে পারবে না। এক পরিসংখ্যানে দেখা গাছে ,পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষার মান অনেক নেমে গাছে.১৯৮২ সালের পর গত বছরেই প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে সাহিত্য পড়ার হার সবচেয়ে কম।গবেসনায় বলা হয়েছে ,গত বছর মাত্র ৪৩ শতাংশ মানুষ বছরে মাত্র একটি বই পাঠ করেছেন। শুধু তাই ন্য,প্রতিদিনই বাড়ছে তরুনদের অনলাইনে কাটান সময়ের হার । পাঁচ থেকে ১৫ বছর বয়সিরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে  ১৫ঘণ্টা  অনলাইনে কাটায়। যুক্তরাষ্ট্রে এক গবেষণায় দেখা গেছে , বর্তমান কিশোর বয়সীদের মধ্যে একাকিত্তের মাত্রা সচেয়ে বেশি এবং ২০০৭ সালে আইফন বাজারে আসার পর থেকে তাদের মানসিক সাস্থের রও অবনতি ঘটেছে।

বাস্তবতা


 পড়াশোনা ফেলে বা পড়াশোনাই ফাঁকি দিয়ে প্রিয় মানুষটি কে সারাক্ষণ সময় দিচ্ছ , ভালো কথা । পরে যখন সে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তমাক ফেলে অন্ন কাউকে বিয়ে করে ফেলবে এই জুক্তিতে যে তার সাথে তোমার ক্লাসটা ঠিক যাই না ,তখন কোথাই গিয়ে দাঁড়াবে , টা কি একবারও ভেবে দেখেছ ? কি পেলে এ জিবনে? না পেলে ভালবাসার মানুষটি কে , না পেলে প্রতিষ্ঠা  ! তখন তো  অন্য কারুর সামনে দূরে থাক , নিজের বিবেকের সামনে দাড়িয়েও কনও সদউত্তর দিতে পারবে না! জানি ,পড়াশোনা করার চাইতে প্রেম করা আনেক সোজা ,তবু মাথাই রেখ  হঠাত করেই দুই থেকে এক হয়ে যাওয়ার তিব্র ধাক্কা টা সামলানো আরও অনেক অনেক কঠিন ,তার চাইতে বরং পড়াশোনা করাই ঢের সোজা ।প্রেম মহান করে অসাধারন মানুষকে ,আমাদের মত সাধারন মানুষ এর ভাল একটা চাকরি বা বাবসা না থাকলে মহত্ত ভয়েই আমাদের ধারে কাছেউ ঘেসে না ! নিজেকে এমন ভাবে গড়ে তল যাতে কেউ  তোমাকে ছেড়ে চলে যাবার সময় বলতে না পারে যে তুমি তার যজ্ঞ নও বলেই সে বেটার অপশনের খোঁজ পেয়ে কাজটা করছে । ছেঁকাও সহ্য করা যায় ,তবে অপমান সহ্য করা খুব  কঠিন ।পুনশ্চ। বর্তমান বাজারে প্রতিষ্ঠা জিনিসটা প্রেমের মত সেরদরে বিক্রি হয় না ।আসেপাসে যত বিবাহিত লকজনকে দেকছ , তাদের প্রাই সকলেই বিয়ের আগে অন্ন কারু প্রেমিক প্রেমিকা ছিল । তারাও তোমার মত করেই একসময় ভাবত ,এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে ডট ডট ডট !

প্রিয়


 তুমি  আমার প্রিয় কোনো  দীর্ঘ  উপন্যাস হও -  তোমাকে পড়তে ,পড়তে আমি , জিবনের শেষ প্রান্ত্বে চলে যাব । তবুও তোমার শেষ পাতা যেন পড়া না হয় - আমি তোমাকে জানার - তিব্র আকাঙ্খা নিয়েই মরতে চাই ।

ইহা এক আশ্চর্য ভারতবর্ষ ,


 আমি ক্লাসে এত করিয়া ছাত্রদের  পড়াইলাম ,যে পৃথিবী  ছায়া চাঁদ  এর ওপোড়ে পোড়ীয়া চন্দ্র গ্রহণ হই  । তাহারা তা পোড়ীল ,লীখীলো, নম্বর পাইল , পাশ করিল ।কিন্তু মজার ব্যাপার হইল ,যখন আবার  সত্য কোরেই চন্দ্রগ্রহণ হইলো তখন চন্দ্র কে রাহু গ্রাস করিয়াছে বলিয়া তাহারা ঢোল , করতাল ,শঙ্খ লইয়া রাস্তাই বাহির হইয়া পড়িল।

the lion and the cows



Once upon a time there lived four cows in the forest .everday they used to graze together in a particular spot .they were all friends .one day a lion saw the cows  grazing together . the lion wanted to eat them so he went to catch them when the cows saw the him . the lion had to run away a few day passed and the cow quarreled between themselves and stareted grazing separately . one by one the lion killed all of them .( moral of the story - unity is strength )


after he had counted his mony the kind man divided it up among the people he loved and and cared for,keeping just enough tocare for himself .you cleariy do not undersantandthe value of money,the man amiled kindly and responded ,you clearly do not underatand tha value of people,