বলটুর বউ প্রেগন্যান্ট

Boltur Bou Pregnant Bengali Funny Story, Bengali Story



১. বল্টূ ও  ডাক্তারের গল্প-- 

বল্টূ  দৌড়ে ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল"

বল্টূ  :--ডাক্তার সাহেব আমার বউয়ের বাচ্চা হবে আপনি চলেন"

ডাক্তার একটা কাঠের বক্স হাতে নিয়ে বলল,আমার বাইকের পেছনে বস"

তো বাসায় পৌছে ডাক্তার বল্টূ  বউ এর রুমে গেল আর বল্টূ  বাইরে অপেক্ষা করতে লাগল"

১০ মিনিট পর ডাক্তার দরজা খুলতেই বল্টূ  জানতে চাইল,তার বউয়ের অবস্থা কেমন"

ডাক্তার:-- তোর এখানে ছেনি আছে"

বল্টু জানতে চাইল যে ছেনি দিয়ে কি হবে"

ডাক্তারের উত্তর যদি তোর বউকে বাচাতে চাস তো ছেনি লাগবে"

বল্টূ  ছেনি এনে দিল"

১৫ মিনিট পর ডাক্তার ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে বের হল"

বল্টূ  জানতে চাইল তার বউয়ের কি অবস্থা"

ডাক্তার:-- তোর বউকে যদি বাচাতে চাস তো একটা হাতুড়ি নিয়ে আয়"

বল্টূ  হাতুড়ি এনে দিল"

২০ মিনিট পর ডাক্তার ক্লান্ত হয়ে বের হল,তো বল্টু জানতে চাইল তার বউয়ের অবস্থা কেমন"

ডাক্তার বলল একটা করাত এনে দিতে পারবি"

বল্টূ  তো রেগে আগুন,ওই তুমি কেমন ডাক্তার,বাচ্চা হইতে কখনো এসব লাগে"

ডাক্তার মৃদু স্বরে বলল এতো উত্তেজিত হসনা বল্টূ  "

আমি যে বাক্সটা নিয়ে আসছি ওটার চাবি খুজে পাচ্ছি না" তাই তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করছি 😀😀


২. সৌরভ : ভাই আজকাল আমার দিন ভালো যাচ্ছে না।

বল্টূ  : কেনো কি হয়েছে।

সৌরভ : ফোন চার্জে দিয়ে একটা মেয়ের সাথে চ্যাট করছিলাম।
কিছুখন পরে বললাম phone গরম হয়ে গেছে। একটু পরে কথা বলি। কিছুখন পরে এসে দেখি।
" you can ' t reply to this conversation.

বল্টু : কি বলিস এইটুকু কথার জন্য তোকে মেয়েটি Block দিল।

সৌরভ : আরে না মেসেজ চেক করতে যেয়ে দেখি phone বানানে p এর জায়গায় D লিখে ফেলছি।।

ফ্লাইওভার

ফ্লাইওভার গল্প - কলকাতা
Flyover
ফ্লাইওভারের মুখে এসে ক্যাবের ড্রাইভার জিজ্ঞাসা করল, 
'স্যর, ব্রিজের উপর দিয়ে যাবেন না নীচ দিয়ে যাবেন?" 
মহা সমস্যায় পড়লাম ! 
সিন্ডিকেটের মশলায় তৈরী ফাটল ধরা, তাপ্পি মারা পুরনো ব্রিজ। ভেঙে পড়তেই পারে। 
ভেঙে পড়লে বেওয়ারিশ লাশ হয়ে লাশকাটা ঘরে পড়ে থাকতে হবে।
প্রশ্নটা হচ্ছে, উপর দিয়ে যাব না নীচ দিয়ে। 
নীচ দিয়ে গেলে বডি তো আর কেউ পাবে না, দুদিন পরে কংক্রীটের গায়ে থ্যাঁতলান টম্যাটোর মতো মাংসের সস্ হয়ে থেকে যাব। 
বাড়ির লোককেও বডি না পেলে সাত বছর অপেক্ষা করতে হবে LIC র টাকা পেতে।
তা হলে?
বলেই ফেললাম, উপর দিয়ে। 
ভুল বলি নি মনে হল। 
প্রচুর গাড়ি দেখলাম ব্রিজে ওঠার লম্বা লাইনে। 
নীচটা পুরো ফাঁকা। 
অনেক দিন পর একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরে মনটা হাল্কা হয়ে গেল।

বউকে ফোন করে বলে দিলাম, ব্রিজে উঠছি। 
আধ ঘন্টা পরেও ফোনে না পেলে টিভির নিউজটা দেখ। 
আর LIC র কাগজ আলমারির উপরের তাকে ডান দিকে বাদামী খামের মধ্যে আছে।

চলে যাই যদি তবু মনে রেখ।
- স্বাগত গাঙ্গুলি

বন্যমামনিদের প্রতি

Bhalobasa.Com

নীলাঞ্জনা - তুমিই আমার প্রথম প্রেম । 
হাজার সবিতা.. বেকার কবিতার পরেও তোমাকে ভুলতে পারলাম কই.. ? প্রথম প্রেম কি ভোলা যায়?
..
দীপান্বিতা - সরি দীপান্বিতা !
সমান্তরাল পথের বাঁকে , তোমার নাকি দিশা থাকে,
সে দিশাতে খুঁজে খুঁজে দিশাহীন হয়ে গেলাম তাও তোমার দিশা পেলাম না ;____; 
..
মানসি - ও মানসি তোমার জন্যে চোখে স্বপ্ন একেছি, 
কালিদাস হয়ে প্রেমের কবিতা লিখেছি .. 
তারপরে জানতে পারলাম তুমি নিরক্ষর, সই করো আঙুলছাপ দিয়ে .. ;____;
.. 
মধু - আই ল্যাবু বলাতে মৌমাছিরা এমন হুল ফোটালে .. আমি আর শোভাবাজারমুখো হচ্ছিনা .. 
..
রঞ্জনা - আমি আর আসবই না, না পাড়ার দাদদের ঠ্যাং খোঁড়া করে দেওয়ার ভয় পাইনা, তোমার ছবি সেদিন বং ক্রাশ পেজে দেখলাম ;_____; 
..
পারমিতা - জানি তোমার কাছে আমার জন্যে "একদিন" ছাড়া সময় নেই, কিন্তু আমার একদিনের জন্য তোমায় চাইনা , সারাজীবনের জন্যে চাই, কিন্তু তুমি একদিন ছাড়া দিতে পারবেনা, এরকম দুশ্চরিত্র মেয়ে দরকার নেই, আমি Loyal টাইপের ছেলে, তাই আমায় ভুলে যেও .. 
..
নন্দিনী - কে তুমি নন্দিনী ? আগে তো দেখিনি.. 
এত সুন্দরী, নিশ্চয়ই বয়ফ্রেন্ড আছে, সেটাও আমি জানি.. ;___;
..
বেলা - বেলা টুইলাইট সিরিজ শেষ হয়েছে অনেকদিন হলো, এবার কি শুনতে পাচ্ছ ? 
আমি সরকারি চাকরিটা অবশেষে পেয়েই গেছি, তোমার মেয়ের বিয়ের বয়স হয়েছে শুনলাম .. ইয়ে..
..
রুবি .. : মনে পরে রুবি রায়? একদিন কবিতায়..তোমাকে কত করে ডেকেছি ..আজ হায়! রুবি রায় ডেকে বল আমাকে তোমাকে কোথায় যেন দেখেছি .. ব্যাপরটা পুরো একতরফা ..ছিল ..আউর একতরফা প্যার কি তাকত তুম ক্যা জানো রমেশ বাবু .. ?? 
কিন্তু সেই তাকত তোমায় আর তোমার হাজব্যান্ডকে আলাদা করতে পারল কই? ;_____;
.. 
লায়লা - লায়লা ও লায়লা , তুই অপরাধী রে,
মনটা তুই মজনুকে দিলি, আমার আর কই হলি রে ..
..
রাই - রাই জাগো রাই জাগো.. 
আর আমার সাথে ভাগো... 
শালা! ঘুমই ভাঙ্গেনা .. 
..
রুপা - ও রুপা খাস মহলের বেগম বানাব .. 
তোমার বাবার টাকায় বসে বসে খাব .. 
একি? কি হলো.. রুপা ব্লক করলে কেন.. 
..
নিরুপমা - ওগো নিরুপমা .. করিও ক্ষমা ..
তোমাকে ভুলিয়াছি সেদিন, ঠুকিলে শ্লীলতাহানির মিথ্যে কেস,
দিলে থানায় জমা .. 
..
বেবো- ভেবেছিলাম তোমার হবো, 
একসাথে ঘুরতে যাবো, 
একসাথে খাবো,
অনেক ভালোবাসা পাবো, 
সবকিছু বুঝে নেবো,
.. 
কিন্তু তুমি বেরোলে শেষে লেবো?

..
পিঙ্কি -পয়সা ফেক, তামাশা দেখ, 
এবার বারে শরীর না দেখিয়ে,
কষ্ট করে ইনকাম করতে শেখ । 
..
মুন্নি - বদনাম হয়েছ? কি করেছিলাম আমি ? বন্ধু ছিলাম আমরা.. নিজের বয়ফ্রেন্ড কে বাঁচাতে সব দোষ আমার কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছিলে, সামনে যদি পাই মুখের মানচিত্র পাল্টে দেব, দূরে থেকো .. 
..
শীলা- এ তোমার কেমন লীলা? জবানি দেখাও অথচ হাতে আসো না .. এখন সয়ে গেছে .. তুমি না হাতে এলেও তোমার জবানির কথা ভেবে অন্য কিছু ঠিক হাতে চলে আসে .. 
.. 
অদিতি - হয় হয় এরকম হয়! বয়ফ্রেন্ড রা ছেড়ে যায়, আর কাঁদিস না .. 
দেখিস নিশ্চয়ই সত্যি কেউ ভালোবাসবে তোকে ..
আউর ইয়ে সোচলে Everything Gonna Be Ok ..
..
মমতা .. - ও মমতা .. ও মেরি .. থুড়ি থুড়ি .. দিদি প্রণাম নেবেন, কাল রাখি পরতে আসব ❤️
..
ঝিন্টি - তুই বৃষ্টি অবশ্যই হতে পারিস, আমি গায়েও মাখব ..কিন্তু পুজোর সময় যেন আশেপাশে না দেখি .. ! 
..
টিঙ্কু - যবতক না মানে টিঙ্কু জিয়া, 
কেন ছাইড়া গ্যালা আমারে কাদাইয়া ? 😢😭
..
সুইটি - ও সুইটি আর কেঁদোনা আমি আসছি ,
ও সুইটি আর পেদোনা আমি যাচ্ছি .. ;___;
..
প্রিয়া- প্রিয়া রে .. প্রিয়া রে..কাঁদে মন , হিয়া রে.. হ্যা! যবে থেকে দেখেছিলাম নামের আগে "Angel" আছে.. 
..
চাঁদনী - ফাগুনী চাঁদনী রাতে চাঁদনীকে নিয়ে পলায়ে যাওয়ার কথা ছিল, তোমার বাপে ধরে ফেলে এমন ক্যালাল, চাঁদ বদনের যা হাল করল, আমি আজকাল কাউকে মুখ দেখাতে পারিনা.. 
..
টুনি - জিও তো এসে গেছে এখনো কি মিসকল মারিস? 

~ অপূর্ব 

ও তোর বাবা নয়

ও তোর বাবা নয় - মজার গল্প।
Bengali Funny Story - Bangla Mojar Golpo
Happy Couple - Valobasa
গদা বিয়ের উদ্যোগ নিয়েছে...!
.
.
গদাঃ বাবা আমার একজনকে পছন্দ হয়েছে।
বাবাঃ ওয়াও! কে এই সৌভাগ্যবতী?

গদাঃ বাবলি , আমাদের পাশের বাড়ির গোপালের মেয়ে।

বাবাঃ উহ! নোহ! আমি তোমাকে কিছু
বলতে চাই কিন্তু প্রমিজ করো তোমার মাকে বলবে না।

গদাঃ ওকে প্রমিজ।

বাবাঃ আসলে বাবলি তোর বোন হয়।
.
.
অনন্যোপায় গদা বাবলি কে ভুলে গেল।
.
.
আবার ২ মাস পর!!!
গদাঃ বাবা, আমি প্রেমে পড়েছি। আর ওই মেয়েটা অনেক সুন্দর।

বাবাঃ ওয়াও! এটা তো অনেক বড় খবর। তা কে সে?

গদাঃ বুল্টি, আমাদের পাশের বাসার গোবিন্দবাবুর মেয়ে।

বাবাঃ ওহ! নো! আবার? বেটা এই বুল্টি ও তোর বোন হয় !
.
.
এমন করে অনেক দিন চলে গেলো। 
গদার তো পাগল হবার দশা, মেজাজ খারাপ করে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে গিয়ে বলল:
মা এইপর্যন্ত ৬টা মেয়েকে সিলেক্ট করেছি কিন্তু বাবা বলছে ওই ছ'জনই নাকি আমার বোন।

গদার মা গদার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল:
আমার গদা বাবা কাঁদে না সোনা। তুই যেকোনো মেয়ের সাথে প্রেম কর।
বাবার কথা শুনবি না ।
ও তোর বাবা নয়!!!🤭😁

রূপকথা

Bengali Story - Bangla Short Story
রাত তখন ১১টা, শুনশান গলি .. । 
অফিস ফেরত মেয়েটি অন্ধকার গলিতে পা বাড়াল, এ গলি পেরিয়ে ডান দিকে দুটো গলি ছাড়িয়ে মিনিট পাঁচেক হাঁটলে তার বাড়ি । চুপচাপ, শুনশান চারদিক .. এইখানেই তো গলির দক্ষিণ কোনায় কতগুলো ছেলে রোজ আড্ডা মারে! তাহলে? .. সে এগোতে লাগল .. পায়ের প্রতিটি পদক্ষেপের শব্দ সারা এলাকা যেন শুনতে পাচ্ছে .. হঠাৎ... 
..
.
নাহ! মশাই ! হঠাৎ কিছুই নয়, আপনি যা ভাবছেন তা একদম নয়! মেয়েটি বাড়ি পৌঁছাল। 
মা বলল " কি রে মা! আজকেও এত দেরী করলি কেন, খাবার যে ঠান্ডা হয়ে গেল, আপিসে কাজের চাপ বেড়েছে?" ..
- আরে কি বলছো? রোজই তো এরকম সময়েই ফিরি, খেতে দাও তো! অত ভাবো কেন? "মেয়েমানুষ" হয়েছি কি করতে? 
..
মেয়েটি খাওয়া সেরে ঘরে টিভি চালিয়ে .. ফ্যানের তলায় সোফায় গা এলিয়ে দিল ..। উফঃ এই সরকারি চাকুরি! কি ঝক্কির বাবা! আজকাল তো মেয়েরা সরকারি চাকরি না করলে বিয়ের জন্যে ছেলেই পাওয়া যাচ্ছে না! ... তাই কোন গতি না দেখে.. মা-বাবার অনুরোধে .. ইয়ে আর কি! 
..
টিভিতে একটা নিউজ চ্যানেল দিয়ে সে মৌরি চিবোতে চিবোতে সেদিকে মনঃসংযোগ করল, কাল ১৫ই আগস্ট ছিল, ভারতের ৭২তম স্বাধীনতা দিবস, তাই বর্তমান প্রগতিশীল ভারতের কিছু ভালো ভালো খবর পরিবেশন করা হচ্ছিল .. মেয়েটি মন দিয়ে দেখতে লাগল ..
- " বর্তমানে ভারতে অর্থনৈতিক উন্নতির বিচারে চিনকেও পিছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর প্রগতিশালী দেশ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে, ঘুষ, দুর্নীতি ,করফাকি, ট্রেনের টিকিট না কাটা বা অরাজনৈতিকতা দেশ থেকে সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত হয়েছে, সমগ্র রাজনৈতিক দলগুলি দেশের স্বার্থে একত্রিত হয়ে একটি মাত্র দল গঠন করেছে, বিগত ২০ বছরে ভারতে একটিও ধর্ষণ ,নারী নির্যাতন, শিশুশ্রম কন্যাভ্রূণ হত্যার নিদর্শন মেলেনি, আজকাল সারা ভারতে ক্রাইমের percentage মাত্র ০.৫%, আজকাল পুলিশের সেরকম প্রয়োজনীয়তা পরছে না, শিল্প, গবেষণা, আর্ট, বিজ্ঞানে ভারত প্রভূত উন্নতি করেছে, সারা ভারতে বেকারের সংখ্যা বিলুপ্ত প্রায়, কেউ আর বেকারত্বের জ্বালায় বিগত ২০বছরে আত্মহত্যা করেনি, কোন খুব প্রতিভাশালী ব্যক্তিও বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে না, দেশের infrastructure এ একরকম নবজাগরণ আসায় ভারত সারাবিশ্ব থেকে সমাদৃত হচ্ছে, কৃষিবিদ্যায় নতুন টেকনোলজির ব্যবহারে বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, কোন চাষি বিগত ২০ বছরে অনাহারে থেকে আত্মহত্যা করেনি, ধর্ম-জাতি-বর্ন সব মিলেমিশে একাকার হয়েছে,সামাজিক ও শিক্ষা, ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সংরক্ষন প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে কারন অনগ্রসর জাতি আর অনগ্রসর নেই, সবাই সমান ।আজ খুব গর্বের দিন , শুভ স্বাধীনতা দিবস, সবাই এগিয়ে আসুন, আমরা ভারতকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাই ।"
- মেয়েটি টিভি বন্ধ করে ভাবতে শুরু করল ... কি অদ্ভুত আমাদের ভারতবর্ষ! অনেক ভাগ্য করে জন্মেছিলাম! কোন পারিবারিক চাপ নেই, প্রেমিকযুগল যে কেউ যে কাউকে বিয়ে করতে পারে, কোন ধর্ম-জাতি-বর্ন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না .. 
কেউ আর কার্টুন আকার জন্যে জেলে পুরে দেয় না, গণতন্ত্রের মুখ চেপে ধরে না, প্রত্যেকটি মানুষের সমান অধিকার, তুমি এটা খাবেনা, এটা বলবে না,এটা পরবে না, এটা করবে না, ওটা করবে না, কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, এখন তো ভারতে ৯৫% মানুষ শিক্ষিত, আর দারিদ্রসীমার নীচে মাত্র ২% মানুষ, প্রত্যেকটি মানুষ, সৎ, দেশপ্রেমী, কর্মঠ, নিষ্ঠাবান... একে অপরের সাহায্যে সর্বদা সক্রিয়। এ তো ভারতবর্ষে নয় যেন স্বর্গভূমি, একদিন সারাবিশ্বে স্বাধীনতার আক্ষরিক মানেই হয়তো ভারতবর্ষকে বোঝানো হবে ।
..
রাতে কখন যে ঘুম এসে গেছিল ... কে জানে! মেয়েটি সকালে উঠে তড়িঘড়ি অফিস ছুটল ... বাস স্ট্যান্ডে এসে চারপাশের পরিপাটি গোছানো চারপাশের পরিবেশটা তাকে প্রতিদিনের মতোই মুগ্ধ করল, চারদিকে গাছপালা ,চকচকে রাস্তা,কোথাও কোন নোংরা-আবর্জনা নেই... রাস্তার কোনায় ডাস্টবিনে মেয়েটি সদ্য শেষ হওয়া চিপসের প্যাকেটটি ফেলে এল ...হঠাৎ কোথা থেকে একটি লোক দৌঁড়তে দৌঁড়তে এসে ডাস্টবিনে ...."পিক!" 
মেয়েটির দিকে লজ্জাতুর মুখে তাকিয়ে বলল "অনেকক্ষন ধরে মুখে জমে ছিল দিদিভাই,সেই কখন থেকে চিবোচ্চি, আর রাখতে পারছিলাম না,"
- মেয়েটি হেসে ফেলল ।
...
উপরের সবকিছু কেমন রূপকথার মতো লাগল তাই না? কিন্তু এই রূপকথাটাই বাস্তব হতে পারত যদি আমরা প্রত্যেকটি ভারতবাসী এরকম হতে পারতাম, সৎ, দায়িত্বশীল, কর্মঠ,দেশপ্রেমী ভারতীয় নাগরিক হতাম. ... আমাদের প্রচেষ্টাতেই এই রূপকথার মতো কথাগুলি বাস্তবায়িত হতে পারত । হ্যা! আমাদের ভারতবর্ষও স্বর্গ হতে পারত... কিন্তু।

বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে?

 বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে? 

Bengali Funny Story | Bengali Funny Jokes
Soham - Valobasa

রবার্ট ছোটবেলা থেকেই রাতে বিছানায় শুতে ভয় পেত। 
তার সবসময় মনে হতো বিছানার তলায় কেউ আছে।
বন্ধুর পরামর্শে একদিন এক সাইকোলজিস্ট এর কাছে গেল।
"ডাক্তারবাবু আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। 
সবসময় মনে হয় আমার বিছানার তলায় কেউ আছে। 
আমি পাগল হয়ে যাব।"
"ঘাবড়াবেন না। 
এক বছরের মধ্যে আপনাকে আমি ঠিক করে দেব", বললেন সাইকোলজিস্ট।
"সপ্তাহে তিনবার আমার চেম্বারে আসবেন ।"
"আপনার চার্জ কত?"
"2000 টাকা প্রতি ভিজিটে"।
" ঠিক আছে ডাক্তারবাবু।
প্রয়োজন হলে আপনার কাছে ফিরে আসব," রবার্ট বললেন।
ছয় মাস পরে রাস্তায় রবার্টের সঙ্গে সাইকোলজিস্টের দেখা।
ডাক্তার: "কি হলো? 
আপনি যে ভয় পেয়েছিলেন সে সম্পর্কে আপনি আমাকে দেখাতে এলেন না কেন?"
রবার্ট: "ওয়েল, 2000 টাকা প্রতি ভিজিট; 
সপ্তাহে তিনবার; এক বছর -- অনেক টাকার ব্যাপার!"
"আমার এক ভারতীয় বাঙালি Bondhu আমাকে এক প্লেট বিরিয়ানি এবং এক বোতল বিয়ারের পরিবর্তে আমার প্রবলেম সলভ করে দিয়েছে।
ও আমার সব খরচ বাঁচিয়ে দিয়েছে। 
আর সেই টাকায় আমি একটা নতুন Swift গাড়িও কিনে নিয়েছি। আমি ভীষণ খুশি।"
ডাক্তার: "তাই! তা আপনার বন্ধু আপনাকে কিভাবে নিরাময় করে তুললো?'
"সে আমাকে বলল - খাট বিক্রি করে দে। 
মেঝের উপর একটা গদি পেতে তার উপর শুয়ে পড়।"

ভগবানকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না

এটা একটা মজার গল্প।
পড়ুন, মজার আছে...
দুই ভাই ছিল, একজনের বয়স ৬ বছর আর অন্যজনের বয়স ১০ বছর....।।
তাদের দুজনের দুষ্টুমি ও অত্যাচারে পাড়া প্রতিবেশীরা অতিষ্ঠ।
তাদের মা বাবা সবসময় চিন্তায় থাকতো, এই বুঝি ছেলেরা কিছু একটা ঘটিয়ে এলো....।।
একদিন গ্রামে এক মহান সাধুবাবা এলো, যার আশীর্ব্বাদে নাকি সকলের মঙ্গল হয়...।।
এক প্রতিবেশী এসে তাদের মা কে বললঃ তোমার ছেলে দুটোকে সাধুবাবার কাছে নিয়ে যাও....হয়তো ওদের মতি গতি ঠিক হতে পারে.....।।
প্রতিবেশীর কথামতো মা প্রথমে ছোট ছেলেকে সাধুবাবার কাছে
নিয়ে গেল....।।
সাধু ছেলেটিকে সামনে বসিয়ে মা কে বাইরে অপেক্ষা করতে বলল......

এরপর সাধুবাবা বাচ্ছাটিকে বললঃ বল ব্যাটা....
তুই ভগবান কে জানিস...??
বল ভগবান কোথায়....??
বাচ্ছাটি কিছু বলল না, শুধু সাধুর দিকে তাকিয়ে রইলো......
সাধু আবার জিজ্ঞাসা করলো,
ছেলেটি এবারও কিছু বলল না.....
সাধুবাবা এবার রেগে গিয়ে বললঃ আমি কি বলছি শুনতে পচ্ছিস না....??
বল....ভগবান কোথায়.....??
ছেলেটি কিছু না বলে ভয়ে ভয়ে সাধুবাবার দিকে তাকিয়ে রইলো....
হঠাৎ যেন ছেলেটির চেতনা এলো,
সে উঠে দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে ছুট লাগালো......
সাধু তাকে বারবার ডাকলো,
কিন্তু সে একছুটে ঘরে গিয়ে
খাটের তলায় লুকিয়ে পড়লো.....।।
ছেলেটির দাদা ঘরেই ছিল, সে এটা দেখে বললঃ কি হয়েছে......??
তুই লুকোচ্ছিস কেন রে.....??
ভাইঃ দাদা.....পারলে তুইও তাড়াতাড়ি কোথাও লুকিয়ে পড়....
দাদাও খাটের নীচে ঢুকতে ঢুকতে বললঃ কিন্তু...হয়েছেটা কি....??
তুই এতো ভয় পাচ্ছিস কেন....??
ভাইঃ এবার আমরা খুব বড়ো ঝামেলায় ফেসে গেছি....।।
শুনলাম.... ভগবান কে নাকি কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা......





আর সবাই ভাবছে...এতে নাকি

আমাদেরই হাত আছে.....।।

আমি ভাঙিনি স্যার

বাচ্চাদের জন্য আজ একটা মজার ছোটো গল্প।
এটা জদিও গল্প বাট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলির অবস্থা এর থেকে ভালো কিছু নয়।

 স্কুল পরিদর্শক ক্লাস ফাইভের ছাত্র জিতুকে প্রশ্ন করলোঃ-
বলোতো হরধনু কে ভেঙে ছিল?
.
জিতুঃ- আমি ভাঙিনি স্যার । ঐ যে ওই আবির ভেঙেছে।
.
আবিরঃ- না স্যার, আমি ভাঙিনি । ওই জিতু মিছা কথা কইতাছে।
.
পরিদর্শক ক্লাস থেকে বেরিয়ে ক্লাস টিচারকে জিজ্ঞেস করলোঃ- কি পড়াচ্ছেন এখানে ? ছাত্ররা সামান্য একটা প্রশ্নের এই রকম উত্তর দিচ্ছে ?
.
ক্লাস টিচার :-- স্যার, জিতু আর আবির কিন্তু সত্যিই খুব ভালো ছেলে। ওরা এই সব ভাঙচুর করে না। আর পটলা টা এক নম্বরের দুষ্ট।
ওই পটলা ই ভাঙ্গতে পারে।
.
স্কুল পরিদর্শক মাথায় হাত দিয়ে আর কথা না বাড়িয়ে হেড মাষ্টার মশাই এর রুমে গিয়ে 
সব বিস্তারিত জানালোঃ-  এখানে কি সত্যিই কিছু পড়াশোনা হয়? ছাত্ররা না হয় জানেনা, কিন্তু তাই বলে শিক্ষকের ও এই দশা ?
.
হেড মাষ্টারঃ- দেখুন স্যার, ওই ক্লাস টিচার অনেক দিন ধরে পড়াচ্ছেন, প্রতিটি ছাত্রকে তিনি ভালো মতই চেনেন। তিনি যখন বলছেন পটলা 
ভেঙেছে তাহলে পটলাই ই ভেঙেছে।
.
স্কুল পরিদর্শক আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেলেন,
এবং স্কুল শিক্ষাবোর্ডে চিঠি লিখলেন।
যে স্কুলে কেউই "হরধনু কে ভেঙেছে" তাও জানে না, সেই স্কুল রাখার কোনো দরকার নেই।
.
.
কিছু দিন পরে শিক্ষাবোর্ড থেকে উত্তর এল:

*বাচ্চা-কাচ্চা রা ভাঙ্গাভাঙ্গি করতেই পারে। তার জন্য স্কুল উঠিয়ে দেবার দরকার নেই। এটা বিরোধীদের চক্রান্ত। আমরা ওসব বুঝি। ওদের কথায় কান দেবেন না। উন্নয়নের স্বার্থে আমরা অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছি, আর একটা হরধনু কেনা হোক...!!!*

বেঁচে থাকাটাই আসল চ্যালেঞ্জ

বেঁচে থাকাটাই আসল "চ্যালেঞ্জ
Upset Girl - Valobasa

এই তো .. হোলির আগের দিন, পাশের পাড়া, ক্লাস এইটের ছেলে, স্কুল থেকে হোলি খেলে ফেরায় মা বকাবকি করল, গায়ে হাত তুলল, ব্যস!ওইটুকু ছেলে আত্মহত্যা করল, কাল খবরে পেলাম হাওড়ায় মা ফেসবুক করতে বারন করায় আত্মঘাতী মাধ্যমিকের ছাত্রী।
বিগত ১ মাসে নাকি দিনহাটায় ৭-৮টি আত্মহত্যা হয়েছে, 
সব ছেলে-মেয়ের বয়েস নাকি ১৪-১৭ ... ! 
প্রতিনিয়ত পেপার ঘাটলে হয়তো প্রতিদিনই এরকম কিছু চোখে পড়ে।
ভাবছেন ব্লু-হোয়েল ? 
না তার থেকেও ভয়ানক গেম "প্রেম-গেম"
জীবনের প্রথম বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণা হয়তো নিতে পারছে না সদ্য বেড়ে ওঠা Teenager গুলি ..। 
জীবন কি এতই সস্তা? 
কিন্তু এর থেকে কিছু ব্যাপার উঠে আসছে অবশ্যই যেটা নতুন Generation এর ছেলেমেয়েদের অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, শেখাও উচিত । 
১. প্রথমত আগে তোরা নিজেকে ভালোবাসতে শেখ, নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে অন্যকে কিভাবে ভালোবাসবি? 
২. "তোমায় ছাড়া বাঁচবো না" এই চিন্তাধারা মাথা থেকে বের করতে হবে, হ্যাঁ! 
কাছের কেউ ছেড়ে গেলে কষ্ট হয়, তার সাথে কাটানো স্মৃতিগুলো বুকে জাকিয়ে বসে, কিন্তু আত্মহত্যা এর সমাধান নয়।
আত্মহত্যা কখনোই কোন কিছুর সমাধান হতে পারেনা, আর জীবনের থেকে মূল্যবান এই নশ্বর পৃথিবীতে কিচ্ছু নেই.. কিচ্ছু না.. । 
সময় সবকিছু বদলে দেয়, ঘা শুকিয়ে দেয়, নিজেকে একটু সময় দে, অপেক্ষা কর, দেখবি জীবনকে আবার ভালোবাসতে শুরু করেছিস। এটা মনে রাখিস, যারা সত্যিকারের ভালোবাসে, তারা কখনো ছেড়ে যায়না, তাহলে ভেবে দেখ যে ছেড়ে গেল, ভালোইবাসলো না তার জন্যে জীবনটাই দিয়ে দিবি? 
যারা সত্যিকারের ভালোবাসে ( যেমন মা-বাবা-ভাই-বোন) তাদের জন্যে বাঁচতে পারবি না? 
৩. প্রেম-ভালোবাসা আজকাল খোলামকুচির মতো, ঠুনকো, দুদিনের প্রেমিক/প্রেমিকার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আত্মহত্যা করলি ..আর যারা তোকে জন্ম দিল, যত্নে-আদরে-স্নেহে-ভালোবাসায় এত বড় করে তুলল, সেই মা-বাবার ভালোবাসার কি দাম দিলি? 
তাদের ভালোবাসা কিন্তু ঠুনকো নয়, বুকের রক্ত জল করে , কষ্ট করে, তোর অভাব-অনটন মিটিয়ে তোকে বড় করে তুলেছিল, তাদের কথা কি একবারও মাথায় এলো না? 
তোদের শুধুমাত্র তোদের প্রেমিক-প্রেমিকারা ভালোবাসেনা, তোদের কাছের মানুষ, মা-বাবা-ভাই-বোন..তারাও ভালোবাসে, তাদের কথাও একটু ভাবিস । 
৪. বয়সটা খুব ভয়ংকর, ১৩-১৯ .. সামান্য কিছু হলেই আমরা অন্ধকার দেখি, ভেঙে পড়ি, এই বয়সে অভিজ্ঞতা ও জীবনবোধের অভাব ঘটে প্রচন্ড, সহজেই ব্রেন ওয়াশ করা সম্ভব, ব্লু-হোয়েলে আত্মঘাতী ৯৫% শতাংশ ছেলে-মেয়ের বয়েস ১০-১৯। 
তাই এই বয়সের আমার সকল ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি, তোর সাথে কোন কিছু খারাপ ঘটলে মা-বাবা, দাদা, দিদি, ভাই, বোন..বা খুব ভালো বন্ধু তার সাথে শেয়ার কর, নিজে কোন বড় পদক্ষেপ নিস না...। একটা উপায়, একটা সাজেশন, একটা মতামত জীবন বদলানোর ক্ষমতা রাখে । 
জীবন একটাই, জীবনের থেকে মূল্যবান কিছু নেই, সেটা সবসময় মাথায় রাখিস । 
৫. গুরুজনদের বলছি, এই বয়েসটা খুব সেন্সিটিভ, বাড়ির লোকের একটু নজরদারি , একটু শাসনে রাখা উচিত ছেলে-মেয়েদের, যা বর্তমান প্রজন্মে ক্রমশ হ্রাসমান, এই বয়েসটি শেখার বয়েস, অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের বয়েস, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শিক্ষা দরকার, ছেলে-মেয়ের সাথে ফ্রেন্ডলি মিশুন, আর তাদের শিক্ষাও দিন, একটু শাসনে রাখুন, নইলে ভবিষ্যৎ খুব মারাত্মক হতে চলছে (উদাহরণ ব্লু-হোয়েল) ।
.
.
শুধু এটুকুই বলার আত্মহত্যা কখনোই কোন সমাধান হতে পারে না, জীবনে খারাপ সময় চলছে? 
খুব খারাপ সময়? 
সেই খারাপ সময়কে "সময়" দে, ঠিক কেটে যাবে .. এভাবে মা-বাবার চোখের জলের কারন হয়ে দাঁড়াস না, তারা এসব দেখার জন্যে তাদের বুকের রক্ত জল করে তোদের বড় করে তোলে না.. একটু অপেক্ষা কর, আবার নতুন সকাল আসবে ..😊
কখনো শুনেছিস যে ২৪-২৫ বছরের যুবক যুবতী ব্লু-হোয়েলে আত্মঘাতী হয়েছে? ৯৫% আত্মঘাতীর বয়েস ১১-১৯ .. তাই একটু অপেক্ষা, একটু ধৈর্য, এক সময় দে নিজেকে, এখানে মৃত্যু নয়, বেঁচে থাকাটাই আসল "চ্যালেঞ্জ" । 
ভালো থাকিস তোরা! 😊
~ অপূর্ব ©

একটা বৃষ্টি ভেজা রাত

আজ একটা বড় গল্প আপনাদের জন্য।
অবশ্যই ভালোবাসার গল্প, কস্টের গল্প, ভালোবেসে কষ্ট পাওয়ার গল্প।
তো শুরু করি।
Bhalobasar Golpo - Valobasa
প্রায় রাতে রুপা আমাকে ফোন করে ওয়েটিংয়ে পেত।
আমি কথা ঘুরিয়ে বলতাম ' বাবু আমার ফ্রেন্ড কল করেছিল। রুপা আমার কথা বিশ্বাস করে বলত আচ্ছা
ঠিক আছে।
আমি শান্তিতে নিশ্বাস ফেলে রুপার সাথে ৫মিনিট কথা বলার পর' বলতাম আমার শরীর খারাপ লাগছে - ঘুমিয়ে যাই? 
রুপা আমার কথা শুনে বলত আচ্ছা ঘুমিয়ে পড় তুমি। 
আমি এই ভাবে দিন দিন রুপাকে এভয়েড করতে লাগলাম। 
আমার এখন আর ওকে ভাল লাগে না। 
আমি এই সম্পর্কে বিরক্ত হয়ে গেছি। 
প্রতিদিন ফোনে কথা বলা ' দেখা করা আমার আর ভালো লাগে না। রুপা এইসব হয়তো বুঝতে পেরেছে তাই আর দেখা করার কথা বলে না।
আমি প্রায় রাতে ওয়েটিংয়ে থাকতাম আর রুপা আমায় বার বার কল করত!! 
সে দিন রাতে ৩টার সময় ফোনে কথা বলছি' তখন হঠাৎ ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি ৫৩টা ফোন কল এসেছে ওয়েটিংয়ে।
আমি ফোন ব্যাক করে শুনতে পারলাম রুপা কান্না করছে!! 
কান্না করে করে আমায় বলল ' আজকে ও কি ফ্রেন্ড কল করেছিল?? আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে থাকলাম কিছু বললাম না।

- - দু দিন পর এক বিকালে রুপার সাথে দেখা হল সেই পার্কে। 
যেখানে আমি রুপাকে প্রথম ভালবাসার কথা বলেছিলাম। 
আজ রুপা নীল শাড়ি পরে এসেছে। 
আমায় দেখে রুপা অনেক খুশি। 
আমি ওর মুখ দেখে বুঝতে পারলাম - রুপা খুশিতে ফোন ওয়েটিং এর কথা সব ভুলে গেছে! 
রুপা আমার পাশে বসে আছে। 
রুপা: তুমি খেয়ে এসেছ? 
আমি : হুম। 
রুপা : বাড়ির সবাই ভাল আছে? 
আমি রুপার দিকে তাকিয়ে বললাম ' হুম ভাল আছে। আমি এখানে রুপার সাথে প্রেম করতে আসিনি!! আমি এসেছি এই সম্পর্ককে এখানেই শেষ করতে। আমার ভালো লাগছে না আর এইসব। 
রুপা ব্যাগ থেকে টিফিন বক্স বার করে বলল ' তোমার জন্য নিজে বানিয়ে এনেছি। তোমার প্রিয় খাবার পাটিশাপটা পিঠে ।। 
আমি রুপার দিকে তাকিয়ে বললাম ' আমি কিছু বলতে চাই তোমায়। রুপা তখন টিফিন বক্স খুলে হাতে চামচ নিয়ে বলল - খেয়ে বলো। আমি রুপার মুখে ভালবাসা আর মিষ্টি হাসি দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমি আমার মন কঠিন করে বলে দিলাম সব' ব্রেক-আপ এর কথা। আমার
কথা শুনে ওর হাত থেকে চামচ মাটিতে পড়ে গেল - তাকিয়ে থাকল অসহায় হয়ে।। 
তারপর বলল '
২বছরের সম্পর্ক আমাদের আর তুমি বলছ এখন ব্রেকাপ !! 
কোথায় হারিয়ে গেল তোমার সেই সব প্রমিস? 
আমার হাতে হাত রেখে করা ওয়াদা।
আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি কিছু বলছি না। 
রুপা আবার বলল ' মনে আছে বলেছিলে আমার হাত ধরে 'এই জায়গায় দাঁড়িয়ে- রুপা আমি কোন দিন তোমাকে ছেড়ে যাব না! 
রুপা আমি ভালবাসি তোমায়!! কোথায় গেল সেই সব কথা! কোথায়
হারিয়ে গেল দিপ?? 
আমি রুপার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলাম। তারপর বললাম ' আমি ভালবাসতাম তোমায় কিন্তু এখন আর বাসি না।
আমায় ক্ষমা করে দাও। মনে কর এইসব শুধু টাইমপাস ছিল আর কিছু না। দয়া করে আমায় ভুলে যাও।
বাবা মা যেখানে বিয়ে দিবে সেখানে বিয়ে কর ' দেখবা অনেক সুখে থাকবা।
Bhalobashar Golpo - Valobasa
- - রুপা আমার কথা শুনে চুপ করে দাঁড়িয়ে 'মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। 
ওর চোখ থেকে টপটপ করে জল মাটিতে পড়ছে । 
আমি রুপার কান্না দেখে বললাম ' কান্না করে কি হবে? 
ভালবাসা তো আর জোর করে হয়না। 
আর তা ছাড়া আমার চাকরি নেই - বিয়ে করে তোমায় খাওয়াব কি? রুপা কান্না মাখা চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল 'জল খেয়ে থাকতে পারব কিন্তু আমায় ভুলে যেও না। 
আমি বললাম' জল  খেয়ে কি জীবন চলে? 
এই সব সিনেমায় হয়' বাস্তবতা অনেক কঠিন!! 
সে দিন রুপা আমার চোখে চোখ রাখতে পারছিল না। 
শুধু কান্না করছিল। আমি ওর কান্না সেদিন দেখতে পাইনি। 
আমি অমানুষ হয়ে গেছিলাম। 
আমাদের ব্রেক-আপ হয়ে গেল। 
আমি রুপার নাম্বার 'ফোন থেকে মুছে দিলাম। 
রুপা মাঝেমধ্যে আমায় কল করত কিন্তু আমি রিসিভ করতাম না। আমার এইসব বিরক্ত লাগতো। 
বিরক্ত লাগার কারণ তখন আমার আরো একটা বড় লোকের মেয়ের সাথে প্রেম হয়ে গেছে। 
মেয়েটা আমায় বিয়ে করতে চায়।
ওর নাম হল ইরা। 
ইরার সাথে প্রথম দেখা হয় আমার একটা শপিং মলে। 
তখনও রুপার সাথে আমার সম্পর্ক ছিল কিন্তু আমি সেই সময় রুপার কথা চিন্তা করিনি। 
ইরা যেদিন প্রথম আমায় বিয়ের কথা বলল ' তখন আমি কোন কিছু চিন্তা না করেই হ্যা বলে দিলাম। 
আমার মনে হয়নি রুপার কথা।
মনে হয়নি একটা বিশ্বাস আমার পথ চেয়ে আছে। 
আর সেই বিশ্বাস এর নাম রুপা।
- - প্রায় প্রতি রাতে রুপা আমায় কল করত আর কান্নাকাটি করতো। আমি বিরক্ত হতাম। 
চুপ করে কান্না করা শুনতাম তারপর বলতাম ' তোমার কান্না করা শেষ' এখন ফোন রাখি? আমি ঘুমাব।
এই বলে ফোন কেটে দিতাম কিন্তু রুপা আমায় আবার ফোন করত তখন আমি বিরক্ত হয়ে ফোন অফ করে দিতাম।। 
সে দিন রাতে ঘুমিয়ে আছি তখন রুপা ফোন করছে। 
আমি ওর কল দেখে বিরক্ত হয়ে বার বার ফোন কাটছি কিন্তু মেয়েটা ভীষণ ছেছড়া!!
কল করছে তো করছেই। শেষমেশ রাগ করে কল রিসিভ করে বললাম' সমস্যা কি তোমার?? 
রুপা আমার কথা শুনে চুপ করে রইল তারপর বলল Happy Birthday To You. 
আমি রুপার কথা শুনে থ হয়ে গেলাম। 
আজকে আমার জন্মদিন?? 
আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। ইরা আমায় একবারও ফোন করে কিছু বলল না অথচ রুপা ঠিক সেটা মনে রেখেছিল। 
আমি সে দিন রাতে রুপার সাথে একটু ভাল করে কথা বললাম। 
আমি রুপার কন্ঠ শুনে বুঝতে পারলাম ওর শরীর ভাল না। 
রুপা ফোন রাখার আগে বলল ' চিন্তা কর না আমি আর ফোন করব না। 
ভালো থেকো নিজের খেয়াল রেখো । 
এই বলে ফোন রেখে দিল রুপা।।
- - ইরা অবশ্য পরের দিন আমার জন্ম দিনের উইস করল আর বলল' বাবু আমি ঘুমিয়ে গেছিলাম রাতে। প্লিজ রাগ করো না। আমি আর ইরার উপর রাগ করে থাকতে পারলাম না। ইরাকে পেয়ে আমি
রুপার কথা ভুলে গেলাম। এখন আর রুপা আমায় কল
করে না। আমি এখন ইরা নিয়ে বেস্ত। ইরা প্রতিদিন
আমার সাথে দেখা করতো কফি শপে। এই ভাবে দিন
চলতে থাকে। আমাদের ভালবাসা বাড়তে থাকে। রাতে
খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে আছি তখন একটা নাম্বার থেকে ফোন আসে। আমি ফোন রিসিভ করে জানাতে পারলাম" এই নাম্বার রুপার ফ্রেন্ড আকাশের।
আকাশ আমায় বলল ' দাদা আপনি কেন এমনটা করলেন রুপার সাথে? রুপা না খেয়ে থাকে -কারো সাথে কথা বলে না। বাড়িতে একা বসে কান্না করে।
দাদা ওর অবস্থা খুব খারাপ। 
এই ভাবে চলতে থাকলে রুপা বাঁচবে না!! 
আমি আকাশের কথা শুনে রাগে ফুলে গিয়ে বললাম ' তোর যখন এতো চিন্তা রুপাকে নিয়ে তা হলে তুই ওর সাথে প্রেম করিস না কেন সালা??
Ekti Bristi Veja Rat - Valobasa
- - আকাশের সাথে কথা বলার সময় - ইরা ৩/৪ বার ফোন ওয়েটিংয়ে পেয়েছে আমার। 
আমি কল ব্যাক করে দেখি মেয়েটা মন খারাপ করে বসে আছে।
আমায় বলল ' তুমি কার সাথে প্রেম করছিলে দিপ?
আমি বললাম কেউ না ইরা ভাই ফোন করেছিল।
কিন্তু ইরা আমার কথা শুনল না। 
মন মরা হয়ে কথা বলল। 
আমি বুঝতে পারলাম ' মেয়েটা আমায় অনেক ভালবাসে। আমি পরের দিন ইরা সাথে দেখা করলাম।
ইরা আমার সামনে মন খারাপ করে বসে আছে। 
আমি চকলেট দিয়ে বললাম ' আমি সত্যি কাল রাতে কোন মেয়ের সাথে কথা বলিনি  ইরা। 
অনেক বোঝানোর পর ইরা আমার দিকে তাকিয়ে বলল ' আচ্ছা বিশ্বাস
করলাম তোমায়। 
আমি ইরার কথা শুনে শান্তিতে নিশ্বাস ফেললাম। 
ইরা আমার হাতে হাত রেখে বলল' আমি তোমায় ছাড়া বাঁচবোনা দিপ। আমি শুধু তোমাকে ভালবাসি - বিশ্বাস করি। 
আমার বিশ্বাস নষ্ট করে দিও না।। আমি ইরার কথা শুনে চুপ করে
থাকলাম। 
চিন্তা করতে থাকলাম মেয়েটা আমায় কত ভালবাসে। তারপর বললাম 'না ইরা আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না ।'
- - আমি কথা বলা শেষ করার সাথে সাথে একটা ছেলে এসে আমাদের পাশে দাঁড়াল। 
ইরা ছেলেটাকে দেখে চমকে গেল। 
ছেলেটা বলল ' তুমি এখানে কি করছ ইরা?? তুমি না বললে ' তোমার শরীর খারাপ বের হতে পারবা না! 
আমি এইসব শুনে হা।
জানাতে পারলাম এই ছেলেটা ইরার BF.. ইরা ছেলেটিকে বলল' জান আমি কাজিন এর সাথে দেখা করতে এসেছি। আমি ইরার কথা শুনে হা করে বসে আছি!!!
- - রাতে দাঁড়িয়ে আছি ছাদের। 
আজ রুপার কথা অনেক মনে হচ্ছে। 
আমি খারাপ একটা মেয়ের জন্য রুপার মতন ভাল মেয়েকে ছেড়ে দিলাম! 
আমি কেন বুঝতে পারলাম না - যে মেয়ে প্রথম দেখাতে Love
You বলতে পারে " সে মেয়ে কেমন হতে পারে!!
আমি সে দিন রুপার কান্না দেখিনি। আমি মানুষ না।
নিজের অজান্তে আমার চোখ থেকে জল পড়ল মাটিতে। 
রাতে অনেক গুলো ঘুমের ঔষদ খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। 
আর কিছু বলতে পারি না। 
চোখ খুলে দেখি হাসপাতালে আমি। পাশে মা আর বন্ধুরা। 
মা কান্না করছে। বাবা বাইরে ডাক্তারের সাথে কথা বলছে।
আমি হাসপাতাল থেকে ২দিন পর ছাড়া পেলাম।
বাড়ি এসে শুয়ে আছি বিছানায়। 
রুপার কথা অনেক মনে হচ্ছে। আমি মাকে বললাম ' মা আমার ফোনটা দিয়ে যাও। 
মা ফোন দিয়ে চলে গেল। আমি ফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক
ওপেন করলাম। 
দেখি অনেক গুলো মেসেজ জমে আছে।
তারপর যা দেখলাম তা দেখে আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। 
দেখি রুপার বন্ধুদের স্ট্যাটাস - - - রুপা এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে
গেছে!! রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে রুপা ২দিন আগে!!! আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিল। আমি ফোন রেখে ছুটে গেলাম রুপার কাছে।।

- - আমি বসে আছি রুপার কবরের সামনে। চোখ থেকে জল টপটপ করে পরছে মাটিতে। আমি তাকিয়ে আছি মাটির নিচে ঘুমন্ত রুপার দিকে।
আমার মনে হল সে দিন এর কথা। 
সেই দিন রুপা আমায় বলেছিল' দিপ আমি জল খেয়ে থাকতে পারব
তোমার সংসারে কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। 
আমি রুপার কথা চিন্তা করে করে কান্না করছি। 
আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। 
আকাশের দিকে তাকিয়ে বললাম' হে ঈশ্বর - আমার ভুল হয়ে
গেছে। আমি আর ভুল করবনা। আমার কাছে রুপাকে
ফিরিয়ে দাও।। 
আকাশে মেঘ জমে আছে। 
আমি কান্না করছি তখন মেঘে বিশাল জোরে গর্জন করে উঠল। 
আমি চমকে গিয়ে উঠে বসলাম বিছানায়।
দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ২টা!! 
আমি কি এইসব স্বপ্নে দেখেছি এতো সময়?? 
আমি ভয়ে ঘেমে গেছি!! 
তা হলে কি ইরা নামের কেউ নেই? 
আর রুপার সাথে আমার ব্রেক-আপ হয়নি? 
আমি ফোনে ডায়াল লিস্ট দেখলাম। ইরা নামের কারো নাম্বার নেই ' সব নাম্বার রুপার। 
এর মানে এতো সময় সব কিছু আমি স্বপ্নে দেখছিলাম!! 
আমি পাগলের মতন বাইরে গেলাম। গিয়ে দেখি বাইরে
সত্যি বৃষ্টি হচ্ছে আর মেঘ ডাকছে । আমি বাইক নিয়ে রুপার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালাম। 
বৃষ্টিতে আমি ভিজে গেছি। 
Boy In Rain - Valobasa

আমি রুপাকে ফোন করে বারান্দায় আসার কথা বললাম। 
রুপা বারান্দায় এসে ' এতো রাতে আমাকে দেখে অবাক হয়ে গেল। বলল 'পাগল হয়ে গেছো তুমি?? 
আমি বললা ' হ্যা রুপা তোমার প্রেমে আমি পাগল হয়ে গেছি। তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করছিল তাই চলে এসেছি।। 
আমি নিচে থেকে উপরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা রুপার সাথে
ফোনে কথা বলেছি। 
রুপা হাসি দিয়ে বলল "পাগল একটা। এই বলে ভেতরে গিয়ে একটা ছাতা এনে উপর থেকে আমার দিকে ছুড়ে দিল।
- - আমি ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছি।
আশেপাশে কেউ নেই। বৃষ্টি হচ্ছে ঝমঝমিয়ে। রুপা আমার দিকে
তাকিয়ে আছে বারান্দা থেকে আর আমি তাকিয়ে

আছি রুপার দিকে। মন ভরে দেখছি দুজন দুজনাকে।।