ভলোবাসার মানুষটিকে অবহেলা কোরো না


পোস্টের টাইটেল দেখে আশা করি লেখাটা কেমন হবে হালকা বুঝতে পারছেন।
তবে সাথে থাকছে আর একটি মজার ছোট গল্প।
শুরু করছি, আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
যে মানুষটা তোমাকে প্রচন্ড পরিমাণে ভালোবাসে,
সেই মানুষটাকে ইচ্ছা করে কখনো অবহেলা করো না।
হ্যাঁ, তুমি অবহেলা করলে সে কষ্ট পাবে ঠিকই কিন্তু কষ্ট পেয়েও সে তোমাকে ক্ষমা করে দেবে।
তোমার কাছেই ফিরে আসবে।
তুমিই তার দুর্বলতা - এটা জেনে ইচ্ছা করে তাকে কষ্ট দিও না।
"যত যা-ই করি, ও তো দিনশেষে আমার কাছেই ফিরে আসবে" - এটা চিন্তা করে তার আবেগ নিয়ে নিষ্ঠুরের মত খেলার অধিকার তোমার নেই।
কারো দুর্বলতা জেনে নিয়ে তাকে আঘাত করে মজা পাওয়ার অধিকার তোমার নেই।
কারণ যতটুকু সময় তুমি মানুষটাকে স্বেচ্ছায় অবহেলা করছো বা দূরে থাকছো আর কষ্ট দিচ্ছো, ঠিক ততটুকু সময়ই সে শিখছে এবং জানছে কিভাবে তোমাকে ছাড়াই বেঁচে থাকা যায়।
একদিন সে শিখে ফেলবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচার উপায়, একদিন সে জেনে যাবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচাটা অসম্ভব না।
সেদিন সে আর ফেরত আসবে না। তোমার দেয়া টুকরো টুকরো কষ্ট একসাথে তুমি ফেরত পেয়ে যাবে সেদিন।
বুঝতে পারবে, কি ভয়ঙ্কর ভুলই না ভেবেছিলে তুমি। সেদিন অনেক দেরি হয়ে যাবে...অনেক দেরি...!!
তো ভালোবাসার মানুষটিকে অবহেলা করে দূরে সরিয়ে রাখবেন না
বা
একটু কষ্ট দিতে তার থেকে দূরে যাওয়ার নাটকও করবেন না।
সব সময় তার পাশে থাকুন, সাথে থাকুন, ভালোবাসুন তাহলে সুখে থাকতে পারবেন সারা জীবন।
এবার আসছি মজার একটি গল্পে...
একদা এক বিবাহিত রমনী হাটতে হাটতে ফাঁদে আটকানো এক ব্যাঙ কে দেখে উদ্ধার করল।
ব্যাঙ খুশী হয়ে রমনীকে তিনটা ইচ্ছা প্রকাশ করতে বলল, যা সে পূরন করবে কিন্তু শর্ত হলো রমনীর পুরনকৃত ইচ্ছার চেয়ে ৫ গুন তার স্বামীকে প্রদান করবে।
রমনী খুশী হয়ে তার প্রথম ইচ্ছার কথা প্রকাশ করল, "আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতে চাই।"
ব্যাঙ বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন সুন্দর হবে।"
রমনী বলল,"সে আমার স্বামী, আমি তাকে সুন্দর দেখতেই চাই।"
ব্যাঙ রমনীর স্বামীর প্রতি প্রেম দেখে খুশী হল এবং তার প্রথম ইচ্ছা পূরন করলো।
রমনী এবার তার দ্বিতীয় ইচ্ছা প্রকাশ করল, "আমি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা হতে চাই।"
ব্যাঙ বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন ধনী হবে।"
রমনী বলল, "সে আমার স্বামী, তার সম্পদ তো আমারই সম্পদ, আবার আমার সম্পদও তো তার।"
ব্যাঙ খুশী হয়ে তার দ্বিতীয় ইচ্ছা পূরন করলো।
রমনী এবার ভেবে-চিন্তে তার তৃতীয় ইচ্ছার কথা প্রকাশ করল, "আমি চাই আমার মাঝারী ধরনের একটা হার্ট এটাক হোক।"
ব্যাঙ অবাক হয়ে গেল এবং বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামীর কিন্তু ৫ গুন বেশি হবে এবং সে মারা যাবে।"
রমনী বলল, "তা নিয়ে চিন্তা নাই, আরেকটা পেয়ে যাবো!"

2 comments:

  1. ভালো। ভালোবাসার দঃখের কবিতা পাঠাবেন আপনি।

    ReplyDelete