মজার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মজার গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মজার ও শিক্ষনীয় গল্প

সনৎ বাবু প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।। 

বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের দূরত্ব সাত কিলোমিটার।।

একদম নির্জন রাস্তার উপর দিয়ে যেতে হয়,, তার স্কুলে।।

বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার রাস্তায়,, কোনোরকম যানবাহন ছিলো না।। সনৎ বাবু সজ্জন মানুষ,, প্রায় প্রতিদিন ওনাকে কেউ না কেউ,, বাইক অথবা সাইকেলে লিফট দিয়ে দিতেন।। ভাগ্য খারাপ হলে,, সেদিন দুই-পায়ের উপর ভরসা ছাড়া কোনো উপায় ছিলো না।।

"এত নির্জন জায়গায় কেনো যে সরকার স্কুল খোলে ??" রোজ সকালে স্কুলে বের হওয়ার আগে,, সনৎ বাবু এটাই মনে করেন।।

একটু একটু করে পরিশ্রমের টাকা জমিয়ে ,, সনৎ বাবু একটা স্কুটার কেনেন।। 

হিরো হোন্ডা কম্পানির পেপ্ট স্কুর্টি।।

স্কুর্টি কেনার পরেই তিনি শপথ নিলেন,, প্রতিদিন কাউকে না কাউকে লিফট দেবেন।। কাউকে মানা করবেন না।। কারণ,, তিনি জানতেন,, যখন কেউ লিফট দিতে মানা করে,, তখন ভীষণ লজ্জায় পড়ে যেতে হয়।।

সনৎ বাবু যখনই স্কুলে যেতেন,, কাউকে না কাউকে পিছনে বসিয়ে নিতেন।। ফেরার সময় ও যে কোনো মানুষকে লিফট দিতেন।।

একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে,, একজন অচেনা ব্যাক্তি হাত দেখান।। সনৎ বাবু স্কুর্টি থামিয়ে,, তাকে পিছনে বসিয়ে নেন।।

কিছুদুর যাওয়ার পর,, অজ্ঞাত পরিচয় মানুষটি সনৎ বাবুর পিঠে ছুরি ঠেকিয়ে বলে -- "কাছে যতো টাকা আছে,, আর এই স্কুটার আমাকে দিয়ে দাও।। নাহলে তোমাকে মেরে ফেলবো।।"

সনৎ বাবু ভীষণ ভয় পেয়ে গেলেন।। টাকা পয়সা তেমন কিছু ছিলো না।। কিন্তু,, কষ্টার্জিত উপার্জন জমা করে,, অনেক আশা নিয়ে এই স্কুর্টি কিনেছেন।। 

যাইহোক,, নিরুপায় সনৎ বাবু,, অজ্ঞাত পরিচয় মানুষটিকে স্কুর্টি দিয়ে বললেন - "স্কুর্টি নিয়ে যান,, কিন্তু,, আমার একটা অনুরো রইলো।।" 

চোর বলে - "বলুন।।"

সনৎ বাবু বললেন - "তুমি কোনদিন কাউকে বলবেনা,, এই স্কুর্টি কোথা থেকে,, এবং,, কিভাবে তুমি পেয়েছো।। আমিও থানায় রিপোর্ট করবো না।।" 

চোর আশ্চর্য হয়ে বললো - "কিন্তু কেনো ?? " 

সনৎ বাবু বললেন - "দেখো,, এই রাস্তা নির্জন।। এমনিতেই সবাই ভয়ে ভয়ে চলাফেরা করে।। তারপর,, সবাই যদি জানতে পারে,, এই রাস্তায় স্কুর্টি ছিনতাই হয়েছে,, তাহলে কেউ আর কাউকে লিফট দেবে না।। "

চোরের মায়া হলো।। ভাবলো সনৎ বাবু সৎ এবং সজ্জন মানুষ।। কিন্তু,, পেট তো আর শুনবে না।। স্কুর্টি ষ্ট্রাট করে চোর চম্পট দিলো।।

পরেরদিন সকালে,, সনৎ বাবু দরজা খুলে দেখেন,, দরজার সামনে তার স্কুর্টি রয়েছে।। 

সনৎ বাবু খুশী হয়ে গেলেন।। কিছুটা আশ্চর্য হয়ে স্কুর্টির কাছে গিয়ে দেখেন--- .

স্কুর্টির হ্যান্ডেলে একটা কাগজ রয়েছে।। 

কাগজে লেখা------

"মাষ্টারমশাই,, এটা ভাববেন না যে,, আপনার জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে,, আমার মন বিগলিত হয়ে পড়েছে।।"

" আপনার স্কুর্টি নিয়ে প্রথমে চোরাই মাল খরিদকারীর কাছে গেলাম।। উনি দেখেই বললেন - "আরে,, এটা তো মাষ্টার মশাইয়ের স্কুর্টি??" 

" বললাম,, হ্যাঁ,, ঠিক বলেছেন,, মাষ্টার মশাই আমাকে বিশেষ কাজে বাজারে পাঠিয়েছেন,, বলে ,, ততক্ষণাৎ সেখান থেকে চম্পট দিলাম।।"

" সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি,, মিষ্টির দোকানে কিছু খেতে গেলাম।। দোকানদার বললো -- "আরে মাষ্টার মশাইয়ের স্কুর্টি নিয়ে কোথায় ঘুরছো??" 

-- "বললাম,, হ্যাঁ,, মাষ্টার মশাইয়ের বাড়িতে অতিথি এসেছে,, তাই মিষ্টি কিনতে এলাম।।" 

-- "রাস্তায় যার সঙ্গে দেখা,, সেই বলছে,, মাষ্টার মশাইয়ের স্কুর্টি......" 

"ভাবলাম এলাকার বাইরে কোথাও গিয়ে বিক্রি করতে হবে।। এলাকার বর্ডারে পুলিশ চেকিং চলছিলো।। 

পুলিশ বললো - "আরে,, মাষ্টার মশাইয়ের স্কুর্টি নিয়ে কোথায় চলেছো ??"

- "পুলিশ আমার দিকে তেড়ে আসছে দেখে,, কোনো রকমে স্কুর্টি নিয়ে চলে এলাম।। পুলিশের হাতে ধরা পড়লে,, আমার বারোটা বাজিয়ে দিতো।।" 

-" মহাশয়,, এটা আপনার স্কুর্টি নাকি,, মুকেশ আম্বানির রোলস্-রয়েস্ সেটাই বুঝতে পারলাম না।। গোটা এলাকার মানুষ চেনে,, এটা মাষ্টার মশাইয়ের স্কুর্টি।।" 

-- "আপনার জিনিস,, আপনার কাছেই রেখে গেলাম।। এটা চুরি করে,, কতো মারাত্মক ভুল করে ফেলেছি,, আপনাকে বোঝাতে পারবো না।।" 

-- "এই ভুলের খেসারত বাবদ,, আপনার স্কুর্টিতে ফুলট্যাঙ্ক তেল ভরে দিলাম।।" 

চিঠিটা পড়ে সনৎ বাবু হেসে উঠলেন।। বললেন - "ভালো কাজ করলে,, অবশ্যই ভালো প্রতিদান পাওয়া যাবে।।

মা মেয়ের মজার গল্প

 রোজ রাতেই আমি টের পাই আমার  বড় মেয়ে রাতে পুনুর পুনুর করে ফোনে কথা বলে।আমি ওর রুমে গেলেই একেবারে চুপ হয়ে ঘুমের ভান ধরে ব্যাঙ্গের মতন পরে থাকে। আমি ওর মা আমিও এমন করে ওর বাপের সাথে প্রেম করতাম।তখন ফোন ছিলনা,রাতে চিঠি আদান প্রদান করতাম। বাবাকে দেখলে আমিও ব্যাং মরার মতন পরে থাকতাম।

ভাবলাম আমার কিছু একটা করতে হবে।আমার বাবা কলেজ যাওয়া অফ করে দিয়েছিল তাই আমি পালিয়ে এসেছিলাম।কিন্তু আমি ডিজিটাল মা,আমার এসব করা চলবেনা।

টেকনিক করে, মেয়ে যখন ওয়াশ রুমে গেল আর ওর ফোনখানা নিয়ে দেখি রিসিভ কল ভর্তি হয়ে আছে একটি নম্বর।আর তা জান নামে সেভ করা।সুন্দরভাবে ওই নম্বর টুকে নিলাম।

ব্যাস!রান্না ঘরে গিয়ে ওই নম্বরে মেসেজ করলাম ,জান আমি রিংকি এটা আমার নিউ নম্বর।আগের নম্বরে ভুলেও কল দেবেনা।ওটা মায়ের কাছে।ওই নম্বর ব্লক লিস্ট এ দেও।এখন থেকে মেসেজিং করবো। মা টের পেয়েছে সব।তাই কিছুদিন কথা বলা যাবেনা।

ওপাশ থেকে টুং করে ফিরতি মেসেজ,আচ্ছা জান।কি করছো সোনা?

মনে মনে ভাবি,তরে একবার হাতের নাগালে পাই সোনা পুড়ে তামা বানাব।

আমি মেসেজ দিলাম,কিছুনা জান।মন খারাপ।

এভাবেই আমাদের মেসেজিং চলতেই রইল,চলতেই রইল,৫দিনের মাথায় আমি ভোর রাতেও বারান্দায় গিয়ে মেসেজিং করি।আমার বর মহাশয় ইদানীং আমার দিকে কেমন সন্দেহর দৃষ্টিতে তাকায়।তাতে কিছুই আসে যায়না। আমার মেয়ের লাইফ আগে।আমি অনেকদিন মেসেজিং করলে আমার মেয়ে ওদিক থেকে ওই ছেলেকে ভুলে যাবে।

ইদানীং আমার মেয়েকেও মন মরা দেখি।নম্বর ব্লক লিস্ট এ দিয়েছে কিনা।

যাক, অবশেষে আমি ভাবলাম আমি সেই ছেলের সাথে দেখা করি।ওকে গিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসবো।তাহলেই সাকসেস।

সাজুগুজু করছি,মন বেশ ফুরফুরা লাগছে আজ সেই বেয়াদপ কে চরম ধোলাই দিব।

আমার বর মশাই পেপার পড়া বাদ দিয়ে আমায় আড়চোখে দেখছে আর জিজ্ঞেস করছে কি!কোথায় যাও?

ওকে বললে ও ব্যাপার টা নিয়ে হাইপার হবে।তাই বললাম বাজারে কিছু কেনার আছে

-এই বিকেলবেলা?

তো?মধু নেই ঘরে।তুমি তো জানো সকালে খালি পেটে আমি মধু খাই।ডায়েটে আছি তো।

বাড়ি  থেকে বেরিয়ে পার্ক এ গিয়ে দাড়িয়ে আছি।

অল্প বয়সী কাউকেই দেখছিনা।কিন্তু আমার বরের চেয়েও বয়স্ক লোক আমার পাশে ঘুরঘুর করছে।

ফোনটা হাতে নিয়ে আবার মেসেজ করলাম  কই তুমি?

ওপাশ থেকে মেসেজ না দিয়েই কল দিল।আমি রিসিভ করে চুপ করে আছি।কি অদ্ভুত আমার পাশে দাড়ানো লোকটির কানেও ফোন আর আমার দিকে শকুনের মতন তাকিয়ে আছে।আমি কেটে দিয়ে আবার কল দিলাম,আমি আরো শিহরিত হলাম,ফোন বাজছে ওই লোকের হাতের টা ই।

রেগে গিয়ে বললাম,আপনি ই সেই মানুষ! ছিঃ মেয়ের বয়সী একজন এর সাথে প্রেম করতে লজ্জা লাগেনা।আবার তাকে জান সোনা বলে ডাকেন!

লোকটি তীব্র দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বলে,বেসরম মহিলা,তিন কাল গিয়ে এক কালে ঠেকছে আর এখন বাচ্চার বয়সী ছেলেকে বিরক্ত করেন!

ঝগড়ার এক পর্যায় জানতে পারলাম,আমার মেয়ে এই লোকের ছেলের সাথে প্রেম করে।তিনি তার ছেলের ফোন নিয়ে নিয়েছিলেন ।আর আমি এতদিন তার ছেলে ভেবে তার সাথেই প্রেমালাপ করেছিলাম।

দুজন ই এক পর্যায় হাসতে হাসতে মরার উপক্রম হয়েছে।দুই ব্যর্থ গোয়েন্দাই এক পর্যায় কফি শপ এ বসলাম।নিজের কর্মকান্ডর জন্য স্যরিও বললাম।তিনিও বললেন।ভাবলাম বেয়াই হিসেবে ছেলের বাবা মন্দ না।হেসে হেসে বললাম ছেলের ফোনটা বাসায় গিয়ে ছেলেকে দিয়ে দেবেন,আমার মেয়ে খুব ই মন মরা হয়ে আছে।

সে উঠে বললো,হুম আগে মেসেজিং গুলি মুছে নেই।এমন প্রেমালাপ দেখলে মামলা খেয়ে যাব হা হা হা।

আমি হেসে কুটিকুটি হয়ে কফির মগে চুমুর দিব তখন ই দেখছি আমার দিকে রাক্ষসের মতন তাকিয়ে আছে রিঙ্কির বাবা।

এ কি তুমি এখানে?

-বাহ!! না আসলে তো এমন রঙ্গ দেখতেই পেতাম না

এই কি বলো?ভুল ভাবছো তুমি আমায়।

-ভুল!ছিঃ এত নিচ তুমি?এখন তো আমি তেতো হয়ে গেছি?আর এই বেটা মধু?তাই তো ভ্রমর মধু খেতে এসেছে।খাও মধু।

এই বলে রিঙ্কির  বাবা চলে গেল।

আমি পিছন পিছন ছুটছি।বেয়াই মশাই উঠে বললো,ঘাবড়াবেন না আমি আছি অলয়েজ পাশে।

রেগে বললাম,চুপ কর টাকলা ব্যাটা।মেয়ের প্রেম ভাঙাতে গিয়ে আমার সংসার ই ভাঙার উপক্রম হয়েছে।

ও রিঙ্কির বাবা দাঁড়াও..তুমি ভুল ভাবছো,দুনিয়ার সব মধুই ভেজাল,তুমি ই আসল। 

সংগৃহীত 

ডিজিটাল যুগ - Fake Account

ডিজিটাল যুগ - Fake Account


ঘর ঝাঁট দিতে এসে কাজের মেয়ে নিচু গলায় বললো, দিদি আমার রিকোয়েস্টটা এক্সেপ্ট করেন।

আমি হতভম্ব গলায় বললাম, কিসের রিকোয়েস্ট?

-ফেসবুক। রিকোয়েস্ট পাঠাইছি।

: ও আচ্ছা! নাম কি?

-ড্যাডিস প্রিন্সেস শাপলা!

আমি নিজেকে সামলালাম।‌ এত অবাক হ‌চ্ছি কেন? কিছুদিন আগেই তো আরেক কাজের মাসি আমাকে ইমোতে ইনভাইট করেছিল। আমার ইমো নাই কিন্তু তার আছে। এত অবাক হলে চলবে না‌ এই যুগে।

আমি হাসিমুখে আইডি খুঁজে বের করে রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট করে রাখলাম। প্রোফাইল পিকে একটা মেয়ের রংচংয়া সেলফি। আমি প্রশ্ন করলাম, কার ছবি গো?

-আমার দিদি! ইউক্যাম পারফেক্ট দিয়ে ইডিট করেছি।

: বাহ্! খুব সুন্দর।

ইদানিং আমার বেশ সুবিধাই হচ্ছে। কাজে আসতে না পারলে শাপলা মেসেজে একটা দুঃখী স্টিকার পাঠালেই আমি বুঝে যাই। স্টিকারে একটা মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে, sorry!

আবার রান্নাঘরে কিছু খুঁজে না পেলেও শাপলাকে মেসেজ দিলে সাথে সাথেই রিপ্লাই পাওয়া যায়।

এছাড়াও প্রায়‌ই ফেসবুকের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সে আমার কাছে আসে।

একদিন ফোন নিয়ে এসে বললো, দিদি ! মেসেঞ্জার নাকি কালো করা যায়,একটু করে দেন। আর ফলোয়ার অপশন একটু অন করে দিবেন।

দিলাম।

একদিন এসে বলল,দিদি ! এবাউটে লিখে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি।

দিলাম।

আরেকদিন বললো,দিদি ইংরেজিতে একটা স্টাটাস লিখে দেন। আমি বাংলা বলছি,

"ফিলিং বোর! গরমের ছুটি চলছে,এখন পড়াশোনা নাই, কোনো কাজকর্ম‌ও নাই। সময় কাটে না!"

দিদি হাঁ করে তাকিয়ে আছেন কেন? এইটা লেখেন ইংরেজিতে।

আমি লিখে দিলাম।

আরেকদিন আমার কাছে এসে বললো,দিদি ! রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে দেন।

আমি অবাক হয়ে বললাম,প্রেম করছো নাকি?

সে লাজুক গলায় বললো, হ্যাঁ দিদি ! রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে দেন। ছেলের নাম স্বপন সাগর!

আমি রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে দিলাম। ছেলের প্রোফাইল দেখে বড় ধরনের ধাক্কা খেলাম। ছেলে ঢাকা মেডিকেলে পড়ে।

আমি শাপলার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললাম, কোথায় পেয়েছো এই ছেলেকে?

সে হাসিমুখে বললো, ফেসবুকে !

:ও আচ্ছা!!!

পৃথিবীটা দিন দিন মনুষ্যবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাচ্ছে এই জাতীয় চিন্তা করতে করতে ব‌ইয়ের পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছিলাম। বড় দি এসে ব‌ইয়ের পাতার মধ্যে একটা ছেলের ছবি রেখে দিলেন। সেদিকে না তাকিয়ে আমি চমকে উঠে দিদিকে জড়িয়ে ধরলাম। বহুদিন পর দিদি শ্বশুরবাড়ি থেকে এসেছে।

দিদি নির্লিপ্ত গলায় বললেন, ছেলেটাকে দেখ। পছন্দ হলে হলো, না হলেও না হলো। এরসাথে তোর বিয়ে‌।

আমি হাসিমুখে তাকালাম। যার সাথেই আমার বিয়ে হোক আমার কোনো আপত্তি নাই, পছন্দের কেউ নাই আগেই বলেছি।

দিদির মুখ গম্ভীর। এর কারণ আছে। মাসখানেক আগে দিদির বড় জায়ের সাথে খুব ঝগড়া হয়েছে। দিদি তাকে চ্যালেঞ্জ করেছে, যে তার বোনের আগে দিদি আমার বিয়ে দেবে। দুজনের বয়স‌ অনেকটা এক‌ই।

দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর ছেলের ছবি দেখে আঁতকে উঠলাম। ছেলেটা কে সেটাতো বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই মেডিকেলে পড়া ছেলে। কিন্তু এর নাম স্বপন সাগর না, অয়ন চৌধুরী।

আমি কাঁদতে কাঁদতে গিয়ে বললাম,দিদি ! এই ছেলেকে ক‌োথায় পেয়েছো? এরতো চরিত্র খারাপ। আমাদের কাজের মেয়ে শাপলার সাথে ফষ্টিনষ্টি চলে।

দিদি প্রচন্ড ‌অবাক হয়ে সবটা শুনলেন।‌তারপর রেগে আগুন হয়ে গেলেন। তারপর হতাশায় ডুবে গেলেন।

এতগুলো অনুভূতির মিশ্রণ ঘটার প্রধান কারণ সেই ছেলে আজ সন্ধ্যায় পরিবার নিয়ে আমাদের বাড়ি আসছে।

দিদি রেগেমেগে বললেন, ঝাঁটা রেডি রাখ। ঐ চরিত্রহীন ছেলের পরিবারের দম্ভ যদি আমি ধূলায় না মিশিয়ে দিয়েছি আমার নাম........

সন্ধ্যার সময় ছেলে তার পরিবার নিয়ে আমাদের বাড়িতে এলো। তাদের জন্য কোনোপ্রকার খাবার আয়োজন রাখা হয়নি। বরং আমাদের মুখ গম্ভীর। আচ্ছা করে অপমান করা হবে আজ এদের।

কাজের মেয়ে শাপলাও ছেলে দেখে চমকে তাকিয়েছে, তারপর দৌড় দিয়ে পালাতে গিয়েছিল দিদি ওর হাত ধরে আটকে ফেলেছে।

ছেলের মা আমার দিদির দিকে তাকিয়ে বললেন, কেমন আছো মা?

দিদি তার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ছেলের দিকে তাকিয়ে শাপলাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বললেন,একে চেনো?

শাপলা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

ছেলে অবাক হয়ে বললো,না তো!

-নাটক করো? তোমার নাটক আমি বের করছি। আমার বোনের জীবন‌ নষ্ট করতে আসা?

দিদি ল্যাপটপে ফেসবুক ওপেন করে শাপলার সাথে তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেখালো।

ছেলেটা খানিকক্ষণ অবাক হয়ে সেদিকে তাকিয়ে থেকে ফোন দিয়ে তাদের ড্রাইভারকে ডাক দিলো।

ড্রাইভার ওপরে এসে শাপলাকে দেখে বড় ধরনের ধাক্কা খেলো। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে র‌ইলো।

ছেলেটা এতক্ষনে ড্রাইভারের দিকে তাকিয়ে কঠিন গলায় বললো, তুই বলেছিলি দাদা নতুন ফোন কিনেছি আপনার একটা ছবি রেখে দিই।

এইজন্য নিয়েছিলি আমার ছবি? আমার ছবি আর বায়ো ব্যবহার করে ফেসবুকে আইডি খুলে প্রেম করার জন্য????
😂😂😀😀

বলটুর বউ প্রেগন্যান্ট

Boltur Bou Pregnant Bengali Funny Story, Bengali Story



১. বল্টূ ও  ডাক্তারের গল্প-- 

বল্টূ  দৌড়ে ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল"

বল্টূ  :--ডাক্তার সাহেব আমার বউয়ের বাচ্চা হবে আপনি চলেন"

ডাক্তার একটা কাঠের বক্স হাতে নিয়ে বলল,আমার বাইকের পেছনে বস"

তো বাসায় পৌছে ডাক্তার বল্টূ  বউ এর রুমে গেল আর বল্টূ  বাইরে অপেক্ষা করতে লাগল"

১০ মিনিট পর ডাক্তার দরজা খুলতেই বল্টূ  জানতে চাইল,তার বউয়ের অবস্থা কেমন"

ডাক্তার:-- তোর এখানে ছেনি আছে"

বল্টু জানতে চাইল যে ছেনি দিয়ে কি হবে"

ডাক্তারের উত্তর যদি তোর বউকে বাচাতে চাস তো ছেনি লাগবে"

বল্টূ  ছেনি এনে দিল"

১৫ মিনিট পর ডাক্তার ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে বের হল"

বল্টূ  জানতে চাইল তার বউয়ের কি অবস্থা"

ডাক্তার:-- তোর বউকে যদি বাচাতে চাস তো একটা হাতুড়ি নিয়ে আয়"

বল্টূ  হাতুড়ি এনে দিল"

২০ মিনিট পর ডাক্তার ক্লান্ত হয়ে বের হল,তো বল্টু জানতে চাইল তার বউয়ের অবস্থা কেমন"

ডাক্তার বলল একটা করাত এনে দিতে পারবি"

বল্টূ  তো রেগে আগুন,ওই তুমি কেমন ডাক্তার,বাচ্চা হইতে কখনো এসব লাগে"

ডাক্তার মৃদু স্বরে বলল এতো উত্তেজিত হসনা বল্টূ  "

আমি যে বাক্সটা নিয়ে আসছি ওটার চাবি খুজে পাচ্ছি না" তাই তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করছি 😀😀


২. সৌরভ : ভাই আজকাল আমার দিন ভালো যাচ্ছে না।

বল্টূ  : কেনো কি হয়েছে।

সৌরভ : ফোন চার্জে দিয়ে একটা মেয়ের সাথে চ্যাট করছিলাম।
কিছুখন পরে বললাম phone গরম হয়ে গেছে। একটু পরে কথা বলি। কিছুখন পরে এসে দেখি।
" you can ' t reply to this conversation.

বল্টু : কি বলিস এইটুকু কথার জন্য তোকে মেয়েটি Block দিল।

সৌরভ : আরে না মেসেজ চেক করতে যেয়ে দেখি phone বানানে p এর জায়গায় D লিখে ফেলছি।।

ফ্লাইওভার

ফ্লাইওভার গল্প - কলকাতা
Flyover
ফ্লাইওভারের মুখে এসে ক্যাবের ড্রাইভার জিজ্ঞাসা করল, 
'স্যর, ব্রিজের উপর দিয়ে যাবেন না নীচ দিয়ে যাবেন?" 
মহা সমস্যায় পড়লাম ! 
সিন্ডিকেটের মশলায় তৈরী ফাটল ধরা, তাপ্পি মারা পুরনো ব্রিজ। ভেঙে পড়তেই পারে। 
ভেঙে পড়লে বেওয়ারিশ লাশ হয়ে লাশকাটা ঘরে পড়ে থাকতে হবে।
প্রশ্নটা হচ্ছে, উপর দিয়ে যাব না নীচ দিয়ে। 
নীচ দিয়ে গেলে বডি তো আর কেউ পাবে না, দুদিন পরে কংক্রীটের গায়ে থ্যাঁতলান টম্যাটোর মতো মাংসের সস্ হয়ে থেকে যাব। 
বাড়ির লোককেও বডি না পেলে সাত বছর অপেক্ষা করতে হবে LIC র টাকা পেতে।
তা হলে?
বলেই ফেললাম, উপর দিয়ে। 
ভুল বলি নি মনে হল। 
প্রচুর গাড়ি দেখলাম ব্রিজে ওঠার লম্বা লাইনে। 
নীচটা পুরো ফাঁকা। 
অনেক দিন পর একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরে মনটা হাল্কা হয়ে গেল।

বউকে ফোন করে বলে দিলাম, ব্রিজে উঠছি। 
আধ ঘন্টা পরেও ফোনে না পেলে টিভির নিউজটা দেখ। 
আর LIC র কাগজ আলমারির উপরের তাকে ডান দিকে বাদামী খামের মধ্যে আছে।

চলে যাই যদি তবু মনে রেখ।
- স্বাগত গাঙ্গুলি

ও তোর বাবা নয়

ও তোর বাবা নয় - মজার গল্প।
Bengali Funny Story - Bangla Mojar Golpo
Happy Couple - Valobasa
গদা বিয়ের উদ্যোগ নিয়েছে...!
.
.
গদাঃ বাবা আমার একজনকে পছন্দ হয়েছে।
বাবাঃ ওয়াও! কে এই সৌভাগ্যবতী?

গদাঃ বাবলি , আমাদের পাশের বাড়ির গোপালের মেয়ে।

বাবাঃ উহ! নোহ! আমি তোমাকে কিছু
বলতে চাই কিন্তু প্রমিজ করো তোমার মাকে বলবে না।

গদাঃ ওকে প্রমিজ।

বাবাঃ আসলে বাবলি তোর বোন হয়।
.
.
অনন্যোপায় গদা বাবলি কে ভুলে গেল।
.
.
আবার ২ মাস পর!!!
গদাঃ বাবা, আমি প্রেমে পড়েছি। আর ওই মেয়েটা অনেক সুন্দর।

বাবাঃ ওয়াও! এটা তো অনেক বড় খবর। তা কে সে?

গদাঃ বুল্টি, আমাদের পাশের বাসার গোবিন্দবাবুর মেয়ে।

বাবাঃ ওহ! নো! আবার? বেটা এই বুল্টি ও তোর বোন হয় !
.
.
এমন করে অনেক দিন চলে গেলো। 
গদার তো পাগল হবার দশা, মেজাজ খারাপ করে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে গিয়ে বলল:
মা এইপর্যন্ত ৬টা মেয়েকে সিলেক্ট করেছি কিন্তু বাবা বলছে ওই ছ'জনই নাকি আমার বোন।

গদার মা গদার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল:
আমার গদা বাবা কাঁদে না সোনা। তুই যেকোনো মেয়ের সাথে প্রেম কর।
বাবার কথা শুনবি না ।
ও তোর বাবা নয়!!!🤭😁

বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে?

 বাঙ্গালীদের বুদ্ধি। এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে? 

Bengali Funny Story | Bengali Funny Jokes
Soham - Valobasa

রবার্ট ছোটবেলা থেকেই রাতে বিছানায় শুতে ভয় পেত। 
তার সবসময় মনে হতো বিছানার তলায় কেউ আছে।
বন্ধুর পরামর্শে একদিন এক সাইকোলজিস্ট এর কাছে গেল।
"ডাক্তারবাবু আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। 
সবসময় মনে হয় আমার বিছানার তলায় কেউ আছে। 
আমি পাগল হয়ে যাব।"
"ঘাবড়াবেন না। 
এক বছরের মধ্যে আপনাকে আমি ঠিক করে দেব", বললেন সাইকোলজিস্ট।
"সপ্তাহে তিনবার আমার চেম্বারে আসবেন ।"
"আপনার চার্জ কত?"
"2000 টাকা প্রতি ভিজিটে"।
" ঠিক আছে ডাক্তারবাবু।
প্রয়োজন হলে আপনার কাছে ফিরে আসব," রবার্ট বললেন।
ছয় মাস পরে রাস্তায় রবার্টের সঙ্গে সাইকোলজিস্টের দেখা।
ডাক্তার: "কি হলো? 
আপনি যে ভয় পেয়েছিলেন সে সম্পর্কে আপনি আমাকে দেখাতে এলেন না কেন?"
রবার্ট: "ওয়েল, 2000 টাকা প্রতি ভিজিট; 
সপ্তাহে তিনবার; এক বছর -- অনেক টাকার ব্যাপার!"
"আমার এক ভারতীয় বাঙালি Bondhu আমাকে এক প্লেট বিরিয়ানি এবং এক বোতল বিয়ারের পরিবর্তে আমার প্রবলেম সলভ করে দিয়েছে।
ও আমার সব খরচ বাঁচিয়ে দিয়েছে। 
আর সেই টাকায় আমি একটা নতুন Swift গাড়িও কিনে নিয়েছি। আমি ভীষণ খুশি।"
ডাক্তার: "তাই! তা আপনার বন্ধু আপনাকে কিভাবে নিরাময় করে তুললো?'
"সে আমাকে বলল - খাট বিক্রি করে দে। 
মেঝের উপর একটা গদি পেতে তার উপর শুয়ে পড়।"

ভগবানকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না

এটা একটা মজার গল্প।
পড়ুন, মজার আছে...
দুই ভাই ছিল, একজনের বয়স ৬ বছর আর অন্যজনের বয়স ১০ বছর....।।
তাদের দুজনের দুষ্টুমি ও অত্যাচারে পাড়া প্রতিবেশীরা অতিষ্ঠ।
তাদের মা বাবা সবসময় চিন্তায় থাকতো, এই বুঝি ছেলেরা কিছু একটা ঘটিয়ে এলো....।।
একদিন গ্রামে এক মহান সাধুবাবা এলো, যার আশীর্ব্বাদে নাকি সকলের মঙ্গল হয়...।।
এক প্রতিবেশী এসে তাদের মা কে বললঃ তোমার ছেলে দুটোকে সাধুবাবার কাছে নিয়ে যাও....হয়তো ওদের মতি গতি ঠিক হতে পারে.....।।
প্রতিবেশীর কথামতো মা প্রথমে ছোট ছেলেকে সাধুবাবার কাছে
নিয়ে গেল....।।
সাধু ছেলেটিকে সামনে বসিয়ে মা কে বাইরে অপেক্ষা করতে বলল......

এরপর সাধুবাবা বাচ্ছাটিকে বললঃ বল ব্যাটা....
তুই ভগবান কে জানিস...??
বল ভগবান কোথায়....??
বাচ্ছাটি কিছু বলল না, শুধু সাধুর দিকে তাকিয়ে রইলো......
সাধু আবার জিজ্ঞাসা করলো,
ছেলেটি এবারও কিছু বলল না.....
সাধুবাবা এবার রেগে গিয়ে বললঃ আমি কি বলছি শুনতে পচ্ছিস না....??
বল....ভগবান কোথায়.....??
ছেলেটি কিছু না বলে ভয়ে ভয়ে সাধুবাবার দিকে তাকিয়ে রইলো....
হঠাৎ যেন ছেলেটির চেতনা এলো,
সে উঠে দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে ছুট লাগালো......
সাধু তাকে বারবার ডাকলো,
কিন্তু সে একছুটে ঘরে গিয়ে
খাটের তলায় লুকিয়ে পড়লো.....।।
ছেলেটির দাদা ঘরেই ছিল, সে এটা দেখে বললঃ কি হয়েছে......??
তুই লুকোচ্ছিস কেন রে.....??
ভাইঃ দাদা.....পারলে তুইও তাড়াতাড়ি কোথাও লুকিয়ে পড়....
দাদাও খাটের নীচে ঢুকতে ঢুকতে বললঃ কিন্তু...হয়েছেটা কি....??
তুই এতো ভয় পাচ্ছিস কেন....??
ভাইঃ এবার আমরা খুব বড়ো ঝামেলায় ফেসে গেছি....।।
শুনলাম.... ভগবান কে নাকি কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা......





আর সবাই ভাবছে...এতে নাকি

আমাদেরই হাত আছে.....।।

আমি ভাঙিনি স্যার

বাচ্চাদের জন্য আজ একটা মজার ছোটো গল্প।
এটা জদিও গল্প বাট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলির অবস্থা এর থেকে ভালো কিছু নয়।

 স্কুল পরিদর্শক ক্লাস ফাইভের ছাত্র জিতুকে প্রশ্ন করলোঃ-
বলোতো হরধনু কে ভেঙে ছিল?
.
জিতুঃ- আমি ভাঙিনি স্যার । ঐ যে ওই আবির ভেঙেছে।
.
আবিরঃ- না স্যার, আমি ভাঙিনি । ওই জিতু মিছা কথা কইতাছে।
.
পরিদর্শক ক্লাস থেকে বেরিয়ে ক্লাস টিচারকে জিজ্ঞেস করলোঃ- কি পড়াচ্ছেন এখানে ? ছাত্ররা সামান্য একটা প্রশ্নের এই রকম উত্তর দিচ্ছে ?
.
ক্লাস টিচার :-- স্যার, জিতু আর আবির কিন্তু সত্যিই খুব ভালো ছেলে। ওরা এই সব ভাঙচুর করে না। আর পটলা টা এক নম্বরের দুষ্ট।
ওই পটলা ই ভাঙ্গতে পারে।
.
স্কুল পরিদর্শক মাথায় হাত দিয়ে আর কথা না বাড়িয়ে হেড মাষ্টার মশাই এর রুমে গিয়ে 
সব বিস্তারিত জানালোঃ-  এখানে কি সত্যিই কিছু পড়াশোনা হয়? ছাত্ররা না হয় জানেনা, কিন্তু তাই বলে শিক্ষকের ও এই দশা ?
.
হেড মাষ্টারঃ- দেখুন স্যার, ওই ক্লাস টিচার অনেক দিন ধরে পড়াচ্ছেন, প্রতিটি ছাত্রকে তিনি ভালো মতই চেনেন। তিনি যখন বলছেন পটলা 
ভেঙেছে তাহলে পটলাই ই ভেঙেছে।
.
স্কুল পরিদর্শক আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেলেন,
এবং স্কুল শিক্ষাবোর্ডে চিঠি লিখলেন।
যে স্কুলে কেউই "হরধনু কে ভেঙেছে" তাও জানে না, সেই স্কুল রাখার কোনো দরকার নেই।
.
.
কিছু দিন পরে শিক্ষাবোর্ড থেকে উত্তর এল:

*বাচ্চা-কাচ্চা রা ভাঙ্গাভাঙ্গি করতেই পারে। তার জন্য স্কুল উঠিয়ে দেবার দরকার নেই। এটা বিরোধীদের চক্রান্ত। আমরা ওসব বুঝি। ওদের কথায় কান দেবেন না। উন্নয়নের স্বার্থে আমরা অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছি, আর একটা হরধনু কেনা হোক...!!!*

বল্টূ আবার বড়লোক

অনেক দিন পর আবার বল্টু। 
দেখা জাক বল্টু এখন কি করছে। 
Boltu Mojar Funny Bengali Story
ছবিটা দেখলেন তো?
না দেখলে পড়ুন আর কি বুঝলেন সেটা বলার দরকার নেই। 

বল্টু হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস নিচ্ছিলো।
বেডের পাশে নার্স, বল্টুর বউ, দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
এবার বল্টু বলতে লাগলো তোমরা সবাই আমার প্রিয় তাই সবাইকে সব ভাগ করে দেব।
বল্টু বড় ছেলেকে বলল কলকাতার ১৭টি বাড়ি তুই নে।
ছোট ছেলেকে বললো তোমাকে আমি খুব পছন্দ করি তাই ভীমপুরের ২০টি বাড়ি তোমার।
এবার বল্টু তার বউকে বললো আমার যাবার পর তোমাকে যেন কারো কাছে হাত পাততে না হয় তাই দমদমের ১৫টি ফ্লাট তোমাকে
দিলাম।
নার্সতো পুরো অবাক এই ছেড়া কাপর পড়া বৃদ্ধ এত বড়লোক!
এবার নার্স বল্টুর বউকে বলতে লাগলো আপনার অনেক বড় ভাগ্য যে আপনার স্বামী আপনাকে কত সম্পত্বি দিয়ে যাচ্ছে।

এবার বল্টুর বউ বলতে লাগল কিসের সম্পত্বি?
\
/
\
/
\
/
ও হলো দুধওয়ালা।
এতক্ষন উনি আমাদের সকালের দুধ দেওয়ার

ডিউটি ভাগ করলেন।

প্রেয়সী

কেমন আছেন?
জানি ভালোই আছেন। 
তবে আপনারা কেউ কমেন্ট করেন না , এটা আমার ভালো লাগেনা।
এখন প্রতিদিন ২০০০০ লোক আমাদের ভালোবাসা.ইন ভিজিট করছেন। তবুও কমেন্ট নেই একটাও এটা মেনে নেওয়া যায় বলেন?
শুরু হচ্ছে...,
গোপেনবাবুর গোপন অ্যাফেয়ার..!!!

গোপেনবাবুর এই অভিসারের ব্যাপারটা বাড়ির লোকেরা আন্দাজ করে, কিন্তু কেউই ঠিকমতো ধরতে পারেনা। 
বাড়ির লোকজন বলতে সদা সন্দিগ্ধা স্ত্রী, কলেজ পড়ুয়া ছেলে আর স্কুলে পড়া মেয়ে।

গোপেনবাবুর বউ তার স্বভাব জানে, তাই তার ওপর কড়া নজর রাখার চেষ্টা করে। 
ছেলেও ঠারেঠোরে তার দিকে চোখ রাখে, তাও তিনি জানেন। রাখবে না? 
হতচ্ছাড়া ছেলেগুলো যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মায়ের চামচা হয়!

কিন্তু প্রতিবারেই এই অভিসারের পর তিনি সবচেয়ে ভয় পান তার মেয়েকে। 
ছোট হলে কি হবে? 
অসাধারণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা তাঁর মেয়ের! 
কতবার যে বাড়ি ফিরে মেয়ের হাতে ধরা পড়তে পড়তে বেঁচে গিয়েছেন, তা বলার নয়!...

তিনি দিব্যি কাজকর্ম সেরে নিপাট ভালোমানুষের মতো ঘরে ঢুকে দেখেছেন, মেয়ে তাঁর দিকে একটা অদ্ভূত দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে! 
সে দৃষ্টি এতই তীক্ষ্ণ, যে অনেক সময়ে গোপেনবাবু তার চোখে চোখ পর্যন্ত রাখতে পারেননা!...

তারপর মনে মনে বহু সাহস টাহস জোগাড় করে, গলা টলা ঝেড়ে যতদূর পারেন স্বাভাবিক গলায় মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন, "কিরে, কিছু বলবি?"

মেয়ে কোনো উত্তর দেয় না, আবার চোখও সরিয়ে নেয় না। 
শুধু একভাবে তাকিয়ে একটা ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস ফেলে। 
এই ব্যাপারটাকেই তিনি বড্ড ভয় পান! হাঁটু দুর্বল হতে থাকে! 
মনে হয় ও সব বুঝে ফেলেছে!

সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে যা হোক তা হোক, অফিস ফেরত প্রেয়সীর ওখান থেকে অল্প ঢুঁ মেরে আসা যায়। 
সমস্যাটা হয় ছুটির দিনে, শনি আর রবিবারে। 
শনিবার'টা তা'ও কোনো রকমে কাটিয়ে দেন, কিন্তু রবিবার আর পারেন না! 
যেকোনো ছুতোয় ওখানে গিয়ে লম্বা সময় উপভোগের জন্যে মন উশখুশ করতে থাকে!

আজও বহু বায়নাক্কা করে, সকাল থেকে গুটির পর গুটি সাজিয়ে রবিবারের বিকেলে গোপেনবাবু এসে পৌঁছলেন বড় রাস্তার মোড়ে গাড়ি রেখে সাড়ে তিন মিনিট হেঁটে বাঁদিকে চার নম্বর গলির সেই গোলাপী রঙের বাড়িটার সামনে...

মনটা খুশিতে ভরে গেল! এই তো জীবন! 
একটা ভর ভরন্ত সংসার, নিশ্চিন্ত রোজগারের পর আর এই একটাই জিনিস তো চান তিনি জীবনে... বয়স যত বাড়ছে, ততো বাড়ছে এই টান!... 
এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে নিয়ে টুক করে ঢুকে পড়লেন তিনি!

প্রচুর লোকজন চারিদিকে। 
তার মধ্যেই একটা টেবিল দখল করে বসে হাঁক পাড়লেন, "কই দেখি, এক প্লেট হিংয়ের কচুরি, দুটো সিঙাড়া, আর চারটে ছানার জিলিপি এদিকে..!!!"

আসলে, গোপেনবাবুর বয়স হয়েছে, তাই প্রেশার, সুগার, ইত্যাদি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া ভীষণ রেস্ট্রিক্টেড, ভালো খাবার বিশেষ কিছুই জোটে না। 
বাড়ির লোকের কঠোর নজর তার খাওয়া দাওয়ার দিকে!

এ জীবনে গোপেনবাবু বেঁচে আছেন এই প্রেয়সীর জন্যেই...

*"প্রেয়সী মিষ্টান্ন ভান্ডার" -*

সকল প্রকার মিষ্টান্ন ও মুখরোচকের বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান ।
  সংগৃহীত

বোল্টূর ফ্রিতে চকলেট খাওয়া

এক ছিলেন আমাদের গোপাল ভাড়,
ওনার মাছি সেজে ফ্রিতে মিষ্টি-সন্দেস খাবার গল্প তো সবাই জানেন।
আজ আপনাদের বোল্টূর ফ্রিতে চকলেট খাবার গল্পটা বলবো, এটা হয়তো আপনি জানেন না।
Boltu Funny Bengali Jokes
Boltur Bangla Mojar Golpo, Boltur Funny Story

বোল্টূ আর পোল্টূ গেছে দোকানে...!
.
দোকানে গিয়ে পোল্টূ চুপি চুপি ৩ টা চকলেট পকেটে ঢুকিয়ে নিলো..!
.
এরপর তারা দোকান থেকে বেরিয়ে এসে..পোল্টূ বোল্টূকে দেখালো সে ৩ টা চকলেট চালাকি করে নিয়ে এসেছে..!
‌.
এটা দেখে বোল্টূ বলল...
.
বোল্টূ - ধুর ,,,চকলেট আবার চুরি করা লাগে। 
তুই আমার সাথে চল দোকানে আমি দোকানদারের সামনে চকলেট খাবো .!
.
পোল্টূ - আচ্ছা দেখি,,তুই কত্ত পারিস...!

এরপর দুইজন আবার দোকানে গেলো...!
.
বোল্টূ- দোকানির কাছে গিয়ে বলল কাকা আমি একটা জাদু দেখাবো আপনাকে..!
.
দোকানি বলল কি জাদু দেখাবি দেখা..!
.
বোল্টূ দোকানির কাছে একটা চকলেট চাইলো, দোকানি চকলেট দিলো,,,আর বল্টু খেয়ে ফেললো..।
.
এই ভাবে তিনবার চকলেট চেয়ে চেয়ে খেয়ে ফেললো..!
.
এটা দেখে দোকানি বলল, কিরে বোল্টূ কই তোর জাদু..?
.
এরপর বল্টু বলল...
কাকু আপনি এবার পোল্টূর পকেট চেক করেন দেখবেন ওর পকেটে ৩ টা চকলেট..!