ভালোবাসা নিয়ে কথা

এখন থেকে অনেক পোস্ট লিখব আপনাদের জন্য।
তবে লেখা গুলো ছোটো হতে পারে, তবে প্রাই প্রতিদিনই লেখা দেওয়ার চেষ্টা করব।
Lovly Couple Lonly Pic - Valobasa
ভালোবাসা চোখের দেখা কিছু নয়।
ভালোবাসা একটা অনুভুতি। এই অনুভুতির কোনো সীমা নেই।
পারস্পারিক দূরত্ব কখনও ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারেনা। 
পরস্পরকে অনুভব করতে পারলে ভালোবাসা সবসময় সাথে থাকে।
ভালোবাসা মানে এই নয় ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনালাপ করতেই হবে।
ভালোবাসা...?
দু প্রান্তে দুটো মানুষ যখন একই সময়ে দুজন দুজনকে নিয়ে ভাবছে হয়তো সেটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় হাজারো মিষ্টি কথার ঝুলি নিয়ে রাত পার করা।
ভালোবাসা...?
প্রতিরাতে ঘুমোনোর আগে একবার তার প্রতিচ্ছবি কল্পনা করে ভেবে নেয়া সেই মানুষটাও তাকে এভাবেই দেখছে। হয়তো এটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না।
ভালোবাসা...?
শেষ মুহূর্তেও তার জন্য বেঁচে থাকার লড়াই করে যাওয়া। হয়তো এটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় তোমাকে না দেখা থাকতে পারবো না।
ভালোবাসা...?
অনুভব করে নেয়া সে পাশে আছে সবসময়। নাই বা হল দেখা। মনের চোখে তাকে দেখে নেয়া। হয়তো এটাই ভালোবাসা...।

মজার নাপিত

সেলুনে চুল কাটাতে গেছেন এক নেতা।
নাপিত কাঁচি চালাতে চালাতে বলছেন, ‘‘স্যার, শুনলাম জনগণ নাকি আপনার ওপর খুব খ্যাপা। যেকোনো দিন আপনার বাড়িতে হামলা চালাবে। আপনি নাকি জনগণের টাকা দিয়ে সম্পদের পাহাড় বানিয়েছেন।’’
নেতা ধমক দিয়ে বললেন, ‘‘এই ব্যাটা, চুপ কর। যত সব ফালতু কথা।’’
পরদিন নাপিতের কাছে চুল কাটাতে এলেন এক সরকারি কর্মকর্তা।
নাপিত তাঁর চুল কাটতে কাটতে বললেন, ‘‘স্যার, পুলিশ নাকি আপনারে খুঁজতেছে। যেকোনো দিন ক্যাক কইরা ধইরা জেলে ঢুকায় দিব। আপনি নাকি দুর্নীতি করেন, ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না।’’
সরকারি কর্মকর্তাও নাপিতকে ধমক দিয়ে চুপ করালেন।
কদিন বাদেই নাপিতের দোকান ঘেরাও করল পুলিশ।
নাপিতকে আটক করে বলল, ‘‘এই, তুই নাকি তোর কাস্টমারদের আজেবাজে কথা বলিস? তোর উদ্দেশ্য কী...?’’




নাপিত আমতা আমতা করে বললেন, ‘‘স্যার, এসব কথা বললে ভয়ে ওনাদের চুল খাড়া হয়ে যায়। আমার চুল কাটতে সুবিধা হয়। তাই বলি।’’

ধাক্কা দেবেন একটু

Man Hanging - Valobasa.In
কেউ একজন চিৎকার করে বলছে: ‘এই যে ভাই, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দেবেন? 
চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেল মিসেস মলির।
মলি তাঁর স্বামী রহিতকে ধাক্কা দিয়ে বললেন: ‘এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে!’
ঘুমাতুর কণ্ঠে বললেন রহিত‘আহ্! ঘুমাও তো! লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে।
অভিমানের সুরে বললেন মলি, ‘মনে আছে সেই রাতের কথা?
সেদিন তোমার কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।
রহিত বললেন, ‘মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। তোমার খুব শরীর খারাপ করেছিল।
গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম।
হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। 
সেদিন আমিও চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন?’ 
মলি বললেন, ‘মনে আছে তাহলে।
সেদিন যদি তোমার চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বলো তো?
আজ অন্যের বিপদে তুমি যাবে না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখো না!’
অগত্যা উঠতে হলো রহিতকে।
ভিজে চুপচুপ হয়ে কাদা-জল মাড়িয়ে এগিয়ে চললেন তিনি শব্দের উৎস লক্ষ্য করে।
বললেন, ‘কোথায় ভাই আপনি?
শুনতে পেলেন, ‘এই তো, এদিকে। বাগানের দিকে আসুন।’ 
রহিত এগোলেন। 
আবারও শুনতে পেলেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ… ডানে আসুন। নিম গাছটার পেছনে…।’ 
রহিত আরও এগোলেন।



আহ্! ধন্যবাদ! আপনার ভাই দয়ার শরীর।






কতক্ষণ ধরে দোলনায় বসে আছি ধাক্কা দেওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না! বলল মাতাল! :D :D

সব ভুলবোঝাবুঝি

Lonly Lovly Alone Sweer Girl -Valobasa

পাশাপাশি রিকশায় আমরা। 
এত আড়াল করার পরও চোখে চোখ পড়ে গেল। 
এত বছর পরেও বুকটা এমন ধুকধুক করে কেন! 
কথা বলবনা বলবনা করেও মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, কেমন আছ?
- ভালো। তুমি?
- ভালো। বাড়ি ফিরছ?
- হ্যা। তুমি?
- আমিও, এখানে নতুন এসেছ? আগে দেখিনি তো।
- দেখা দিতে চাইনি।
- আমিও তো। 
- ইস কি বিশ্রী জ্যাম!
- হ্যা। কখন যে একটু চলতে শুরু করবে!
- সেটাই। তোমার শ্বাসকষ্টের অসুখটা কমেছে?
- না ঐ এক রকমই আছে। তোমার মাইগ্রেইন?
- আগের চেয়ে কিছুটা কম। মনে আছে তোমার?
- হ্যা, হেসে বলি আমি। এরপর কোন কথা নেই কিছুক্ষন। জ্যামটাও ছাড়ছেনা।
- এখনও প্রতিদিন শাড়ি পর?
- তুমিইতো অভ্যাসটা করিয়েছিলে। আর ছাড়তে পারিনি।
- অভ্যাসটা ছাড়তে পারনি কিন্তু মানুষটাকে ঠিকই ছেড়ে গেলে।
- আহা ওসব থাক না প্লিজ।
- হ্যা থাক। আচ্ছা তোমার দিদি ভালো আছে?
- দিদি এখন নিজের বাড়িতে, বিয়ে হয়ে গ্যাছে। জ্যাম বুঝি ছাড়ল। যাই।
- যাও। শাড়ির আঁচলটা গুটিয়ে নাও রিকশার চাকায় আটকাবে।
- তুমিও সানগ্লাস টা পর। রোদে মাথাব্যথা করবে।
- এই শোন, ভালো থেক।
- তুমিও ভালো থেক । রাত জাগার বিশ্রী অভ্যাসটা বাদ দিও। আর অনেক শুকিয়ে গেছ। নিজের যত্ন নিও। 

সামনের দিকে তাকালাম। আমার রিক্সা কিছুটা এগিয়ে গেছে। হলুদ শাড়ি পরা আমার চুল বাতাসে উড়ছে। শাড়িটা ওরই দেয়া ছিল। ও কি চিনতে পেরেছে? 
আজ ১৬-ই জানুয়ারি। এই দিনেই ওর সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। মনে কি আছে ওর? 
চুলগুলো বাঁধতে গিয়েও বাঁধলাম না। খোলা চুল ওর খুব প্রিয় ছিল। এত বছর পরে নিজেকেও বড্ড অচেনা লাগে। মানুষ কি সবসময় নিজেকে চিনতে পারে? চোখটা আজ বড় বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে।

লে হালুয়া

আজও একটা মজার গল্প নিয়ে আসলাম আপনাদের জন্য।
গল্পটা ছোট কিন্তু আমার খুব ভালো লাগলো তাই শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।
শুরু করছি, আশা করি ভালোলাগবে আপনার। 
Hot Indian Women In Saree - Valobasa

গতকাল বিকালে হঠাৎ প্রতিবেশী সুন্দরী ডিভোর্সী মহিলা চাঁপাসুন্দরী এসে আমাদের রহিতের দরজার কড়া নাড়ল।
রহিত খুব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার? বসুন, আমাকে কিছু বলবেন?

.চাঁপাসুন্দরী বলল, আপনি জানেন, আজ আমি এত একা বোধ করছি যে ঘরে মনটা টিকতে চাইছে না, আমি এখন একটু বাইরে বেড়িয়ে আসতে চাই, কোনো বারে গিয়ে আমি আজ ড্রিংক করব আর একটু রিল্যাক্স করব, আপনি কি আজ রাতে ফ্রি আছেন ?
রহিতের তো আনন্দ আর ধরে না! সারা রাত এমন সুন্দরী মহিলার সাথে...
এমন শীতের রাতে...উফফ...
.রহিত বলল, নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই, আমি একদম ফ্রি।
.চাঁপাসুন্দরী, থ্যাঙ্কস্ , তাহলে আমার বাচ্চাটাকে একটু খেয়াল করে রাখবেন প্লিজ, আমি যত তাড়াতাড়ি পারি ফিরে আসব! :D :D

মজার ভূমিকম্প

ভূমিকম্প তো আজকাল জলভাত!
সময় অসময় নেই ভূমিকম্প!
আমার কাছে বেশ মজার ব্যাপার এটা, আসলে শুধু আমার কাছে না, যারা যারা এখনও এর ভয়ঙ্কর রুপ দ্যাখেনি তাদের কাছে এটা মজার কিন্তু যেদিন দেখবে সেদিন বুঝবে।
কিন্তু তাইবলে আগে থেকে ভয় পাবার লোক আমরা মটেও নই।
আজ আপনাদের জন্য ভূমিকম্প সম্পর্কীয় একটি মজার পোস্ট।
EarthQuake Funny Photo - Valobasa

ভূমিকম্প হলে মামণিদের যা যা করণীয়...
১) যখনই বুঝবেন, ভূমিকম্প হচ্ছে, সবার আগে মোবাইলটিকে বাঁচান! আপনি বাড়ি চাপা পড়ুন, ক্ষতি নেই! মোবাইল হাতছাড়া করবেন না!
২) তারপর পিছনে দেওয়ালে ছবিটা দুলবে, তাকে ব্যাকগ্রাউন্ডে নিয়ে একটা সেলফি তুলুন। চোখগুলো গোল্লা-গোল্লা করুন! অবশ্যই একটু লিপস্টিক ঠোঁটে বুলিয়ে নেবেন!
৩) তারপর চট করে অনলাইন হয়ে, ফেসবুকে লগ ইন করুন। সদ্য তোলা ছবিটাকে পোষ্ট করুন।
৪) সাথে স্ট্যাটাস দিন, "ও মা গো, ভূমিকম্প" অথবা "OMG Earthquake" সাথে feeling অ্যাড করুন, "feeling কাঁপুনি with ড্যাজলিং ট্যেঁপী, প্রিন্সেস পুঁটি।
৫) পারলে এক লাইন লিখে দিন, "আমাকে কেমন লাগছে??"
৬) ব্যস, ভূমিকম্প হলেই এটুকুই আপনার করণীয়! তারপর ঘাপটি মেরে বসে থাকুন, লাইক এবং কমেন্টের জন্য।
EarthQuake Funny Pic- Valobasa
এটা সুধুমাত্র একটা মজার পোস্ট।
আসাকরি কেউ রাগ করবেন না প্লিজ।

এত শিতেও ভালোবাসা

আবহাওয়া সংবাদে তো বলে শীত নেই!
কিন্তু আমার কিন্তু খুব শীত লাগছে, এখনও...
তবে আজ আপনাদের জন্য একটা সুন্দর ভাললাগা, ভালোবাসার গল্প নিয়ে এসেছি।

মেয়েটা ঘুমিয়ে যায়। পাশেই ছেলেটা জেগে থাকে। 
ঘুমজড়ানো চোখ খুলে মেয়েটা বলে "এই তুমি ঘুমোবে না? আসো ঘুমিয়ে পড়ো।"
ছেলেটা হাসে, বলে - তুমি ঘুমোও, আমি আরেকটু পর ঘুমোবো।.
মেয়েটা চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ে। 
কনকনে শীত, ভারী কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে থাকায় চট করে ঘুমিয়ে যায় মেয়েটা।
ছেলেটা পাশ ফিরে তাকায়। 
ডান হাত বের করে নেয় কম্বলের ভেতর থেকে। অবাক চোখে ঘুমন্ত নিষ্পাপ চেহারাটার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে। কী অদ্ভুত এক মায়া চেহারাটার মাঝে। বন্ধ করা চোখের পাতা মাঝে মাঝে কেঁপে উঠে, ছেলেটা দেখতেই থাকে। কপাল ছুঁয়ে আছে একমুঠো চুল। ছেলেটার ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয়। 
মেয়েটা জেগে যাবে বলে ছোঁয় না।.
কনকনে শীতে ছেলেটার হাত ঠান্ডা হয়ে আছে। ছেলেটা ঠান্ডা হাত মেয়েটার গালে ঠেকিয়ে মজা পায়। তার একটু ছুঁতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু ছোঁয় না, মেয়েটা জেগে যাবে বলে।
ছেলেটা অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়েই থাকে। 
হঠাৎ বন্ধ চোখের পাতা একটু কেঁপে উঠে। 
চোখের পাতা সরে ছোট্ট দুটো চোখ উঁকি দেয়। 
ঘুমজড়ানো কন্ঠে ভ্রুনাচিয়ে জিজ্ঞেস করে "কী দেখছ?"
ছেলেটা বলে, কিছু না। আমার হাত অনেক ঠান্ডা।
মেয়েটা চোখ বুঁজে মুচকি হেসে ছেলেটার হাত বালিশের উপর নেয়। সেই হাতের উপর তার গাল রেখে চুপচাপ শুয়ে থাকে। 
ঠান্ডা হাত লাগায় একধরনের শিউরে ওঠা ভাব থাকে, মেয়েটার তারপরও ভালো লাগে। এ যে এমন একজনের হাত, যে একজন তার। 
ছেলেটা আবার তাকিয়ে থাকে। মেয়েটা আবার চোখ খোলে। 
পিটপিট করে তাকিয়ে বলে, এই শুনছ? 
হুমম বলো।
তোমার হাত অনেক ঠান্ডা। সরিয়ে নাও।
আচ্ছা।.ছেলেটা হাত সরিয়ে নেয়। 
অল্প অল্প মন খারাপের রেখা ভাসে গালে-কপালে। 
মেয়েটা চোখ বুঁজে আছে, তাই দেখতে পাইনা তবে বুঝতে পারে। 
মেয়েটা আবার চোখ খোলে, পিটপিট করে তাকায়। বলে, এই শুনছ? 
হ্যাঁ বলো।  
বালিশটাও না খুব ঠান্ডা। 
এখন কী করি? বালিশ সরিয়ে নেব? 
উহুঁ। 
তাহলে? 
তোমার বুকে মাথা রাখি? মেয়েটা উত্তরের অপেক্ষা করেনা।
চুপচাপ মাথা রাখে ছেলেটার বুকে। বুকেরগহীন থেকে গর্জন আসে। গর্জন আসে ভালোবাসার,গর্জন আসে অনেক কিছু পাওয়ার,গর্জন আসে সুখের। 
চোখবুঁজে মেয়েটা সে সুখ মেখে নেয়। এ বুক তার, শুধুই তার। এই ছেলেটা তার স্বামী, শুধুই তার।.
ছেলেটা হাসে। অনেক পাওয়ার হাসি। আলতো করে মেয়েটার চুলে হাত রাখে। ঠান্ডা হাত।

বড় ইচ্ছে করে ভালোবাসতে

Bhalobasha Bhalobasha - Valobasa

বড় ইচ্ছে করে, রোজ খুব সকালে ঘড়ির এলার্মের মতো তোর ঘুম ভাঙাতে।
বড় ইচ্ছে করে, সকালে চায়েরকাপে চুমুক দেয়া তোর মায়াবী ঠোঁটের স্বাদ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ঘর্মক্লান্ত দুপুরে স্নানের পর তোর প্রতিটি অঙ্গের ঘ্রাণ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, বিকালের হালকা রোদে তোর হাত ধরে ব্যস্ত শহরে হাটতে।
বড় ইচ্ছে করে, চাঁদনী রাত তোর ঘুমন্ত মায়াবী চেহারা দেখে কাটিয়ে দিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ছায়ার মতো প্রতিটা মুহুর্তের তোর সঙ্গী হতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে নিয়ে গড়া এই কল্পনা গুলোকে সত্যি করে তুলতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে আমার মনের মতো করে ভালবাসতে।
এগুলো শুধুমাত্র ইচ্ছা, মনে হয় না কখনও পুরন হবে কিনা!

ছোট কিছু কথা যা মনে আসছে লিখে ফেললাম।
ভালোবাসা মানে জয়ী হওয়া না। বরং কারো জন্য পরাজয় টাকে মেনে নেওয়া।
ভালোবাসা হোক অসীম। বেঁচে থাকুক ভালোবাসা হাজার বছর।


পশুপাখিদের ফেসবুক

আজ আবার একটা মজার পোস্ট করছি আপনাদের জন্য।
আসুন সুরু করা জাক,
যদি অন্য প্রাণীদের ফেসবুক একাউন্ট থাকত তাহলে কেমন হত তাদের স্ট্যাটাস!
সেটাই বলব আজ আপনাদের।


আরশোলাঃ এইমাত্র বেঁচে ফিরলাম, একটা মটু লোকের পায়ের নিচে একটু হলেই চাপা পড়ছিলাম আরকি! হায় ভগবান, এ কি রিস্কি জীবন দিয়েছ আমাকে?
বিড়ালঃ আজ সকালে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। আমার 7 নম্বর বাচ্চাটা হঠাৎ গলা জড়িয়ে ধরে জানতে চাইল ওর বাবা কে? আমি এখন কি করে বলি? আমার নিজেরেই যে মনে নেই!
মশাঃ OMG! আমি HIV পজিটিভ ! কেন যে টেস্ট না করেই রক্ত খেতে গেলাম!
পাঁঠা ছাগলঃ যাক বাবা, সব পূজা শেষ হলো। এবার একটু শান্তিতে থাকতে পারব। প্রাণ সংশয় হয়ে উঠেছিল আরকি!
মুরগীঃ কাল যদি আমি স্ট্যাটাস না দিই, তাহলে বুঝে নিও আমি আছি কোনো বিয়ে বাড়ির রোস্টের ডিশে।
মোরগঃ কুক্কু-রু - কু -উ ...গুড মর্নিং ফ্রেন্ডস।
টিকটিকিঃ ইস্, লেজটা খসে গেল! কেউ আমাকে একটা লেজ ধার দেবে প্লিজ? একসপ্তাহ পর মেল করে পাঠিয়ে দেব।
টাইগারঃ সুন্দরবনে বসে ডিনার করছি। হরিণের মাংস আর শেয়ালের রক্ত। চাই নাকি বন্ধুরা?
বাদুরঃ একটা সেলফি তুলে আপলোড করে, কেমন লাগছে আমায়? দুদিন ধরে উল্টো হয়ে ঝুলে আছি, ডায়েটিং করছি, বাবাঃ কী ক্লান্ত!
ময়ুরঃ জন্মদিন টা চমৎকার কাটল...আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড একসঙ্গে পেখম তুলে নাচ করেছি, ফটোগুলো আপলোড করলাম... feeling loved.
কোকিলঃ শীত এসে গেল আর শীত গেলেই তো শুরু হয়ে যাবে আমাদের সা-রে-গা-মা-পা।
এখন থেকেই আবার রেওয়াজে বসতে হবে.. feeling exited.
উকুনঃ বুল্টি আজ টেনশনে ফেলে দিচ্ছিলো। হঠাত করে আজ মাথায় চিরুনি অভিযান চালাল। অল্পের জন্যে বেঁচে গেছি... feeling alive!
পেঁচাঃ শিকারে বেরোতে হবে। তোমরা সব ঘুমিয়ে পড়। কাল কথা হবে। গুড নাইট।