Monday, August 8, 2016

যুক্তি দিয়ে ভালোবাসা বিচার করুন

বলতে গেলে এটাকেও একটা মজার গল্প বলা যেতেই পারে।
কিন্তু একটু বুঝেই দেখুন, আসলে কথাটা খারাপ না।
ও হো আপনি তো এখনও গল্পোটাই জানেন না, আগে পড়ে ফেলুন তাড়াতাড়ি।
Indian Couple Love Momoent - Valobasa
ট্রেনে এক অর্থনীতিবিদের পাশে বসে ছিল এক যুবক।
যুবকের চেহারায় ছিল দুশ্চিন্তার ছাপ। 
কিছুক্ষণের মধ্যে তাদের দুইজনের পরিচয় হল। 
কথা-বার্তার এক পর্যায়ে যুবকটি অর্থনীতিবিদকে বলল...,

যুবকঃ আমি ৬ বছর আগে বিয়ে করেছি। আমার স্ত্রী আমাকে খুব ভালোবাসে। আমার ৫ বছরের একটি মেয়েও আছে। কর্মক্ষেত্রেও আমি যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু ১ বছর আগে একটি সুন্দরী মেয়ের সাথে আমার পরিচয় হয় এবং আমরা একে-অপরের প্রেমে পড়ে যাই।

অর্থনীতিবিদঃ এখন আপনি কি করবেন?

যুবকঃ আমি আমার স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে চাই। তবে, এখনো ফাইনাল ডিসিশন নিতে পারি নি। ভীষণ দুশ্চিন্তায় আছি। কি করা যায়, বলুনতো? 

অর্থনীতিবিদঃ হুম..., এই দুটোর মধ্যে একটি বাছাই করা সত্যিই খুব কঠিন কাজ। কিন্তু অর্থনীতির হিসাব দিয়ে বিশ্লেষণ করলে আপনার সমস্যার সমাধান করা যায়!! 
ধরুন, আপনি আপনার বসের কঠিন কোন সমস্যার সমাধান করে দিলেন।
এখন তিনি আপনাকে পুরষ্কার দিতে চান।
তিনি আপনাকে দুটো পুরষ্কারের থেকে একটি বেছে নিতে বললেন।
আপনাকে নগদ ৫ লাখ টাকা দেয়া হবে। অথবা, ২ বছর পর ৭ লাখ টাকা দেয়া হবে। তখন আপনি কোনটি নেবেন?

যুবকঃ অবশ্যই নগদ ৫ লাখ টাকাই নেবো।

অর্থনীতিবিদঃ কেন? 

যুবকঃ কে জানে ২ বছর পর কী ঘটবে? ২ বছর পর আমি টাকাটা পাবোই এমন তো কোন নিশ্চয়তা নেই। 
কিন্তু ৫ লাখ টাকা তো আমাকে এখনই দেওয়া হবে। 

অর্থনীতিবিদঃ (হেসে বলল) আপনি একদম ঠিক বলেছেন। 
একইভাবে, ভবিষ্যতে ঐ সুন্দরী আপনাকে এখনকার মতই ভালোবাসবে, এমন তো কোন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু আপনি তো এটা নিশ্চিত যে, আপনার স্ত্রী আপনাকে কতোটা ভালোবাসে..., যুবকটি তার ভুল বুঝতে পেরে প্রচন্ড আবেগে অর্থনীতিবিদকে জড়িয়ে ধরল এবং কেঁদে ফেলল...।

Friday, August 5, 2016

ভালোবাসা মানে পাশে থাকা

এই গল্পটা সেই দুজনের,
যাদের সন্তান নেই, আর হবেও না কোনোদিন।
Indian Lovly Actors Couple  Love -Valobasa
"কি ব্যাপার সকাল আটটা বাজে। আজ কি অফিসে যেতে হবে না নাকি?" - ঝুমের ডাকে চোখ ডলতে থাকে জীত।
জানালার পর্দাটা সরিয়ে দেয়ার সাথে সাথেই সকালের আলোটা চোখে এসে পড়ে জীতের।
বিছানার পাশেই ভেজা চুল ঝাড়তে শুরু করে ঝুম। 
ভেজা চুলের ছাট এসে জীতের মুখে পড়ে। 
জীত ঝুমের হাতটা ধরে কাছে নিয়ে এসে কপালে একটা চুমু একে দিয়ে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি"
ঝুম ও জীতের নাকটা হালকা টেনে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি"
এমনটা প্রতিদিনই হয়।
ভালোবাসা বাড়ে ধীরে ধীরে। কখনোই কমে না। 
ছ বছর হলো ঝুমের আর জীতের বিয়ে হয়েছে। 
এতটুকু পরিমান মন খারাপ করতে দেখেনি ঝুমকে। 
জীত এতেই খুশি। লাভ ম্যারিজ। দুজনকেই দুজন খুব সুন্দর করে বোঝে।
ঝুম কখনোই পুরো পৃথিবী দাবি করে না জীতের কাছে।
জীত ই তার জন্য যথেষ্ট। 
জীত ঝুমকে রাজকুমারী বলে ডাকে। 
ঝুমের খুব লজ্জা লাগে। আবার অনেক ভালোও লাগে।
জীত ঝুমকে ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। অফিসে যাওয়ার আগে ঝুম আমার রুমাল কই, ঝুম আমার মোবাইল কই,ঝুম আমার টাই কই,ঝুম আমার ফাইল কই, এইটা কই ওইটা কই নানা কথা বলে ঝুমকে অস্থির করে ফেলে। 
এমনকি টাইটাও নিজ হাতে বাধা শিখেনি কারন ঝুম বেধে দেবে বলে। 
বড্ড ক্লান্ত হয়ে যেত ঝুম। 
কিন্ত অফিসে যাওয়ার সময় যখন ঝুমের কপালে চুমু দিয়ে জীত বলে, 'সারাটাদিন তোমায় অনেক মিস করবো '
তখনই যেন ঝুমের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে মুখে হাসি ফুটে ওঠে। 
পরম বিশ্বাসে মাথা এলিয়ে দেয় জীতের বুকে।
কিন্তু জীবনে সুখের পাশাপাশি দুঃখও আছে। 
জীত সবসময় তা লুকানোর চেষ্টা করে। 
ঝুম রোজ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাদে। কিন্তু জীত ঝুমের শব্দ ছাড়া কান্না বুঝতে পারে। 
তখনই চোখের জল স্পর্শ করে ঝুমের অধর থেকে সরিয়ে দেয়। 
রাগ করে বলে, 'আবার কান্নাকাটি করলে আমি কিন্তু মরে যাবো ' এটা বলে জীতও কেঁদে দেয়। 
এভাবেই কষ্ট ঢেকে যায়। 
কিন্ত ঝুমের কষ্টটা যেন একটু বেশিই।
তিন বছর আগের ঘটনা। ছ মাসের অন্তঃস্বত্তা ঝুম। 
বেশ ভালোই চলছিল জীত আর ঝুমের দিনগুলো। 
পেটের ভেতর থাকা বাচ্চা টা পা দিয়ে ধাক্কা মারে আর ঝুম ব্যাথায় কাতরে ওঠে। এদিকে জীত হেসে হেসে প্রায় খুন।আর রেগে গিয়ে ঝুম বলত“ তোমার মতোই দুষ্টু হবে”।
কোনো এক দুপুরবেলা হঠাৎ বাথরুম থেকে চিৎকার এর আওয়াজ আসে। 
জীত বাথরুমের দরজা খুলে যেন চোখে মুখে অন্ধকার দেখা শুরু করলো।
বাথরুমের মেঝে রক্তে লাল হয়ে রয়েছে। 
আর ঝুম যন্ত্রনায় ছটফট করছে।
এরপরে ঘটনা স্বাভাবিক হতে পারতো।
কিন্তু ভাগ্যে হয়তো অস্বাভাবিক কিছু ছিল। 
প্রচন্ড আঘাতের কারনে মা হবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে ঝুম।
ঝুম শুধু কেঁদে যায় জীতের হাত ধরে আর জীত মিথ্যে শান্তনা দিতে থাকে।
"কাঁদছ কেন? 
ধুর পাগলি। ভগবান হয়তো আরো বড় উপহার রেখেছে আমাদের জন্য। কিচ্ছু হবে না।
কাঁদবে না তো। তাহলে কিন্ত আমি কেঁদে দেবো।"
মুহূর্তগুলো খুবই কষ্টকর।
এখনো ঝুম যখন বারান্দায় একা একা বসে থাকে তখন জীত পাশে গিয়ে বসে আকাশের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলে,
"ওই যে চাদটা দেখছো না? তার পাশের তারাটাই আমাদের বাচ্চা টা"
মনটা যেন আরো ভারী হয়ে যায় ঝুমের। ভারি মনটা আর ধরে রাখতে না পেরে জীতের বুকে এলিয়ে দেয়। 
আর জীত ঝুমের কপালে চুমু দিয়ে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি" কী অদ্ভুত এই ভালবাসা তাই না।

Thursday, August 4, 2016

মায়ের তুলনা হয়না

একমাত্র মায়ের ভালোবাসা স্বার্থহীন।
বাকি সবেতেই স্বার্থ।
 তাই ভালোবাসার কথা আসলেই মায়ের কথা বলতেই হয়।
Indian Mother With Son Love - Valobasa
যে মেয়েটার বিছানায় গড়াগড়ি করে কিংবা হাত পা ছুঁড়ে ঘুমানোর অভ্যাস এক সময় সেই মেয়ে এক কাত হয়ে সারারাত পার করে দেয় কারণ সে জানে তার পাশে শুয়ে আছে ছোট্ট একটা বাবু। 
এখন কিছুতেই হাত-পা ছোড়া চলবে না।
যে একটা সময় লাল পিঁপড়ার কামড় খেয়ে চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় তুলত, আজ তার ভেতরে বেড়ে উঠা ছোট্ট প্রাণটা
সারাদিন হাত পা ছোড়াছোড়ি করে, প্রতিটা লাথি বেশ জোরেই আঘাত করে তবু মা দাঁতে ঠোট চেপে সব সহ্য করে, হয়ত দু ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ে।
সে জল যতটা কষ্টের তার থেকে অনেক বেশি আনন্দের কারণ সে অনুভব করে তার বাবুটার জীবন্ত প্রাণের স্পন্দন।
একদিন নাড়াচাড়া না করলে অজানা আশংকায় বুক কেঁপে ওঠে "সবকিছু ঠিক আছে তো??"
একদিন হঠাৎ তীব্র যন্ত্রণা।
জানান দেয় তার সন্তানের পৃথিবীতে আগমন এর সময় হয়েছে। 
বোধ হয় পেটের ভিতরে কেউ কিছু টেনে ছিঁড়ে ফেলছে। 
কুড়িটি হাড় একসাথে ভেঙে দেওয়ার সমান কষ্ট নারীজাতি সেদিনই অনুভব করতে পারে। 
এত কষ্টের পর সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে মায়ের ক্লান্ত বিধ্বস্ত চেহারা খানি এদিক ওদিক খোঁজে ফেরে একজনকে, মৃদু করে বলে "আমার বাবু কোথায় ?"
ছোট্ট একটা রক্ত মাখা শরীর তুলে দেওয়া হয় তার কোলে। 
টপটপ করে নোনা জল গড়িয়ে পড়ে সে দেহে।
তার বুকে মাথা রেখে মা বাবুটার হৃদস্পন্দন শোনে। 
আচ্ছা এটা কেন বলে না "তুই আমায় খুব দিয়েছিস। তোকে আমার লাগবে না।
"মা জানে তার এই ছোট্ট বাবুটা ছাড়া তার একদম চলবে না। 
বাবুটা মায়ের বুকের উষ্ণতায় চুপটি শুয়ে থাকে মায়ের নির্ঘুম চোখ তাকে সারারাত পাহারা দেয়। 
ফিসফিস করে বাবুটাকে শোনায় "তুই ভাল থাকলেই আমি ভাল থাকব।
"তুমি কি করে পার মা?
তবুও কেন আমরা তোমার মর্যাদা দিতে পারি না..??
কেন শেষ বয়সে তোমার ঠিকানা হয় ওই বৃদ্ধাশ্রম!

Wednesday, July 27, 2016

ভালোবাসা আমাকে মানায় না

সব লেখা তো আর সবার ভালো লাগেনা।
এটা আপনার কাছে খারাপ লাগলো বাট অন্য কারোর কাছে ভালোও লাগতে পারে,
তাই খারাপ ভালো সবই পোস্ট করতে হয়, আজকের টা শুরু করি।
Sad Girl Tears - Valobasa
- হ্যালো! ভালো আছো?
- তোমাকে না বলেছি আমাকে আর ফোন করবেনা।
- কেন এমন করছ আমার সাথে? ফোনের অপর প্রান্তে কাঁদো কাঁদো স্বর দিপ্তীর। আমি কি করেছি?
- আমি তো তোমাকে বলেছি, আমি অন্য একটা মেয়ের সাথে রিলেশনে আছি, কথা কি মাথায় ঢোকেনা তোমার?
- তাহলে আমার কি হবে? আমার সাথে কেন ব্রেক-আপ করলে?
- তোমাকে এখন আর আমার ভালো লাগেনা।
-আমি বিশ্বাস করিনা।
এমন সময় হঠাৎ তীব্র মাথা ব্যাথায় চোখে অন্ধকার দেখতে থাকে সাগর, ফোন কেটে দিয়ে পেটে হাত দিয়ে চেপে ধরে ছটফট করতে থাকে।
সময় জ্ঞান হারিয়ে যায় মনে হতে থাকে যেন অনন্ত কাল ধরে এই মাথা ব্যাথা হয়েই যাচ্ছে।
যেভাবে আচমকা ব্যাথা টা এসেছিলো ঠিক সেভাবেই চলে যায় হঠাৎ করে।
সাগর ঘড়ির দিকে তাকায় প্রায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে ছটফট করেছে সে।
ওষুধ খাবার সময় হয়ে এলো, এখনি আবার ডাক্তার আঙ্কেল আসবেন দেখে যাওয়ার জন্য।
সাগর জানে তার হাতে আর বেশীদিন সময় নেই, কিডনিটা দিন দিন খুব খারাপ হচ্ছে ধীরে ধীরে।
- দাদা ওষুধ খেয়েছিস?
- ওষুধ খেয়ে কি হবে বোন? সাগর মলিন স্বরে হেসে ওঠে।
- ছোট বোনটা থমকে দাঁড়ায়, কান্না আটকে রাখার আপ্রান চেষ্টা করেও আর না পেরে বের হয়ে যায় রুম থেকে।
সাগর বুঝতে পারে কাজটা ভালো হয়নি।
সে ওষুধ খেয়ে, বোনের কাছে গিয়ে বোনকে জড়িয়ে ধরে, বোন তার মাথায় হাত বুলাতে থাকে আর সাগর চুপ করে বোনের  কোলে মাথা দিয়ে বসে থাকে।
এমন সময় সাগরের ফোনে মেসেজ আসে একটা, স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখে দিপ্তীর মেসেজ।
“আই হেট ইউ” - তোমার সাথে আর কখনো যোগাযোগ করবোনা আমি। আমার ভাবতেই ঘৃণা হচ্ছে যে আমি তোমার মত ছেলে কে ভালোবেসে ছিলাম।

সাগরের চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে,
সে ফিস ফিস করে বলে, “আমাকে ঘৃণা করে তুমি সুখে থাকো দিপ্তী।
অন্য কাউকে ভালবেসো তুমি।
তুমি তো জাননা ভালোবাসা আমাকে আর মানায় না।”

Tuesday, July 19, 2016

সাবধান

আজ একটা নির্ভেজাল মজার গল্প নিয়ে হাজির হলাম।
তবে কেউ মাইন্ড কইরেন না। :D
Bapi VS Baba - Valobasa.In
আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলেন।

পিছন থেকে আরেকটা বাস এসে আপনাকে চাপা দিয়ে পিষে চলে গেল!

আপনি মারা গেলেন।

আপনি মারা যাওয়ায় আপনার বন্ধুরা মিলে সেই বাস কোম্পানির বাসগুলো ভাঙচুর শুরু করল! আগুন ধরালো!

এর ফলে বাসের পেট্রোলের ট্যাঙ্কিতে আগুন ধরে প্রচন্ড বিস্ফোরন ঘটল!

এদিকে দেখা গেল যে এই বিস্ফোরনের দায় আইএস স্বীকার করে নিয়েছে। ফলে সারা বিশ্বে খবরটা ছড়িয়ে পড়ল!

আমেরিকা এ নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করল! রাশিয়া আইএস দমন করার জন্য ইচ্ছা পোষন করল! 

রাশিয়া ইচ্ছা পোষন করায়, আমেরিকা দেরি না করে বিনা নোটিশে বোমারু বিমান আকাশে পাঠিয়ে দিল আইএস দমন করার উদ্দেশ্যে।

বিমান থেকে টপাটপ বোম পড়তে থাকল এবং শহর ধ্বংস হতে থাকল!

এদিকে রাশিয়াও বসে নেই। তারাও বোমারু বিমান পাঠিয়ে দিলো শক্তি প্রদর্শনের জন্য।

একদিন দেখা গেলো, আমেরিকার বিমান ও রাশিয়ার বিমানে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে দুটো বিমানই ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ল বিশ্বের আনাচে কানাচে।

আমেরিকা দাবি করল, রাশিয়া তাদের উপর হামলা চালিয়েছে আর রাশিয়া দাবি করল,এসব আমেরিকার দোষ। বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা। শুরু হয়ে গেল "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ"...

আমেরিকা রাশিয়াকে পারমানবিক বোমা মারল, রাশিয়া মারল আমেরিকাকে।

সুযোগ বুঝে ভারত-পাকিস্থান, ইরান-ইজরাইল ইত্যাদি দেশগুলোর মধ্যেও পারমানবিক বোমা বিনিময় হল।

এক বছরের মধ্যে দেখা গেল, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেছে চিরতরে ....

সুতরাং, বাস থেকে ধীরে সুস্থে নামুন এবং পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করুন। :D :D

Saturday, July 16, 2016

মধ্যবিত্ত ছেলেমেয়ের ভালোবাসা

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের ভালোবাসা!
সে একদম অন্য রকম ভাবে হয়, তাহলে একটা গল্প শোনানো যাক মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের ভালোবাসা সম্পর্কে।
Boy In Rain - Valobasa
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেগুলা হুট করে কোন মেয়েকে বলতে পারেনা ভালোবাসি।
কারন ওরা নিজেদের নিয়ে একধরনের হীনমন্যতায় ভোগে।
ওদের মনে সবসময় একটা ভীতি কাজ করে, ওর সামাজিক অবস্থান জানার পর মেয়েটি যদি ওকে ফিরিয়ে দেয়।
মেয়েটা যদি ছেলেটার প্রস্তাবে সাড়া দেয় তবুও দুশ্চিন্তার শেষ নেই!
একটা সম্পর্কে জড়ানোর চেয়ে সে সম্পর্কটা টেনে নেয়ার কাজটা বরং বেশি কঠিন।
মেয়েটার সাথে নিয়মিত ফোনে কথা বলা। কোন উতসবে দুজনে মিলে ঘুরতে বের হওয়া।ভালো কোথাও খেতে যাওয়া কিংবা জন্মদিনে টুকটাক কিছু গিফট করার কথা মাথায় আসলে চোখেমুখে অন্ধকার দেখে ছেলেটা। 
এই চিন্তা থেকে অনেক ছেলেই কোন মেয়েকে তার ভালোবাসার কথা কোনদিন মুখ ফুটে বলতে পারেনা। 
এ সবকিছুর পরও অনেক ছেলে সাহস করে মেয়েটাকে ভালোবাসি বলে ফেলে।
মেয়েটাও একসময় ভবিষ্যতের কথা না ভেবেই রাজি হয়ে যায়। 
ছেলেটা তখন থেকে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে। 
স্বপ্ন দেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে মেয়েটাকে বিয়ে করে সুখের সংসার বুনবে।
মেয়েটা কলেজের সেকেন্ড কিংবা থার্ড ইয়ারে উঠতেই বাড়ীতে বিয়ের প্রস্তাবের হিড়িক পড়ে যায়।
মেয়েটা গভীর রাতে দিশেহারার মত ছেলেটাকে ফোন করে অসহায়ের মত চোখের জল ফেলে আর ছেলেটা পাথরের মূর্তির মত মন দিয়ে সব কথা শোনে এবং দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
আর মধ্যবিত্ত হয়ে জন্ম নেয়ার জন্য মনে মনে নিজেকে অভিশাপ দেয়।
একসময় ওরা দুজন নিয়তিকে মেনে নেয়। 
ওরা কেউ কাউকে দোষ দেয়না।
যেন ওদের ভাগ্যে এমনটাই হবার কথা ছিল।
সারাজীবন হয়ত একটা অপূর্নতা বয়ে বেড়াতে হবে এটাই যা আফসোস। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের সবচেয়ে বড় গুন ওরা অনানুষিক কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।
যেদিন বাড়িতে ছেলেপক্ষ মেয়েটাকে দেখতে আসে মেয়েটা তখন বুকে পাথর রেখে শাড়ি পরে মাথা নিচু করে ওদের সামনে গিয়ে বসে।
মেয়েটার বুকের মাঝে যে রক্তক্ষরন হয় সেটা কেউ টের পায়না। 
একসময় মেয়েটার বিয়েও হয়ে যায়।
আবার চলতে থাকে কম্প্রোমাইজ, মেনে নেওয়ার খেলা।
থেমে থাকে না কিছুই.., মধ্যবিত্ত মানুষদের থামতে নেই।

Saturday, July 2, 2016

ভালোবাসা বর্তমানে

আজ কিছুদিন পর পোস্ট করছি,
কোনও গল্প নয় একদম সত্যি যা ঘটছে আজকাল।
Alone Sweet Sexy Girl - Valobasa

'সেক্স না করলে তোমার সাথে রিলেশন রাখবোনা' - এমনই হুমকি দিয়েছে আমার পরিচিত এক মেয়ে বন্ধুকে তার বয়ফ্রেন্ড,শুনে খুব খারাপ লাগলো। 
সে জিজ্ঞেস করলো কি করবে, ছেলেটিকে নাকি সে খুব ভালবাসে। 
আমি তাকে বললাম তুমি চিন্তা করে দেখ কি করবে।
আর এটা ভালবাসা নয় জাস্ট মোহ এবং সেক্সের ফাঁদ সুতরাং এইসব প্লেবয় থেকে দুরে থাকাই শ্রেয়।
শুনেছি তাদের ব্রেক-আপ হয়ে গেছে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রেক-আপ হয়না বরং দুজনে সমান তালে চালিয়ে যায় ফোনসেক্স তারপর রুমডেট, লিভ টুগেদার ইত্যাদি ইত্যাদি। 
এরপর অবহেলা, ঝগড়া অতঃপর ব্রেক- আপ। 
শুরু হয় অন্যকারো সাথে রিলেশন আবার এইসব নোংরামি।
এটাই হচ্ছে ডিজিটাল যুগের ওভারস্মার্ট ছেলেমেয়ের প্রেমের প্রকৃতি।
তাদের কাছে প্রেম এখন ডেটিং সেক্স কিস আর চ্যাটসেক্স ফোনসেক্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে, আর কিছু প্লেগার্ল আছে তারাতো ফোনসেক্স বা লিভ
টুগেদারের ক্ষেত্রে ছেলেদের চাইতে এগিয়ে, ভালবাসায় এখন নেই কোন আন্তরিকতা, বিশ্বাস ও হৃদয়ের টান।
লিভ টুগেদার, নামমাত্র প্রেম করে দুদিনের মাথায় অমুক তমুখ সন্তু রিন্টু দেবুর ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে সেক্স আদান প্রদানই হাল যুগের ছেলেমেয়ের কাছে এখন অত্যাধুনিক ফ্যাশন, ভালোবাসার অপর নাম।
আর সেক্স করতে রাজি না হলে ব্রেক-আপ করে ওভারস্মার্ট ছেলে। আবার কিছু মেয়েও আছে যারা সেক্সকেই প্রেমের মুল উপাদান মনে করে থাকেন।এক মেয়ে এমনই একটি কমেন্ট করেছিলো লিভ টুগেদার বিষয়ক এক পোস্টে, কমেন্টটি এইরূপ "প্রেম করলে বয়ফ্রেন্ডের সাথে সেক্স করতেই পারে এটা ব্যভিচার কেন হবে?
এরপর তার কমেন্টের রিপ্লাই দেয়ার প্রয়োজন হয়না সে কোন স্কেলের মেয়ে
তা দুধের শিশুও অবগত হয়ে যাবে নিমিষে।
খুব অবাক লাগে ওভারস্মার্ট একটি মেয়ে যখন তার বয়ফ্রেন্ডের দামি গিফটের
বিনিময়ে রুমডেটে সেক্স করে তাকে স্যাটিসফাই করে।
ধীরেধীরে আমরা তলিয়ে যাচ্ছি অন্ধকার যুগে যখন বিনা বিবাহবন্ধনে মিলন
হত।
অবশ্য এসব ওভারস্মার্ট প্লেবয় বা প্লেগার্লদের ভাগ্যই প্রেম জোটে আর ভালো
ছেলেমেয়েরা সিঙ্গেল।
এরা সেকালে কারন এরা সারারাত ব্যাপি ফোনসেক্সে বিশ্বাসী নয় বা লিভ টুগেদার করে প্রেমের সুনাম নষ্ট করতে নারাজ কারন এরা অতি আধুনিক হতে গিয়ে স্রষ্টার দরবারে অপরাধী হতে রাজি নয়।
তো আসুন নোংরামি বন্ধ করে প্রকৃত ভালবাসাকে শ্রদ্ধা করি।
কারন কিছু নোংড়া মানুষের কারনে ভালবাসার পবিত্রতা নষ্ট হোক এটা কারো কাম্য নয়।

Thursday, June 16, 2016

ইগো ফেলে দিন, সুখি থাকবেন

আজকাল বেশিরভাগ সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে ইগোর কারনে।
আজ একটু ওটার উপর আলোকপাত করি।
খুব সহজেই নিজের ভুল মেনে নেওয়ার মানসিকতা খুব কম মানুষেরই থাকে।
অধিকাংশ সময় আমরা নিজেদের কষ্টটাকেই বড় করে দেখি, আমাদের কথায় বা ব্যাবহারে যে অন্য কেউ কষ্ট পেতে পারে সেই কথাই ভুলে যাই।
আমরা কখনই আগে সরি বলিনা, ওপাশের মানুষটি কখন সরি বলবে এই আশায় থাকি।
আমরা খেয়াল করি না যে সেও আমার মতোই মানুষ, সেও সরি না বলে অপেক্ষায় আছে।
এই দ্বন্দ্বের কারণেই দূরত্ব সৃষ্টি হয়। 
যে মানুষ একসময় হৃদয়ের অনেক কাছে ছিল সে অনেক দূরে সরে যায়।
এই ইট-পাথরের জগত অনেক বেশি স্বার্থপর, আপনজন খুব কম মেলে এখানে। 
নিজেদের ছোট ছোট কিছু ভুল, নিজেদের ইগোর কারণে সেই মানুষগুলোকেও আমরা দূরে সরিয়ে দিই। একা হয়ে যাই আমরা।
শুধু একটু প্রচেষ্টা, অন্যের দিকটা একটু বুঝতে পারার মানসিকতাই কাছের মানুষগুলোকে হারিয়ে যেতে দেবে না
কখনও।

Saturday, June 11, 2016

বেশ্যা

আমরা ভাবি আমাদের কত কষ্ট!
কিন্তু পৃথিবীতে আমাদের থেকেও অনেক অনেক খারাপ অবস্থায় আছে অনেক মানুষ।
আজ তাদের মধ্যে অল্প কিছু লোকের কথা আপনাদের শোনাবো।
Indian Prostitute - Valobasa

"লোকে আমায় বেশ্যা বলে ডাকে - আমি রাত্রিকে সাক্ষী করে অঙ্গে জড়াই ঝলমলে পোশাক, লাল টিপ, অধরে আরক্তিম আবরন বদনে মাখি সস্তা স্নো-পাউডার, আমার দু'হাতে শোভা পায় কাচেঁর চুড়ি কানে ও গলায় ইমিটেশনের গয়না আর চুলের ভাজেঁ রক্তিম সিদুঁর।
আমার আমিকে আমি নিজেই সাজাই লোকে আমায় বেশ্যা বলে ডাকে।
সভ্য সমাজের লোকেরা আমায় রাতে ঠিক চিনতে পারে।
নিধুবনে আমার শুভ্র দেহকে দুমড়ে-মুচড়ে বাম হাতে তারা কিছুু টাকাও গুজেঁ দেয়।
যে যার ইচ্ছে মত কাছে আশে আবার যে যার মতো চলেও যায়।
ভেঙে যাওয়া চুড়িগুলো পাশেই পড়ে থাকে।
পোশাকের লাবন্যতা নষ্ট হয়, কপালের টিপ আর খুজেঁ পাইনা।
আয়নায়, লেপ্টে থাকা ঠোঁট দেখে নিজেরই ঘেন্না লাগে মাথা নীচু করে ইমিটেশনের গয়না গুলো খুলি আর স্মৃতির পাজঁরে অশ্রু লুকাতে লুকাতে ভাবি 'আর নয় এসব - আর না, আমি তো এমনটা ছিলাম না।
"স্নান না সারতেই মেয়েটা দৌড়ে আসে আমি আবীর চোখ মেলে তার দিকে তাকাই আদর করে বুকে না জাড়াতেই অভিমানী সুরে বলে -' মা সারাদিন কিচ্ছু খাইনি, কোথায় ছিলে? ভাত দেও না তাড়াতাড়ি!
"আমি আমার অবাধ্য অশ্রুকে থামাতে পারি না, তারা ঝর-ঝর করে জীবনের তারে বেরিয়ে আসে আর থামতে চায়না।
আর আমি মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে আবারো নিজেকে নতুন করে সাজাই লোকে আমায় বেশ্যা বলে ডাকে।

Sunday, June 5, 2016

হারবেন কেন, আপনি জিতবেন

আমার ৩ টে বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল।
বেস্ট ফ্রেন্ড আবার ৩ টে হয় কিকরে ভাবছেন?
বাট আমার ৩ টে, পাগোল ভাবলে ভাবেন বাট আমার তিনটে-ই।
কিন্তু একজন আর নেই, নিজের ইচ্ছাতেই চলে গিয়েছে।
 অনেক দূরে। যেখান থেকে আর ফেরা যায়না।
আজকের লেখা তাদের জন্য যারা নিজেকে ব্যর্থ ভাবে, ভাবে সে হেরে গ্যাছে। তাহলে শুরু করি আজকের হার জিতের গল্প।
Black Indian Beauty Girl -Valobasa

মেয়েটা যখন ক্লাস এইটে পড়ে তখন একটা ছেলেকে প্রোপজ করেছিল। মনে মনে তাকে সে খুব ভালোবাসতো।
মেয়েটা বর্ণে কালো হওয়ার কারণে ঐ ছেলেটা তাকে রিজেক্ট করে দেয়।
মেয়েদের বুক ফাঁটে তবু মুখ ফোটে না।
কিন্তু মেয়েটির মুখ ফুটেছিল বলেই হয়তো এই লজ্জার স্বীকার হতে হয়েছে।
মেয়েটা কিছুতেই এই বিষয়টা মানতে পারছিল না।
নিজেকে সামলে রাখতে খুব চেস্টা করত কিন্তু তবুও সারারাত কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাতো।
সব সময় মন খারাপ করে থাকতো।
শেষে মেয়েটা নিজের মধ্যে প্রচুর জেদ তৈরি করলো।
প্রচুর লেখা-পড়া শুরু করল কারণ তাকে যে অনেক বড় হতে হবে।
অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় জেলায় প্রথম হয়ে গেল।
বাবা-মা জোর করে বিদেশ ফেরত এক ছেলের সাথে মেয়েটার বিয়ে ঠিক করে ফেললো।
মেয়েটা যে কালো, আইবুড়ো হয়ে গেলে কেউ এই মেয়েকে বিয়ে করবে না। তাই ,বাবা-মা বিয়েটা ঠিক করলো।
কিন্তু মেয়েটা তার বাবা-মাকে ভয় দেখালো যে , বিয়ে দিলে সে গলায় দঁড়ি দেবে।
মেয়েটা মনে মনে বললো , সে যেদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে ঠিক সেদিন-ই বিয়ে করবে।
যেই কথা সেই কাজ। জীবন যুদ্ধে নেমে গেল।
নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে গেল। ছোট ছোট বাচ্চাদের পড়িয়ে নিজের লেখা -পড়ার খরচ চালাত।
বাড়ি থেকে টাকা চাইতো না।
মাধ্যমিক পরীক্ষায় বোর্ড স্ট্যান্ড করলো অঁজপাড়া গাঁয়ের একটা স্কুল থেকে।
এরপর মফস্বলের হাই স্কুল থেকে এইচ এস তেও বোর্ড স্ট্যান্ড।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে ঐ কালো মেয়েটা এখন হাইকোর্টের জর্জ।
মেয়েটার ক'দিন আগেই বিয়ে হয়েছে। ছেলে একজন ডিসি।
যে ছেলেটা ঐ মেয়ের প্রোপোজ ফিরিয়ে দিয়েছিল সে এখন গার্মেন্টস-এ চাকরী করে।
আসলে , যারা মানুষকে ফিরিয়ে দেয় তারা কখনো বড় হতে পারে না।
যারা আঘাত পেয়ে ফিরে যায় তারাই যুগে যুগে বড় হয়।
জীবনে জেদ থাকলে অনেক উঁচুতে ওঠা যায়।
সবাই তো সুন্দরীদের পেছনেই ছোটে। সাদা- কালো আপেক্ষিক।
নিজের ভেতর প্রচুর জেদ তৈরি করুন।
যেখানে হোচট খাবেন , সেখান থেকেই উঠে দাঁড়ান। জীবনে ঝড় আসবেই। ব্যর্থতা থাকবেই।
জীবনে সবচেয়ে ভালো জায়গায় যেতে চাইলে জেদ করতে শিখুন।
আপনাকে ছাড়িয়ে যান। আপনার সাফল্য নিশ্চিত।