Thursday, March 23, 2017

বেশ্যার ছেলে কি স্কুলে যাই

আজ একটু অন্য ধারার লেখা।
তবে..., না কিছুনা, আসুন সুরু করি।
Baby With Mother - India - Valobasa
কিরে মাগী তুই নাকি আবার ছেলে টাকে মডার্ণ স্কুলে ভর্তি করেছিস? 
হাঁ বাবু ছেলে টা পড়াশোনায় খুব ভালো! 
ওই যে অপু মাস্টর আসতো আমাদের বস্তিতে পড়াতে ঔ তো বলতো মালতী তোর ছেলেটার মাথা আছে রে,ওকে ভালো করে পড়াস! 
তাই ভর্তি করলাম বাবু! 
একরাশ গর্ব যেনো মালতীর ঠোঁটে, আর না হবারই বা কি আছে ; বস্তির এই রকম শরীর বেঁচা কটা মায়ের ছেলে মর্ডান স্কুলে পড়ে? 
উফ শালা বেশ্যা মাগী তোর ছেলে শালা মর্ডান স্কুলে পড়বে ? 
শালি কোনো পার্থক্য রাখবি না নাকি ভদ্রলোকেদের সাথে, তুই জানিস শালা আমার ছেলে টাও ওই স্কুলে পড়ে একপ্রকার মারতে মারতে বলে দেবীবাবু ! 
শালী ডাক তোর ছেলেকে বলছি শালা বেশ্যার ছেলে হয়ে এতো শখ কিসের ওর, ডাক শালী তোর ছেলেকে !
মালতী দেববাবুর পায়ে ধরে কোনো রকম বোঝাতে সম্মত হয় যে যেনো ওর ছেলেকে দেবীবাবু ওর বেপারে কিছু না বলে, নাহলে ওর ছেলে যে আর সভ্য জগতে মিশতে পারবে না, তাহলে ওর পড়াশোনায় ক্ষতি হবে !! 
যাইহোক সেদিন হয়তো সামলানো গেলো দেবীবাবুকে এই মর্মে যে আজ তাকে বিনি পয়সায় শরীর দিতে হবে ! 
বেশ্যা তো ! দিতে রাজি হয়ে গেলো মালতী ! 
এখন মালতী নিজের ছেলের দিকে ঠিক ঠাক তাকাতেও পারেনা লজ্জাই ! 
ছেলে ভদ্র লোকের স্কুলে পড়ে যে আর সে তো বেশ্যা, কোথাও যেনো ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিলো মালতীকে ! 
ভয় ছিলো যদি ছেলে ভদ্র হয়ে বেশ্যা মাকে ছেড়ে দেই, এই সব চিন্তা ভয় আর মর্ডান স্কুলের খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে গেছে মালতী ! 
Indian Baby With Mom -Valobasa

এভাবেই চলতে থাকে মালতীর সংসার ! 
তবে এই বেশ্যা টাকেও হয়তো সাথ দিয়েছিলো ভগবান, তার ছেলে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে যে !
আজ মালতী তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরেছে আজ ও ধান্দা করেনি, কাওকে ছুঁতেও দেইনি! 
ছেলে বাড়ি ফিরতেই মাকে জড়িয়ে ধরে বলে মা আমাদের স্কুলে কাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, তোমাকে নেমন্তন্ন করেছে, এই দেখো কার্ড ! 
তুমি যাবেনা মা ? 
নারে তোদের মস্ত স্কুল, সব বড় বড় লোক জন আমি গরীব মানুষ গিয়ে কি করবো বল?
না মা তোমাকে কাল যেতেই হবে, নাহলে আমিও যাবোন ! 
কোনো রকম জোর পূর্বক মালতী যেতে রাজি ! 
পরদিন ভোর ভোর উঠে মালতী খুঁজে রেখেছে মালতীর বরের দেওয়া প্রথম উপহারের তাঁতের শাড়ী টা, খুব আনন্দ তার আজ যে আবার সে ভদ্র লোকেদের সাথে মিশবে কিছুক্ষনের জন্য, স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রথম !
যাইহোক মর্ডান স্কুলে ছেলের সাথে মালতী, অপূর্ব অনুভূতি হচ্ছে তার,কতো লোক, ভদ্র লোক, কতো বড় বড় বেপার, কিন্তু সেই ভয় টা পিছু ছাড়েনি "ছেলে যদি বুঝে যায় আমি বেশ্যা" !
অনুষ্ঠান হলে ঢুকতেই মালতী দেখে সামনের সিটে বসে দেবীবাবু ! 
মালতী লজ্জায়, ভয়ে পিছনে গিয়ে এক সিটে মাথা নামিয়ে বসে পড়ে, পাছে দেবীবাবু যেনো দেখে না নেই, দেখলেই আজ হয়তো সব জেনে যাবে সবাই, ছেলের কাছে মালতীও আজ বেশ্যার পরিচয় পাবে হয়তো !
অনুষ্ঠান তখন শুরু হয়ে গেছে, এবার মালতীর ছেলেকে স্টেজে ডাকলো পুরস্কার নেওয়ার জন্য কিন্তু মালতীর চোখ নীচে, মুখ নীচে সে দেখবে না কারণ যদি দেবীবাবু দেখে ফেলে !
স্টেজে মালতীর ছেলে, পুরস্কার নেওয়ার পর কিছু বলার জন্য অনুরধ করলো প্রিন্সিপল মেম ! 
Mom And Son - Valobasa

"আমি দেহব্যাবসায়ির ছেলে " হাঁ মেডাম আমি গর্বিত,আমি ওনার ছেলে " গোটা ঘর নিস্তব্ধ হয়ে গেলো মালতীর ছেলের কথায়!
ওই দেখো সবাই আমার মা!!!
শেষ সিটে মাথা লুকিয়ে বসে আছে। 
মাথা তোলো মা, সবাই আজ দেখুক তোমায় তুমি আমার মা, আমি গর্বিত মা তোমার জন্য !
সেদিন যখন দেবীবাবু তোমাকে অপমান করেছিলো সেদিন আমি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব শুনেছি, সেদিনই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম মা তোমার মাথা উঁচু করবো , এটাই তোমার উপহার মা !
আজ আমি প্রথম হয়েছি এটা সাধারণ কিন্তু এক দেহব্যাবসায়ির ছেলে প্রথম এটাই অসাধরণ কিছু মা ! মালতীর চোখে আনন্দ অশ্রু, সেও আজ গর্বিত, এখন তার লজ্জা নেই, নেই ভয় !
সমগ্র ঘর শুনে যাচ্ছিলো সেদিন এক বেশ্যার ছেলের চিত্কার !!!

Thursday, March 9, 2017

ডাক্তারি ভালোবাসা

বড্ডো খারাপ লাগে কারন আপনাদের জন্য কিছু পোস্ট করাই হয়না।
আর যদিও করা হয় তা খুব একটা ভালো কিছু হয়না।
আজ আর একবার কিছু অগোছালো কথা আপনাদের জন্য।
Daktari Bhalobasa - Valobasa
"তুমি আমার সারা জীবনের ভালোলাগা হইও না ...
বরং, "ভাল্লাগেনা" রোগের ডাক্তার হয়ে যেও !!
মাঝে মাঝে ইনজেকশনের তীক্ষ্ণ সূচের মত এক চিমটি ব্যথা দিও ... দাঁতে দাঁত চেপে ঠিকই সয়ে নেবো !!
কিংবা তেতো ওষুধের মত এক চামচ বিষণ্ণতার স্বাদ দিও ... একটুখানি চোখ মুখ কুঁচকে আবার ঠিকই মুচকি হাসি দেবো !!
হোক না তোমার মনের ভাষা দুর্বোধ্য কোন প্রেসক্রিপশন এর মতই।
ঠিকই আমি বুঝে নেবো !!
স্টেথোস্কোপ লাগবে না, বুকের ভেতরের ধকধক আওয়াজটুকু স্টেথোস্কোপ ছাড়াই স্পষ্ট শুনিয়ে দেবো !!
তুমি শুধু রোগ সারাতে এসো... 
এক মুঠো না, এক চিমটি ভালোবেসো !!"

Saturday, February 25, 2017

সে তো বুঝলোনা

ভালোবাসা যে কি তা কেউ বলে বোঝাতে পারে না।
মন দিয়ে সবাই আবার সেটা বুঝতে পারে!
Love Love Love - Valobasa

বার বার রাগ করে তোমার সাথে কথা বলা থামিয়ে দিই...
আবার বার বার ফিরে আসি তোমার কাছে।
কিন্তু আমার বারবার এই ফিরে আসার পিছনে একটা কারন রয়েছে, 
আর কারনটা হল আমি তোমাকে কখনো হারাতে চাই না। 
জানি তুমি একজন কে খুব ভালোবাসো। 
আর হয়ত সে সব দিক থেকেই আমার চেয়ে ভালো......।
তাছাড়া আমিও চাই যে, তুমি যেন তাকে পেয়ে অনেক অনেক ভালো থাকো।
তাই আমিও আর কখনো আমার ভালো লাগার কথা তোমাকে বলিনি, কারন আমার ভয় হয় যদি তুমি আমাকে উওরে ''না, বলে আমাদের বন্ধুত্বটাও ভেঙে দাও! 
তাহলে আমি কি করে থাকব.....!!! 
আর তুমিও এই স্বার্থপর দুনিয়ার এমন এক স্বার্থপর মানুষ যে সবসময় তোমার নিজের কথাই ভেবেছ।
তোমার সাথে আমার কাটানো এতটা সময়, এত কথায়ও কখনো আমার মনের কথা বুঝতে পারলে না!!! 
I will not miss you - valobasa

Monday, February 20, 2017

বোল্টূ চাকরি পেয়েছে

বোল্টু চাকরি পেয়ে গেলে কি হতে পারে!!
ভাবতে পারছেন??
থাক আপনাকে ভাবতে হবেনা কষ্ট করে। আমিই বলছি।
All Girls Are Angel On Facebook - Valobasa
বল্টু এক অফিসের ম্যানেজার পদে চাকরি পেল। :-D
তো, বল্টু চাকরিতে জয়েন করার পরই কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসা শূরু করল। 
কেউ লেট করেনা।
তাই দেখে অফিসের এম.ডি একদিন বল্টুকে বললঃ ঘটনা কি?
আগেতো কেউই সময় মতো অফিসে আসতোনা! 
আপনাকে ম্যানেজার করার পর থেকেই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে। 
আপনি কি জাদু জানেন নাকি?? ;-)
বল্টুঃ না স্যার, জাদু-টাদু কিছুনা। 
আসলে,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমি অফিস থেকে একটা চেয়ার বিক্রি করে ফেলেছি আর বলেছি যে সবার পরে আসবে, 
তাকে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে তাই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে_____।।।। :D :D 

Sunday, January 29, 2017

ভালোবাসার গল্প , পাশে থাকার গল্প

আজ আপনাদেরকে,
একটা ভালোবাসার গল্প, একটা পাশে থাকার গল্প শোনাবো।
Maa - The Best and Funny Alarm Clock

একবার একটা লঞ্চ দূর্ঘটনায় পড়লো।
লঞ্চের এক দম্পত্তি একটা লাইফবোট পেল।
কিন্তু স্বামীটা বুঝে ফেললো সেখানে একজনের বেশি উঠতে পারবে না।
লোকটা তার স্ত্রীকে আটকে রেখে নিজে লাফ দিয়ে বোটে লাফিয়ে উঠে পড়লো।
ডুবন্ত লঞ্চে দাঁড়িয়ে থেকে মহিলা স্বামীর উদ্দেশ্যে একটাই মাত্র বাক্য চিৎকার করে বলেছিলো।
শিক্ষক এটুকু বলে থামলেন,
চারদিকে তাকিয়ে ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া বুঝতে চাইলেন, 
“তোমাদের কি মনে হয়? 
কি বলেছিলো মহিলা!?”-
“তুমি একটা ইতর, আমি কি অন্ধই না ছিলাম!” 
অধিকাংশ  ছাত্রই এ ধরনের জবাব দিলো।
শিক্ষক খেয়াল করলেন একটা ছেলে পুরোটা সময় ধরেই চুপ, 
তার মতামত জানতে চাইলে সে বললো,
“স্যার, আমার বিশ্বাস, মহিলাটি বলেছিল, আমাদের বাচ্চাটার যত্ন নিও, ওকে দেখে রেখ।”
বিস্মিত হয়ে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, 
“তুমি এই গল্প আগে শুনেছ, তাই না!”
ছেলেটি মাথা নেড়ে জবাব দিলো, “ আমার মা-ও অসুখে মারা যাওয়ার পূর্বমূহূর্তে বাবাকে একথাই বলেছিলো।”
শিক্ষক একমত হলেন, তুমিই ঠিক।
লঞ্চটা ডুবে গেলো এবং বাড়ি ফিরে লোকটা একাকী মেয়েকে যত্ন করে বড় করলো।
লোকটি মারা যাওয়ার বেশ কয়েক বছর পরে তাদের কন্যা বাবার একটি ডায়েরী পেল।
সেখানে সে আবিষ্কার করলো, 
লঞ্চযাত্রায় যাওয়ার আগেই মায়ের দুরারোগ্য অসুখ ধরা পড়েছিলো, 
চরম মূহূর্তে তার বাবা তাই বাঁচার একমাত্র উপায়ের সদ্ব্যবহার করেছে।
ডায়েরীতে তার বাবা লিখেছে, 
“আমারও তোমার সাথে সাগরের তলে ডুবে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিলো, 
কিন্তু শুধু মেয়ের কথা ভেবে তোমাকে একাই সাগর তলে চিরদিনের জন্য ছেড়ে আসতে হলো।”
গল্প শেষ হলো, ক্লাস একদম চুপ।
শিক্ষক বুঝলেন, ছাত্রেরা গল্পের শিক্ষাটা ধরতে পেরেছে।
ভালো এবং মন্দ, পৃথিবীর সব কিছুর পেছনেই অনেক জটিলতা আছে যা সব সময় বোঝা যায় না।
আমাদের কখনোই শুধুমাত্র উপরের তল দেখেই যাচাই করা উচিত না। 
অন্যকে না বুঝেই বিচার করে ফেলাটা বেশ বোকামি।
যারা খাবারের বিলটা সবসময়ই নিজে দিতে চায়, তার মানে এই নয় যে তার টাকা উপচে পড়ছে, 
এর কারন সে টাকার চেয়ে বন্ধুত্বকে বড় করে দেখে।
যারা আগে ভাগেই কাজ করে ফেলে, 
এর মানে সে বোকা না, আসলে তার দায়িত্বজ্ঞান রয়েছে।
যারা ঝগড়া বা বাকবিতন্ডার পরে আগে মাফ চেয়ে নেয়, 
সেই ভুল ছিলো এমনটা নয়, বরঞ্চ সে চারপাশের মানুষকে মূল্যায়ন করে।
তোমাকে যে সাহায্য করতে চায় সে তোমার কাছে কোন কিছু আশা করে না, বরং একজন প্রকৃত বন্ধু মনে করে।
কেউ আপনাকে প্রায়ই টেক্সট করে তার মানে এটা নয় যে তার কোন কাজ নেই, 
আসলে আপনাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে।
একদিন আমরা একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো, 
কিন্তু আমাদের আচরণ ও ভালোবাসাগুলো মানুষের হৃদয়ে থেকে যাবে। 
কেউ না কেউ স্মরণ করবে।
নতুন বছরের মূল্যায়ন এই রকমই হোক।
শুভ হোক নতুন বছর সবার যারা আনন্দের আলো থেকে বঞ্চিত ছিলে। 

Friday, January 6, 2017

হ্যাপি নিউ ইয়ার

আজ একটা কবিতা শেয়ার করবো,
ফালতু কবিতা, শুধুমাত্র মজা করার জন্য।
happy new year bengali funny poem - valobasa.in
মধ্য রাতে ওত পেতে রই
ফসকে গেলেই কেলো
ঠিক বারোটাই চিল চিৎকার
নতূন বছর এলো.....

দুমদুমিয়ে পটকা ফাটে
পর্দা কাঁপে কানে
নরম কোনো শব্দ তো নেই
খুশির অভিধানে.....

মেদ জমেছে মধ্যদেশে
নাচতে হবেই তবু
তাল কেটে তা বেতাল হলে
দোষ নিয়ো না প্রভু.....

কেক কেটেছি সবাই মিলে
মেখেছি সব মুখে
ও সব তো খায় হাভাতেরা
অথবা উজবুকে.....

আমরা বাবা সাহেবসুবো
রোদ্দুরেতে কালো
ইংরিজিতে ভুল ধরলে পরে
ধুসস বয়েই গেলো.....

 দুর্গাপূজাও হ্যাপ্পী এখন
এটাই যুগের কেতা
পয়লা বোশেখ নতূন বছর
নিছক আদিখ্যেতা.....

উৎসব তো ক্ষণিক থাকে
এনজয় মাই ডিয়ার
এসো সবাই তুমুল চেঁচাই
হ্যাপ্পী নিউ ইয়া..................র।

Friday, December 23, 2016

সাধু বাবার অভিশাপ

শুধু টাইটেল দেখলে হবেনা।
ক্যাটাগরিটা কিন্তু রয়েছে 'মজার গল্প' তে।
তারমানে আজও আপনাদের জন্য মজার গল্প নিয়ে এসেছি।
Ma Amar Kon Hat Ta Boro -Valobasa
এক সাধু বাবা এক অনুষ্ঠানে পৌছাতেই তাকে নিয়ে সকলে হাসি ঠাট্টা করতে শুরু করলো।
সাধু বাবা বললেন, আমি সাধু-ফকির মানুষ, আমার সাথে যদি এরকম ঠাট্টা তামাশা করো তাহলে আমার অভিশাপে তোমরা সব কাণা-অন্ধ হয়ে যাবে।
সবাই আরো জোরে জোরে হাসতে লাগলো।

একটু পরেই দেখা গেলো কেউ আর চোখে দেখতে পাচ্ছে না। 
সবাই গিয়ে সাধু বাবার পায়ে গিয়ে পড়লো আর বলতে লাগলো, "বাবা আমরা পাপী, আমরা অবুঝ, আমাদেরকে ক্ষমা করো বাবা"!

সাধু বাবা তখন তার জুতো খুলে সবাইকে মারতে লাগলো।
আর বলতে লাগলো- "সালা, লাইট চলে গেছে।
কেউ জেনারেটর অন কর, আমিও কিছু দেখতে পাচ্ছি না"|

Sunday, December 4, 2016

উল্টো রাজার দেশ

আবার মজা!!
কেউ পার্সোনালি নেবেন না প্লিজ।
Govt and Officers - Valobasa
গ্রামের একটি স্কুল ....

• পরিদর্শকঃ- আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি কে?
• লেবুঃ- নরেন্দ্র মুদি, স্যার!
• পরিদর্শকঃ- আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করছি প্রেসিডেন্ট কে?
• লেবুঃ- ইয়ে মানে প্রেসিডেন্ট,স্যার, মমতা ব্যাণার্জী, স্যার।
• পরিদর্শকঃ- তুই ক্লাস এইটে উঠলি কীভাবে? আমি তোর নাম কেটে দেবো!
• লেবুঃ- আমার তো স্কুলের খাতায় নামই নেই, আপনি কাটবেন কি!
• পরিদর্শকঃ- তার মানে?
• লেবুঃ- আমি স্কুলের মাঠে ছাগল চরাচ্ছিলাম, এক জন স্যার বলল, তোকে কুড়ি টাকা দেবো, তুই ক্লাসে বসবি!
• পরিদর্শকঃ- (খুব রেগে) ছিঃ মাস্টার মশাই! আপনাদের লজ্জা করে না? শিক্ষা নিয়ে ব্যাবসা! আমি আপনার চাকরি খেয়ে ফেলবো!
• শিক্ষকঃ- কাকে ভয় দেখান! আমি মাস্টার না, সামনে মুদি দোকানটা আমার। মাস্টার সাহেব আমাকে বলল, শহর থেকে এক বেটা আসবে, আমি একটু হাটে গেলাম, তুই একটু ক্লাস ঘরে বসে থাকবি!
• পরিদর্শকঃ- (ভীষণ রেগে, উনি গেলেন হেড স্যারের রুমে) আপনি হেড স্যার?
• প্রধান শিক্ষকঃ- আজ্ঞে! কোন সমস্যা?
• পরিদর্শকঃ- আপনাদের লজ্জা করে না, নকল ছাত্র-শিক্ষক দিয়ে ক্লাস চালান!?
• প্রধান শিক্ষকঃ- দেখুন,আমার মামা এই স্কুলের হেড স্যার, উনি জমি বেচা-কেনার দালালি করেন।বর্তমানে কাস্টমার নিয়ে অন্য গ্রামে গেছেন! আমাকে বলে গেছেন, ইন্সপেক্টার এলে, তার হাতে এই দু হাজার টাকার বান্ডিলটা দিয়ে দিস!
• পরিদর্শকঃ- এই যাত্রায় আপনারাও বেঁচে গেলেন। আসলে আমার মামা ইন্সপেক্টর, ঠিকাদারির কাজও করেন। টেন্ডার সাবমিট করতে কোলকাতা কর্পোরেশনে গেছেন! আমাকে বললেন, তুই আমার হয়ে পরিদর্শন করে আয়! 😀😁😀

Tuesday, November 22, 2016

পাগলা হাওয়া খা

বাঙালি সব সময় একটু 
হিসেবি আর কিপ্টেমিপনা করে, তার একটু নমুনা।
Takai Kto GB Chip Ache - Valobasa
 এক লোক একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা।
১ম দরজায় লেখা: বাঙালি খাবার,
২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার,
৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।
লোকটি তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলেন। 
সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে গিয়ে খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন? 
লোকটি রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই ‘এখানেই খাবেন?’  লেখা দরজায় ঢুকলেন। 
সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি।
১ম দরজায় লেখা: এসি;
২য় দরজায় লেখা: নন এসি। লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন?
২য় দরজায় লেখা:  বাকিতে খাবেন?  
লোকটি ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয়, তাই তিনি ‘বাকিতে খাবেন?’
লেখা দরজাটা খুললেন।   
খুলতেই নিজেকে দেখতে পেলেন তিনি রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন..!!
আর বাইরে একটা দেয়ালে লেখা  " পাগলা হাওয়া খা " 😃😃😃

Sunday, November 20, 2016

লাইন দাড়াও

এখন লাইন ছাড়া কথা নেই।
চলুন লাইন দাঁড়ায়।
Somporko - Valobasa
এক সুন্দরী বিবাহিতা মহিলার কঠিন অসুখ হয়েছিল।  
বহু ডাক্তারের কাছে তিনি দেখিয়েছেন, কেউই তাঁর রোগ সারাতে পারেনি। 
অবশেষে এক মধ্যবয়স্ক ডাক্তারের কাছে তিনি গেলেন। 
ডাক্তার অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে বললেন, "এই রোগ আমি দুদিনে সারিয়ে দেব, আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন"। 
সেই মহিলা বললেন, "আপনি যদি আমার এই রোগ সারিয়ে দিতে পারেন, তাহলে আপনি যা চাইবেন, আমি তাই দেব"। 
ডাক্তার:- "আপনি ভেবে বলছেন তো?" 
মহিলা:- "হ্যাঁ, ভেবেচিন্তেই বলছি"। 
এরপর সেই ডাক্তারের দেওয়া ওষুধে মহিলাটির রোগ সম্পূর্ণ সেরে গেল।  
মহিলা তো মহাখুশি। 
ডাক্তারকে বললেন, "বলুন আপনার কী চাই?" 
ডাক্তার:- "আপনার একটা রাত শুধু আমাকে দিতে হবে"।  
মহিলা:- "আমার এই অসহায়তার এত বড় সুযোগ নিলেন?" 
ডাক্তার:- "আপনি তখন ভেবেচিন্তেই এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, এখন আর এবিষয়ে আলোচনা হবে না। আজ রাত দুটোয় আমার বাড়ি চলে আসবেন। আমি অপেক্ষায় থাকব"।  
মহিলা আর কী করেন, রাত্রিবেলা স্বামীকে না জানিয়ে ডাক্তারের বাড়ি উপস্থিত হলেন।  
ডাক্তার বললেন, "আমার সাথে গাড়িতে উঠুন"। 
মহিলা বাধ্য হয়ে গাড়িতে উঠলেন। ডাক্তার একটা চেয়ার গাড়িতে তুললেন। 
তারপর নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করতে লাগলেন। 
মহিলা ভয় পেলেও কিছু বললেন না। 
একটা নির্জন জায়গায় পৌঁছে গাড়ি থামিয়ে ডাক্তার বললেন, 'নামুন"। 
মহিলা ভয়ে ভয়ে গাড়ি থেকে নামলেন। 
ডাক্তার বললেন, "সামনের ওই ব্যাঙ্কের সামনে চেয়ারে বসে থাকুন। 
সারারাত আমার লাইন রাখবেন। 
কাল সকাল সাড়ে ৯টায় আমি আসব"।