Saturday, April 15, 2017

শুভ নববর্ষ

শুভ নববর্ষ
সবাইকে  নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। 
আর একটা কথা, এর আগের লেখাটা না পড়ে থাকলে, পড়ে নিন, অনেক ভালো লেখাটা। 
Esho He Boishakh - Bhalobasa.com

বর্ষশেষের বিদায় মালা
   কেমন করে খুলি ?
বছর ভরা অনেক স্মৃতি
    কেমন করে ভুলি ?

যা পেয়েছি সারা বছর
   আঁকড়ে ধরেছি,
ভাল মন্দ সব কিছুকে
   হৃদয়ে ভরেছি।

বিশ্লেষনে দুঃখ বাড়ে
    উদাস থেকেছি,
অন্ধকারকে সরিয়ে দিয়ে
      স্বপ্ন গড়েছি।

সবার স্বপ্ন সজীব থাকুক
   নববর্ষের কোলে,
সবাই যেন সুখের আলোয়
    খুশীর হাওয়ায় দোলে।

Thursday, April 13, 2017

সৎমা কোনো নির্দিষ্ট শব্দ নয়

এই লেখাটা সবাই পড়বেন অবশ্যই।
সত্যি খুব ভালো লাগলো, আপনারও ভালো লাগবে আশা করি।
Mom - Baby Lovly Pic - Valobasa.com
ঘরের একটা কোনে চুপটি করে দাঁড়িয়ে আছে রোহিনী।
বছর সাতের রোহিনী ,ভয়ে জড়োসড়ো, একটা নতুন অপরিচিত মানুষ হঠাৎ তাদের বাড়িতে এসে ঢুকলো।
রোহিনীর বাবার নতুন বউ। রাঙা দিদা বলেছে ,নতুন মা বলতে।
রোহিনী বলেছিলো, আন্টি বললে হয় না?
মায়ের ছবিটা চোখের সামনে এখনো ভাসছে। 
মাত্র বছর খানেক হলো কিডনি অকেজো হয়ে মা চলে গেলো রোহিনীকে ছেড়ে।
রোহিনী তো ভীষণ শান্ত তবুও যে কেন বাবা রোহিনীকে সামলাতে পারছে না বলে একটা নতুন মা নিয়ে এলো কে জানে!! 
এই মায়ের নাম নাকি নিবেদিতা। বেশ মিষ্টি মিষ্টি দেখতে ,ফর্সা ,রোহিনীর মত কালো নয়। 
রোহিনীকে নাকি আর বাবা ভালোবাসবে না, নতুন মাকে নাকি সৎ মা বলে, সে তো রোহিনীকে খেতেও দেবে না। পাশের বাড়ির আন্টিরা বলেছে। ভীষণ ভয় করছে রোহিনীর।

সোফায় বসেই নতুন মা রোহিনীকে ডাকলো, রোহিনী জড়সড় হয়ে গিয়ে বলল, আমি তোমাকে আমার সব টেডি দিয়ে দেব, প্লিজ আমাকে মেরো না। 
নতুন মা বললেন, ওসব কথা পরে হবে এখন তুমি আমাকে কি বলে ডাকবে বলো তো?
রোহিনী বললো, আন্টি বলবো না, নতুন মা বলবো,তাহলে...
কথা শেষ না হতে দিয়েই উনি রোহিনীকে কোলের কাছে বসিয়ে বললেন, ঐ যে ছবিটা দেখছো ওটা তোমার মা। 
আমি তোমার একটা বন্ধু। তুমি আমাকে নিনি ডেকো, ওটা আমার ডাকনাম।
আরেকটা কথা আমি ঐ তুলোর কথা না বলা টেডি পছন্দ করি না, আমার এইরকম চোখ নাক নড়ছে, মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা টেডিই পছন্দ, আমার এটাকে চাই। বলেই রোহিনীর গলায় কাতুকুতু দিতে লাগলো।

তারমানে বাবা রোহিনী একা থাকে বলে রোহিনীর জন্য একটা বন্ধু এনেছে, সৎ মা নয়...
বন্ধ নিঃশ্বাসটা একটু একটু করে বেরিয়ে গেলো রোহিনীর। 
নিনি বেশ ম্যাজিক জানে....দশ মিনিটের মধ্যেই ওর পছন্দের এগ টোস্ট বানিয়ে দিলো। রাত্রিবেলা রোহিনী ভয় পাবে বলে নিনি রোহিনীর পাশেই ঘুমোতো।
যেদিন স্কুলের স্পোর্টসে রোহিনী হেরে গিয়েছিলো, খুব কাঁদছিলো, সেদিন ওর নিজের সেই চুলে ঝোটকন বাঁধা ছবিটা দেওয়া একটা কফি মগ  নিনি ওকে প্রাইজ দিয়েছিলো। বলেছিলো, হেরে যাওয়া আছে  বলেই না জয়ের আনন্দ আছে। তাই হেরে যাওয়াকেও সেলিব্রেট করো। 
Mom Dressing Her Baby - Valobasa.com


তারপর কবে যেন রোহিনী বড় হয়ে গেছে, কিন্তু নিনি কোনোদিন মা হয়নি। রোহিনী এখন কলেজের স্টুডেন্ট, নিনির সাথে একই বিছানায় শোয় না। নিনিও বাবার ঘরে ঘুমায় না, ও বাবার স্টাডির ছোট্ট ডিভানে ঘুমোয়।

মাঝে মাঝে নিনিকে মা বলে ডাকতে ইচ্ছে করে রোহিনীর কিন্তু এতো বছরের অনভ্যাসে, সংকোচ কাটিয়ে ডাকা হয়ে ওঠেনি।
রোহিনীর খুব ইচ্ছে ফিল্ম মেকিং নিয়ে পড়ার, পুনেতে গিয়ে থাকতে হবে শুনেই রোহিনীর বাবা এক বাক্যে না করে দিয়েছে। এখন একমাত্র ভরসা নিনি। 
রোহিনী অপেক্ষা করছিল নিনির ঘরে, নিনি বোধহয় বাথরুমে ঢুকেছে।  ভিজে কাপড়েই নিনি ঘরে ঢুকলো। রোহিনী অবাক হয়ে দেখছিল, দুধে আলতা গায়ের রঙে আকাশনীল ভিজে কাপড়টা কি অদ্ভুত ভাবে নিনির শরীরের মধ্য যৌবন ফুটিয়ে তুলেছে। 
হঠাৎ রোহিনীর মনে একটা প্রশ্ন জাগলো! আচ্ছা নিনি আর বাবাকে তো কোনোদিন কোনো অন্তরঙ্গ মুহূর্তে দেখেনি  সেই ছোট্ট থেকে।রোহিনীর ছোট বেলায় নিনি ঘুমোতো ওর ঘরে এখন বাবার স্টাডিতে।বাকি সময় হয় রান্না ঘর নয় ডাইনিংয়ের টিভির সামনে তাহলে নিনির সাথে কি বাবার কোনো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নেই?

নিনির আদরের মধ্যেও এমন একটা গাম্ভীর্য আছে যেটার জন্য রোহিনী কিছুতেই প্রশ্নটা করে উঠতে পারে না।

নিনি রোহিনীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, মনের ভিতরের কথাটা মনে চেপে না রেখে বলে ফেলাই উচিত। রোহিনী লজ্জা পেয়ে বললো, আমি পুনেতে গিয়ে পড়তে চাই বাবাকে রাজি করানোর দায়িত্ব তোমার। 

নিনি যেন চমকে উঠলো, অথচ এর আগে রোহিনীর খেলনার বায়না, চকলেটের বায়না, পোশাকের বায়না  সবই তো বাবাকে বলে নিনিই সামলেছে, আজ কেন নিনি এতটা ফ্যাকাসে হয়ে গেলো?

রোহিনীর মাথায় আস্তে আস্তে সেই ছোটবেলার মতো হাত বোলাতে বোলাতে নিনি বললো, রোহিনী আমার বোধহয় এতটা অধিকার নেই। তুমি ফিল্ম মেকিং নিয়ে ডিগ্রি কোর্স করার জন্য পুনে যেতে চাও সেটাতে তো তোমার বাবার আপত্তি আছে। অন্য মায়ের মতো সন্তানের ওপর অধিকার তো আমার নেই তাই, রোহিনী অবাক হয়ে দেখছে অন্য এক নিনিকে। যে খুব কষ্ট করে কান্নাগুলোকে গলার মধ্যে গিলে নিচ্ছে। রোহিনী ,তুমি বড় হয়েছ সত্যিটা জানানোর সময় এবার এসেছে ....।
আমি ছিলাম তোমার বাবার অফিসের পি.এ। আমার সৎ মা আমাকে একটা খারাপ পাড়ায় বিক্রি করে দিচ্ছিল, সেই অবস্থায় আমি খুব বিপদে পড়ে তোমার বাবার কাছে সাহায্য চাই। উনি তোমার দেখাশোনার জন্য গভর্নেস হিসেবে আমাকে নিযুক্ত করেন কিন্তু আমরা রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করি শুধু সমাজের ভয়ে। এক বাড়িতে থাকবো কোনো পরিচয় ছাড়াই তা হয়না। 
রোহিনীর এই প্রথম মনে হলো নিনি নয়, নতুন মা নয়, শুধু মা বলে ডাকা উচিত নিনিকে। 
রোহিনী গলাটা জড়িয়ে ধরে মা বলে ডেকে উঠলো নিবেদিতাকে। 
নিবেদিতা যেন সর্বস্ব দিয়ে আগলে ধরলো রোহিনীকে। 

মায়ের ছোঁয়ায় কোথাও সৎ মায়ের স্পর্শ ছিল না। সেই তেরো বছর  আগের এক রাতের কথা মনে পড়ে গেলো রোহিনীর....।

জ্বরে রোহিনীর গা পুড়ে যাচ্ছে। চোখ মেলে দেখলো একটা ঠান্ডা হাত ওর কপালে, আর দুটো রক্তিম নির্ঘুম চোখ ওর মুখের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে। 

সেদিনও নিনির ছোঁয়াটা ঠিক আজকের মতোই ছিল তারমানে এই তেরো বছরে রোহিনী বদলেছে কিন্তু নিনি বদলায়নি একটুও। তারমানে সত্যিই সৎ মা বলে নির্দিষ্ট কোনো শব্দ হয় না। ভালোবাসা থাকলে মা হয়ে উঠতে দেরি হয়না। আর বন্ধনহীন সম্পর্ক যতই নাড়ি ছেড়া হোক সেটা দূরে যেতেও সময় লাগে না। 
Mom and Baby Playing - Valobasa.com
রোহিনীর বাবা রাধাকান্ত সরকার আজ একটু তাড়াতাড়ি অফিস থেকে ফিরে এসে দেখলেন, নিবেদিতার কোলে রোহিনী শুয়ে আছে আর নিবেদিতা ওর চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে। ওকে দেখেও মা মেয়ের কারোর নিজেদের সুখানুভুতি থেকে  একটুও সরতে ইচ্ছে করছে না সেটা ওদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে। রাধাকান্তর সত্যিই মাঝে মাঝে অবাক লাগে নিবেদিতাকে দেখে, সেই যে কথা দিয়েছিলো শুধুই রোহিনীর মা হবার চেষ্টা করবে বাড়ির গৃহিণী নয়, সে কথার মর্যাদা ও রেখেছে। 

রোহিনী ডেকে উঠলো,বাবা! 
আমার একটা অনুরোধ তোমায় রাখতে হবে। আজ থেকে তোমার বেডরুমটা মায়ের হবে, মা আর স্টাডিতে শোবে না। 
নিবেদিতা রোহিনীর মুখে হাত চাপা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করছে। রাধাকান্ত অবাক!!
রোহিনী কোনোদিন ওর সামনে দাঁড়িয়ে এভাবে কথা বলেনি, আজ হঠাৎ কি হলো?
রাধাকান্ত বললো, আমি তোমার মাকে বলিনি কোনোদিন আমার ঘরে ঢোকা তার বারণ আছে। সে যেকোনো সময় এই বাড়ির যেকোনো ঘরে যেতেই পারে, তার সে অধিকার আছে। 

নিবেদিতা আবার মনে মনে প্রণাম করলো ভগবানের মত মানুষটাকে।মারা যাবার আগে নিশ্চয় স্ত্রীর পরিচয়ে তার বুকে একবার মাথা রাখবেই নিবেদিতা।

রোহিনীর পাগলামি মাত্রা ছাড়িয়েছে। নিবেদিতার কোনো কথাই সে শুনছে না আজ, কিছু বারণ করতে গেলেই বলছে তাহলে কিন্তু জলে ভিজে ঠান্ডা লাগবো। রোহিনীর জলে ভিজলেই জ্বর আসে নিবেদিতা তাই ওই ব্যাপারে খুব সাবধানে রেখেছে মেয়েকে। 
গতকাল থেকে আর একবারও রোহিনী নিনি বলে ডাকেনি।
কারণে অকারণে মা বলে ডেকে চলেছে। ভালোলাগায় শিউরে উঠেছে নিবেদিতা কিন্তু রোহিনী এখন যেটা শুরু করেছে সেটা তো মানা যায় না!!
Maa R Meyer Bhalobasa

নিবেদিতার সমস্ত শাড়ি, জিনিসপত্র সব এনে বাবার আলমারিতে বাবার জামা কাপড়ের পাশে সাজিয়ে রাখছে। 
লজ্জায় মরে যাচ্ছে নিবেদিতা। রাধাকান্ত বাবু মেয়ের কান্ড দেখে মুচকি মুচকি হাসছেন।

রাতে জোর করে নিবেদিতাকে বাবার ঘরে পাঠিয়ে দিলো রোহিনী।
ওর চোখে মুখে যেন বিশ্ব জয়ের হাসি। 
নিবেদিতা ধীর পায়ে ঘরে ঢুকছে। ৪১ বছরের নিবেদিতা যেন নববধূ এতটা সংকোচে সে আর কখনো পড়েনি।
রাধাকান্ত বাবু হাত ধরে নিবেদিতাকে পাশে বসালেন, ধীরে ধীরে বললেন, একটা জীবন চালানোর জন্য স্ত্রীর থেকেও বেশি দরকার হয় একজন বন্ধুর। যে মনের কাছাকাছি থাকবে, যার সাথে সুখ দুঃখের সব কথা প্রাণ খুলে বলা যাবে, কিছু কিছু সম্পর্ক থাকে যেগুলোর হয়তো সঠিক নাম নেই কিন্তু সে না হলে সব অকেজো হয়ে যায় নিমেষে, তুমিও ঠিক তেমনই আমার কাছে। নিবেদিতা চলো আমরা বন্ধু হই আজ থেকে। 

নিবেদিতা নীরবে নিজের হাতটা রাধাকান্ত বাবুর হাতের উপর আলতো করে দিয়ে নিজের সম্মতি জানালো। 
 - অর্পিতা সরকার

Thursday, March 23, 2017

বেশ্যার ছেলে কি স্কুলে যাই

আজ একটু অন্য ধারার লেখা।
তবে..., না কিছুনা, আসুন সুরু করি।
Baby With Mother - India - Valobasa
কিরে মাগী তুই নাকি আবার ছেলে টাকে মডার্ণ স্কুলে ভর্তি করেছিস? 
হাঁ বাবু ছেলে টা পড়াশোনায় খুব ভালো! 
ওই যে অপু মাস্টর আসতো আমাদের বস্তিতে পড়াতে ঔ তো বলতো মালতী তোর ছেলেটার মাথা আছে রে,ওকে ভালো করে পড়াস! 
তাই ভর্তি করলাম বাবু! 
একরাশ গর্ব যেনো মালতীর ঠোঁটে, আর না হবারই বা কি আছে ; বস্তির এই রকম শরীর বেঁচা কটা মায়ের ছেলে মর্ডান স্কুলে পড়ে? 
উফ শালা বেশ্যা মাগী তোর ছেলে শালা মর্ডান স্কুলে পড়বে ? 
শালি কোনো পার্থক্য রাখবি না নাকি ভদ্রলোকেদের সাথে, তুই জানিস শালা আমার ছেলে টাও ওই স্কুলে পড়ে একপ্রকার মারতে মারতে বলে দেবীবাবু ! 
শালী ডাক তোর ছেলেকে বলছি শালা বেশ্যার ছেলে হয়ে এতো শখ কিসের ওর, ডাক শালী তোর ছেলেকে !
মালতী দেববাবুর পায়ে ধরে কোনো রকম বোঝাতে সম্মত হয় যে যেনো ওর ছেলেকে দেবীবাবু ওর বেপারে কিছু না বলে, নাহলে ওর ছেলে যে আর সভ্য জগতে মিশতে পারবে না, তাহলে ওর পড়াশোনায় ক্ষতি হবে !! 
যাইহোক সেদিন হয়তো সামলানো গেলো দেবীবাবুকে এই মর্মে যে আজ তাকে বিনি পয়সায় শরীর দিতে হবে ! 
বেশ্যা তো ! দিতে রাজি হয়ে গেলো মালতী ! 
এখন মালতী নিজের ছেলের দিকে ঠিক ঠাক তাকাতেও পারেনা লজ্জাই ! 
ছেলে ভদ্র লোকের স্কুলে পড়ে যে আর সে তো বেশ্যা, কোথাও যেনো ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিলো মালতীকে ! 
ভয় ছিলো যদি ছেলে ভদ্র হয়ে বেশ্যা মাকে ছেড়ে দেই, এই সব চিন্তা ভয় আর মর্ডান স্কুলের খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে গেছে মালতী ! 
Indian Baby With Mom -Valobasa

এভাবেই চলতে থাকে মালতীর সংসার ! 
তবে এই বেশ্যা টাকেও হয়তো সাথ দিয়েছিলো ভগবান, তার ছেলে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে যে !
আজ মালতী তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরেছে আজ ও ধান্দা করেনি, কাওকে ছুঁতেও দেইনি! 
ছেলে বাড়ি ফিরতেই মাকে জড়িয়ে ধরে বলে মা আমাদের স্কুলে কাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, তোমাকে নেমন্তন্ন করেছে, এই দেখো কার্ড ! 
তুমি যাবেনা মা ? 
নারে তোদের মস্ত স্কুল, সব বড় বড় লোক জন আমি গরীব মানুষ গিয়ে কি করবো বল?
না মা তোমাকে কাল যেতেই হবে, নাহলে আমিও যাবোন ! 
কোনো রকম জোর পূর্বক মালতী যেতে রাজি ! 
পরদিন ভোর ভোর উঠে মালতী খুঁজে রেখেছে মালতীর বরের দেওয়া প্রথম উপহারের তাঁতের শাড়ী টা, খুব আনন্দ তার আজ যে আবার সে ভদ্র লোকেদের সাথে মিশবে কিছুক্ষনের জন্য, স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রথম !
যাইহোক মর্ডান স্কুলে ছেলের সাথে মালতী, অপূর্ব অনুভূতি হচ্ছে তার,কতো লোক, ভদ্র লোক, কতো বড় বড় বেপার, কিন্তু সেই ভয় টা পিছু ছাড়েনি "ছেলে যদি বুঝে যায় আমি বেশ্যা" !
অনুষ্ঠান হলে ঢুকতেই মালতী দেখে সামনের সিটে বসে দেবীবাবু ! 
মালতী লজ্জায়, ভয়ে পিছনে গিয়ে এক সিটে মাথা নামিয়ে বসে পড়ে, পাছে দেবীবাবু যেনো দেখে না নেই, দেখলেই আজ হয়তো সব জেনে যাবে সবাই, ছেলের কাছে মালতীও আজ বেশ্যার পরিচয় পাবে হয়তো !
অনুষ্ঠান তখন শুরু হয়ে গেছে, এবার মালতীর ছেলেকে স্টেজে ডাকলো পুরস্কার নেওয়ার জন্য কিন্তু মালতীর চোখ নীচে, মুখ নীচে সে দেখবে না কারণ যদি দেবীবাবু দেখে ফেলে !
স্টেজে মালতীর ছেলে, পুরস্কার নেওয়ার পর কিছু বলার জন্য অনুরধ করলো প্রিন্সিপল মেম ! 
Mom And Son - Valobasa

"আমি দেহব্যাবসায়ির ছেলে " হাঁ মেডাম আমি গর্বিত,আমি ওনার ছেলে " গোটা ঘর নিস্তব্ধ হয়ে গেলো মালতীর ছেলের কথায়!
ওই দেখো সবাই আমার মা!!!
শেষ সিটে মাথা লুকিয়ে বসে আছে। 
মাথা তোলো মা, সবাই আজ দেখুক তোমায় তুমি আমার মা, আমি গর্বিত মা তোমার জন্য !
সেদিন যখন দেবীবাবু তোমাকে অপমান করেছিলো সেদিন আমি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব শুনেছি, সেদিনই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম মা তোমার মাথা উঁচু করবো , এটাই তোমার উপহার মা !
আজ আমি প্রথম হয়েছি এটা সাধারণ কিন্তু এক দেহব্যাবসায়ির ছেলে প্রথম এটাই অসাধরণ কিছু মা ! মালতীর চোখে আনন্দ অশ্রু, সেও আজ গর্বিত, এখন তার লজ্জা নেই, নেই ভয় !
সমগ্র ঘর শুনে যাচ্ছিলো সেদিন এক বেশ্যার ছেলের চিত্কার !!!

Thursday, March 9, 2017

ডাক্তারি ভালোবাসা

বড্ডো খারাপ লাগে কারন আপনাদের জন্য কিছু পোস্ট করাই হয়না।
আর যদিও করা হয় তা খুব একটা ভালো কিছু হয়না।
আজ আর একবার কিছু অগোছালো কথা আপনাদের জন্য।
Daktari Bhalobasa - Valobasa
"তুমি আমার সারা জীবনের ভালোলাগা হইও না ...
বরং, "ভাল্লাগেনা" রোগের ডাক্তার হয়ে যেও !!
মাঝে মাঝে ইনজেকশনের তীক্ষ্ণ সূচের মত এক চিমটি ব্যথা দিও ... দাঁতে দাঁত চেপে ঠিকই সয়ে নেবো !!
কিংবা তেতো ওষুধের মত এক চামচ বিষণ্ণতার স্বাদ দিও ... একটুখানি চোখ মুখ কুঁচকে আবার ঠিকই মুচকি হাসি দেবো !!
হোক না তোমার মনের ভাষা দুর্বোধ্য কোন প্রেসক্রিপশন এর মতই।
ঠিকই আমি বুঝে নেবো !!
স্টেথোস্কোপ লাগবে না, বুকের ভেতরের ধকধক আওয়াজটুকু স্টেথোস্কোপ ছাড়াই স্পষ্ট শুনিয়ে দেবো !!
তুমি শুধু রোগ সারাতে এসো... 
এক মুঠো না, এক চিমটি ভালোবেসো !!"

Saturday, February 25, 2017

সে তো বুঝলোনা

ভালোবাসা যে কি তা কেউ বলে বোঝাতে পারে না।
মন দিয়ে সবাই আবার সেটা বুঝতে পারে!
Love Love Love - Valobasa

বার বার রাগ করে তোমার সাথে কথা বলা থামিয়ে দিই...
আবার বার বার ফিরে আসি তোমার কাছে।
কিন্তু আমার বারবার এই ফিরে আসার পিছনে একটা কারন রয়েছে, 
আর কারনটা হল আমি তোমাকে কখনো হারাতে চাই না। 
জানি তুমি একজন কে খুব ভালোবাসো। 
আর হয়ত সে সব দিক থেকেই আমার চেয়ে ভালো......।
তাছাড়া আমিও চাই যে, তুমি যেন তাকে পেয়ে অনেক অনেক ভালো থাকো।
তাই আমিও আর কখনো আমার ভালো লাগার কথা তোমাকে বলিনি, কারন আমার ভয় হয় যদি তুমি আমাকে উওরে ''না, বলে আমাদের বন্ধুত্বটাও ভেঙে দাও! 
তাহলে আমি কি করে থাকব.....!!! 
আর তুমিও এই স্বার্থপর দুনিয়ার এমন এক স্বার্থপর মানুষ যে সবসময় তোমার নিজের কথাই ভেবেছ।
তোমার সাথে আমার কাটানো এতটা সময়, এত কথায়ও কখনো আমার মনের কথা বুঝতে পারলে না!!! 
I will not miss you - valobasa

Monday, February 20, 2017

বোল্টূ চাকরি পেয়েছে

বোল্টু চাকরি পেয়ে গেলে কি হতে পারে!!
ভাবতে পারছেন??
থাক আপনাকে ভাবতে হবেনা কষ্ট করে। আমিই বলছি।
All Girls Are Angel On Facebook - Valobasa
বল্টু এক অফিসের ম্যানেজার পদে চাকরি পেল। :-D
তো, বল্টু চাকরিতে জয়েন করার পরই কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসা শূরু করল। 
কেউ লেট করেনা।
তাই দেখে অফিসের এম.ডি একদিন বল্টুকে বললঃ ঘটনা কি?
আগেতো কেউই সময় মতো অফিসে আসতোনা! 
আপনাকে ম্যানেজার করার পর থেকেই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে। 
আপনি কি জাদু জানেন নাকি?? ;-)
বল্টুঃ না স্যার, জাদু-টাদু কিছুনা। 
আসলে,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমি অফিস থেকে একটা চেয়ার বিক্রি করে ফেলেছি আর বলেছি যে সবার পরে আসবে, 
তাকে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে তাই সবাই টাইমের আগেই চলে আসে_____।।।। :D :D 

Sunday, January 29, 2017

ভালোবাসার গল্প , পাশে থাকার গল্প

আজ আপনাদেরকে,
একটা ভালোবাসার গল্প, একটা পাশে থাকার গল্প শোনাবো।
Maa - The Best and Funny Alarm Clock

একবার একটা লঞ্চ দূর্ঘটনায় পড়লো।
লঞ্চের এক দম্পত্তি একটা লাইফবোট পেল।
কিন্তু স্বামীটা বুঝে ফেললো সেখানে একজনের বেশি উঠতে পারবে না।
লোকটা তার স্ত্রীকে আটকে রেখে নিজে লাফ দিয়ে বোটে লাফিয়ে উঠে পড়লো।
ডুবন্ত লঞ্চে দাঁড়িয়ে থেকে মহিলা স্বামীর উদ্দেশ্যে একটাই মাত্র বাক্য চিৎকার করে বলেছিলো।
শিক্ষক এটুকু বলে থামলেন,
চারদিকে তাকিয়ে ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া বুঝতে চাইলেন, 
“তোমাদের কি মনে হয়? 
কি বলেছিলো মহিলা!?”-
“তুমি একটা ইতর, আমি কি অন্ধই না ছিলাম!” 
অধিকাংশ  ছাত্রই এ ধরনের জবাব দিলো।
শিক্ষক খেয়াল করলেন একটা ছেলে পুরোটা সময় ধরেই চুপ, 
তার মতামত জানতে চাইলে সে বললো,
“স্যার, আমার বিশ্বাস, মহিলাটি বলেছিল, আমাদের বাচ্চাটার যত্ন নিও, ওকে দেখে রেখ।”
বিস্মিত হয়ে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, 
“তুমি এই গল্প আগে শুনেছ, তাই না!”
ছেলেটি মাথা নেড়ে জবাব দিলো, “ আমার মা-ও অসুখে মারা যাওয়ার পূর্বমূহূর্তে বাবাকে একথাই বলেছিলো।”
শিক্ষক একমত হলেন, তুমিই ঠিক।
লঞ্চটা ডুবে গেলো এবং বাড়ি ফিরে লোকটা একাকী মেয়েকে যত্ন করে বড় করলো।
লোকটি মারা যাওয়ার বেশ কয়েক বছর পরে তাদের কন্যা বাবার একটি ডায়েরী পেল।
সেখানে সে আবিষ্কার করলো, 
লঞ্চযাত্রায় যাওয়ার আগেই মায়ের দুরারোগ্য অসুখ ধরা পড়েছিলো, 
চরম মূহূর্তে তার বাবা তাই বাঁচার একমাত্র উপায়ের সদ্ব্যবহার করেছে।
ডায়েরীতে তার বাবা লিখেছে, 
“আমারও তোমার সাথে সাগরের তলে ডুবে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিলো, 
কিন্তু শুধু মেয়ের কথা ভেবে তোমাকে একাই সাগর তলে চিরদিনের জন্য ছেড়ে আসতে হলো।”
গল্প শেষ হলো, ক্লাস একদম চুপ।
শিক্ষক বুঝলেন, ছাত্রেরা গল্পের শিক্ষাটা ধরতে পেরেছে।
ভালো এবং মন্দ, পৃথিবীর সব কিছুর পেছনেই অনেক জটিলতা আছে যা সব সময় বোঝা যায় না।
আমাদের কখনোই শুধুমাত্র উপরের তল দেখেই যাচাই করা উচিত না। 
অন্যকে না বুঝেই বিচার করে ফেলাটা বেশ বোকামি।
যারা খাবারের বিলটা সবসময়ই নিজে দিতে চায়, তার মানে এই নয় যে তার টাকা উপচে পড়ছে, 
এর কারন সে টাকার চেয়ে বন্ধুত্বকে বড় করে দেখে।
যারা আগে ভাগেই কাজ করে ফেলে, 
এর মানে সে বোকা না, আসলে তার দায়িত্বজ্ঞান রয়েছে।
যারা ঝগড়া বা বাকবিতন্ডার পরে আগে মাফ চেয়ে নেয়, 
সেই ভুল ছিলো এমনটা নয়, বরঞ্চ সে চারপাশের মানুষকে মূল্যায়ন করে।
তোমাকে যে সাহায্য করতে চায় সে তোমার কাছে কোন কিছু আশা করে না, বরং একজন প্রকৃত বন্ধু মনে করে।
কেউ আপনাকে প্রায়ই টেক্সট করে তার মানে এটা নয় যে তার কোন কাজ নেই, 
আসলে আপনাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে।
একদিন আমরা একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো, 
কিন্তু আমাদের আচরণ ও ভালোবাসাগুলো মানুষের হৃদয়ে থেকে যাবে। 
কেউ না কেউ স্মরণ করবে।
নতুন বছরের মূল্যায়ন এই রকমই হোক।
শুভ হোক নতুন বছর সবার যারা আনন্দের আলো থেকে বঞ্চিত ছিলে। 

Friday, January 6, 2017

হ্যাপি নিউ ইয়ার

আজ একটা কবিতা শেয়ার করবো,
ফালতু কবিতা, শুধুমাত্র মজা করার জন্য।
happy new year bengali funny poem - valobasa.in
মধ্য রাতে ওত পেতে রই
ফসকে গেলেই কেলো
ঠিক বারোটাই চিল চিৎকার
নতূন বছর এলো.....

দুমদুমিয়ে পটকা ফাটে
পর্দা কাঁপে কানে
নরম কোনো শব্দ তো নেই
খুশির অভিধানে.....

মেদ জমেছে মধ্যদেশে
নাচতে হবেই তবু
তাল কেটে তা বেতাল হলে
দোষ নিয়ো না প্রভু.....

কেক কেটেছি সবাই মিলে
মেখেছি সব মুখে
ও সব তো খায় হাভাতেরা
অথবা উজবুকে.....

আমরা বাবা সাহেবসুবো
রোদ্দুরেতে কালো
ইংরিজিতে ভুল ধরলে পরে
ধুসস বয়েই গেলো.....

 দুর্গাপূজাও হ্যাপ্পী এখন
এটাই যুগের কেতা
পয়লা বোশেখ নতূন বছর
নিছক আদিখ্যেতা.....

উৎসব তো ক্ষণিক থাকে
এনজয় মাই ডিয়ার
এসো সবাই তুমুল চেঁচাই
হ্যাপ্পী নিউ ইয়া..................র।

Friday, December 23, 2016

সাধু বাবার অভিশাপ

শুধু টাইটেল দেখলে হবেনা।
ক্যাটাগরিটা কিন্তু রয়েছে 'মজার গল্প' তে।
তারমানে আজও আপনাদের জন্য মজার গল্প নিয়ে এসেছি।
Ma Amar Kon Hat Ta Boro -Valobasa
এক সাধু বাবা এক অনুষ্ঠানে পৌছাতেই তাকে নিয়ে সকলে হাসি ঠাট্টা করতে শুরু করলো।
সাধু বাবা বললেন, আমি সাধু-ফকির মানুষ, আমার সাথে যদি এরকম ঠাট্টা তামাশা করো তাহলে আমার অভিশাপে তোমরা সব কাণা-অন্ধ হয়ে যাবে।
সবাই আরো জোরে জোরে হাসতে লাগলো।

একটু পরেই দেখা গেলো কেউ আর চোখে দেখতে পাচ্ছে না। 
সবাই গিয়ে সাধু বাবার পায়ে গিয়ে পড়লো আর বলতে লাগলো, "বাবা আমরা পাপী, আমরা অবুঝ, আমাদেরকে ক্ষমা করো বাবা"!

সাধু বাবা তখন তার জুতো খুলে সবাইকে মারতে লাগলো।
আর বলতে লাগলো- "সালা, লাইট চলে গেছে।
কেউ জেনারেটর অন কর, আমিও কিছু দেখতে পাচ্ছি না"|

Sunday, December 4, 2016

উল্টো রাজার দেশ

আবার মজা!!
কেউ পার্সোনালি নেবেন না প্লিজ।
Govt and Officers - Valobasa
গ্রামের একটি স্কুল ....

• পরিদর্শকঃ- আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি কে?
• লেবুঃ- নরেন্দ্র মুদি, স্যার!
• পরিদর্শকঃ- আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করছি প্রেসিডেন্ট কে?
• লেবুঃ- ইয়ে মানে প্রেসিডেন্ট,স্যার, মমতা ব্যাণার্জী, স্যার।
• পরিদর্শকঃ- তুই ক্লাস এইটে উঠলি কীভাবে? আমি তোর নাম কেটে দেবো!
• লেবুঃ- আমার তো স্কুলের খাতায় নামই নেই, আপনি কাটবেন কি!
• পরিদর্শকঃ- তার মানে?
• লেবুঃ- আমি স্কুলের মাঠে ছাগল চরাচ্ছিলাম, এক জন স্যার বলল, তোকে কুড়ি টাকা দেবো, তুই ক্লাসে বসবি!
• পরিদর্শকঃ- (খুব রেগে) ছিঃ মাস্টার মশাই! আপনাদের লজ্জা করে না? শিক্ষা নিয়ে ব্যাবসা! আমি আপনার চাকরি খেয়ে ফেলবো!
• শিক্ষকঃ- কাকে ভয় দেখান! আমি মাস্টার না, সামনে মুদি দোকানটা আমার। মাস্টার সাহেব আমাকে বলল, শহর থেকে এক বেটা আসবে, আমি একটু হাটে গেলাম, তুই একটু ক্লাস ঘরে বসে থাকবি!
• পরিদর্শকঃ- (ভীষণ রেগে, উনি গেলেন হেড স্যারের রুমে) আপনি হেড স্যার?
• প্রধান শিক্ষকঃ- আজ্ঞে! কোন সমস্যা?
• পরিদর্শকঃ- আপনাদের লজ্জা করে না, নকল ছাত্র-শিক্ষক দিয়ে ক্লাস চালান!?
• প্রধান শিক্ষকঃ- দেখুন,আমার মামা এই স্কুলের হেড স্যার, উনি জমি বেচা-কেনার দালালি করেন।বর্তমানে কাস্টমার নিয়ে অন্য গ্রামে গেছেন! আমাকে বলে গেছেন, ইন্সপেক্টার এলে, তার হাতে এই দু হাজার টাকার বান্ডিলটা দিয়ে দিস!
• পরিদর্শকঃ- এই যাত্রায় আপনারাও বেঁচে গেলেন। আসলে আমার মামা ইন্সপেক্টর, ঠিকাদারির কাজও করেন। টেন্ডার সাবমিট করতে কোলকাতা কর্পোরেশনে গেছেন! আমাকে বললেন, তুই আমার হয়ে পরিদর্শন করে আয়! 😀😁😀