Tuesday, November 22, 2016

পাগলা হাওয়া খা

বাঙালি সব সময় একটু 
হিসেবি আর কিপ্টেমিপনা করে, তার একটু নমুনা।
Takai Kto GB Chip Ache - Valobasa
 এক লোক একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা।
১ম দরজায় লেখা: বাঙালি খাবার,
২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার,
৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।
লোকটি তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলেন। 
সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে গিয়ে খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন? 
লোকটি রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই ‘এখানেই খাবেন?’  লেখা দরজায় ঢুকলেন। 
সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি।
১ম দরজায় লেখা: এসি;
২য় দরজায় লেখা: নন এসি। লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন?
২য় দরজায় লেখা:  বাকিতে খাবেন?  
লোকটি ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয়, তাই তিনি ‘বাকিতে খাবেন?’
লেখা দরজাটা খুললেন।   
খুলতেই নিজেকে দেখতে পেলেন তিনি রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন..!!
আর বাইরে একটা দেয়ালে লেখা  " পাগলা হাওয়া খা " 😃😃😃

Sunday, November 20, 2016

লাইন দাড়াও

এখন লাইন ছাড়া কথা নেই।
চলুন লাইন দাঁড়ায়।
Somporko - Valobasa
এক সুন্দরী বিবাহিতা মহিলার কঠিন অসুখ হয়েছিল।  
বহু ডাক্তারের কাছে তিনি দেখিয়েছেন, কেউই তাঁর রোগ সারাতে পারেনি। 
অবশেষে এক মধ্যবয়স্ক ডাক্তারের কাছে তিনি গেলেন। 
ডাক্তার অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে বললেন, "এই রোগ আমি দুদিনে সারিয়ে দেব, আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন"। 
সেই মহিলা বললেন, "আপনি যদি আমার এই রোগ সারিয়ে দিতে পারেন, তাহলে আপনি যা চাইবেন, আমি তাই দেব"। 
ডাক্তার:- "আপনি ভেবে বলছেন তো?" 
মহিলা:- "হ্যাঁ, ভেবেচিন্তেই বলছি"। 
এরপর সেই ডাক্তারের দেওয়া ওষুধে মহিলাটির রোগ সম্পূর্ণ সেরে গেল।  
মহিলা তো মহাখুশি। 
ডাক্তারকে বললেন, "বলুন আপনার কী চাই?" 
ডাক্তার:- "আপনার একটা রাত শুধু আমাকে দিতে হবে"।  
মহিলা:- "আমার এই অসহায়তার এত বড় সুযোগ নিলেন?" 
ডাক্তার:- "আপনি তখন ভেবেচিন্তেই এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, এখন আর এবিষয়ে আলোচনা হবে না। আজ রাত দুটোয় আমার বাড়ি চলে আসবেন। আমি অপেক্ষায় থাকব"।  
মহিলা আর কী করেন, রাত্রিবেলা স্বামীকে না জানিয়ে ডাক্তারের বাড়ি উপস্থিত হলেন।  
ডাক্তার বললেন, "আমার সাথে গাড়িতে উঠুন"। 
মহিলা বাধ্য হয়ে গাড়িতে উঠলেন। ডাক্তার একটা চেয়ার গাড়িতে তুললেন। 
তারপর নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করতে লাগলেন। 
মহিলা ভয় পেলেও কিছু বললেন না। 
একটা নির্জন জায়গায় পৌঁছে গাড়ি থামিয়ে ডাক্তার বললেন, 'নামুন"। 
মহিলা ভয়ে ভয়ে গাড়ি থেকে নামলেন। 
ডাক্তার বললেন, "সামনের ওই ব্যাঙ্কের সামনে চেয়ারে বসে থাকুন। 
সারারাত আমার লাইন রাখবেন। 
কাল সকাল সাড়ে ৯টায় আমি আসব"। 

Monday, November 14, 2016

আলস্যের চুড়ান্ত পর্যায়

ব্যাঙ্কে টাকা জমা দেওয়া 
এখন জে কত কষ্টকর যে গিয়েছে, সেই বুঝবে।
Funny Jokes Photo - Valobasa
রাজু খুব কুড়ে।
এত কুড়ে, এত কুড়ে যে.... কি আর বলব, কত কুড়ে।
সারাটা দিন শুধু কম্পিউটারের সামনে বসে...💻 না না শুয়ে শুয়ে সময় কাটানো।

একদিন রাজুর বাবা রাজু কে বলল... "শোন রাজু, এই নে চার হাজার টাকা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করে দিবি।
রাজু তো পড়ল মহা সমস্যায়... 😳😟😳

ব্যাঙ্কে যাবার কষ্ট সে তো করবে না, আবার টাকাটা নিজের কাছে রাখার সাহসও পাচ্ছেনা,  পাছে খরচ হয়ে যায়। 😖😫😩
কি করা যায়? কি করা যায়?

সুন্দর একটা আইডিয়া খেলে গেল রাজুর মাথায়। 😇😇

ফ্লিপকার্টে সে ৩৯৯৯ টাকা দামের একটা ঘড়ি ⌚ Cash on Delivery তে অর্ডার দিয়ে দিল।

দু দিন পর ক্যুরিয়ার বয় এসে রাজুকে তার পার্সেল 📦 দিয়ে ৩৯৯৯ টাকা নিয়ে গেল।

পার্সেল পাবার কিছুক্ষণ পরেই সে ফ্লিপকার্টের সাইটে 🏪 গিয়ে অর্ডার রিটার্ন  করবে বলল।
পরের দিন ক্যুরিয়ার বয় এসে পার্সেলটি 📦 নিয়ে চলে গেল।
তার দু দিন পর ফ্লিপকার্ট থেকে রাজুকে ফোন ☎ করল।
তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার 🏦 চাইল ও তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩৯৯৯ টাকা ফেরৎ দিয়ে দিল।

ফালতু ফালতু কষ্ট করে 😓 ব্যাঙ্কে 🏦 গিয়ে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে 👫👫 টাকা জমা দেবার কোনও মানে হয়!!!
রাজু জিন্দাবাদ।।

Thursday, November 10, 2016

৫০০ - ১০০০ টাকার নোট বাতিল নিয়ে মজা

৫০০ টাকা আর ১০০০ টাকার নোট বাতিল
নিয়ে অনেকে খারাপ ভালো নানা রকমের কথা বলছেন।
আমাদের ওসব নিয়ে মাথা বেথা নেই, কারন আমাদের টাকাই নেই, এগুলতে আমাদের লাভ লস কিছু নেই। কিন্তু একটা মজার পোস্ট পেলাম, সেটাই শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।
Shanti Nei - Valobasa.In
জেনে নিন সরকারের পরবর্তী ঘোষনা কি হবে ...

১) আজ রাত ১২টা থেকে আগের সব বিয়ে বাতিল। 
       পুরানো  বৌরা কাল থেকে অচল। 

২) যাদের কাছে পুরানো বৌ আছে তা ৩০শে ডিসেম্বরের মধ্যে কোর্ট থেকে বদল করে নিতে হবে।

৩) আগামী দুই দিন সব কালীবাড়ি, ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিস  বন্ধ থাকবে। 

৪) ২৪শে নভেম্বর অবধি প্রতিদিন দুই ঘন্টা করে নতুন বৌ এর সাথে থাকতে পারবেন।  
    পরে ধীরে ধীরে সেই সময় সীমা বাড়ানো হবে।


কেউ খারাপ ভাবে নেবেননা, এটা শুধুমাত্র মজা করার জন্য।

Monday, October 10, 2016

পাগলিটাও মা হয়েছে

আজ আপনাদের জন্য 
একটি অসাধারন কবিতা নিয়ে এসেছি।
Art of Pregnanat Women - Valobasa
পাগলিটাও মা হয়েছে
তবে বাবা হয়নি কেউ,
পাগলি বলে যায়নি ছেড়ে
প্রসব ব্যাথার ঢেউ.
পাগলিও যে নারি শরীর
বয়ে বেড়ায় তার,
ছেড়ে যায়নি মাসিক নামের
ব্যাথার অনাচার.
রাস্তায় ঘুরে কাটে দিন আর
রাস্তায় কাটে রাত,
পাগলি বলে স্বামি হয়নি
পায়নি সংসার স্বাদ.
কিভাবে সে মা হয় তবে
গর্ভে লয় সন্তান?
নাকি আবার জন্ম নিলো
যিশু ভগবান. .
পাগলি ও কি করেছিল
যৌন আহবান,
নাকি রাতের বেলা বেইশ্যা হয়ে
করল শরীর দান.
দশমাসেতে পাগলি ছিল
কত বেদনায়,
পেট বেড়েছে পোঁয়াতি সে
কিসের তাড়নায়.
ক্ষুধায় খেল আবর্জনা
কখনো না খেয়ে,
বাচ্চা পেটে ছোটাছুটি
কে দেখেছে চেয়ে,
বাচ্চা মারে পেটে লাতি
মানুষ মারে পিঠে,
হাতুড়িতে আঘাত হানে
ফাটল ধরা ইটে.
ব্যাথায় যেদিন কুকড়েছিল
কে দেখে বল কাকে,
হাউ মাউ করে কেঁদেও সে
পায়নি সাড়া ডাকে.
সেইতো বোঝে প্রসব ব্যাথা
যে হয়েছে মা,
পাগলিটাও মা হয়েছে
বাপটা কেউ না.
গাছ ফেটে যে গাছ বেরোলো
কে লুকেছে বীজ.
মেয়ে শরীর পেয়ে রাতে
কে ঢেলেছে বিষ,
জন্ম নিল যে শিশুটি
কাকে ডাকবে বাপ.
অবৈধ বলবে সবাই যারে
যে সমাজের পাপ.
পাগলি বলে দমকে বলি
এখান থেকে ফুট.
রাতের বেলা পাগলির শরীর
করে এলাম লুট,
দশটা মাসে কি খেয়েছে
রক্ত গেল কত.
কে দেখেছে দশটি মাসে
ব্যাথায় ছিল শত,
কে জানে তার শরীরটাকে
আরো কতবার.
চুষে খেয়ে চিবিয়েছে
কত জানোয়ার.
পুরুষ গেল শরীর খেয়ে
নিয়ে গেল স্বাদ,
কষ্ট পেয়ে মরলো শুধু
পাগলি মায়ের জাত.
ভিখারিনী বলে মায়ের জাতি জন্ম দিয়ে
নিজেই হল কাল,
পাগলিটাও মা হয়েছে
মা হয়েছে মাল,
রাতের বেলা নারির শরির
ভোগ্য পন্যময়,
নিজেকে আজ পুরুষ ভাবতে
বড়ই লজ্জা হয়.......।
লিখেছেনঃ - অনিরুদ্ধ সরকার

Monday, September 5, 2016

ভালোবাসার আষাড়ে গল্প

আগেই বলে দিচ্ছি, 
গল্পের সাথে মিল করে গল্পের নাম দেওয়া হয়নি।
এখন প্রতিদিন জে আষাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতেই এই নাম মনে আসলো।
Boyfriend and Girlfriend On Bench- Valobasa

তুই আমাকে এখনো ভালোবাসিস?
– না।
– কেন?
– কেন আবার কি?
– ভালোবাসিস না কেন?
– যখন ভালোবেসে ছিলাম তখন তো মূল্য দিলি না।
– তুই তো আমাকে বলিসনী কোন দিন!
– তোর বোঝা উচিত ছিলো।
– তুই না বললে কেমন করে বুঝবো??
– কেমন করে বলব? বলার আগেই তো তুই ওই ছেলেটাকে আমাদের মাঝে নিয়ে আসলি।
– ও আমার জাষ্ট ফেন্ড ছিলো আর কিছু না।
– আমি তো তোর বেষ্ট ফেন্ড ছিলাম। মাএ দুই দিনের একটা ছেলের জন্য তুই আমাকে ভুলে গেলি?
– আমি তোকে ভুলিনী, তুই আমার কাছ থেকে দূরে চলে গেছিস।

– কেন গেছি তু্ই জানিস না ?
– না।
– জানবি কেমন করে? আমি তো তোর কেউ ছিলাম না।
– এমন ভাবে বলিস কেন? তু্ই তো জানিসই আমি একটু কম বুঝি। বললেই পারিস।
– আমি তোর পাশে অন্য কাউকে সহ্য করতে পারি না।
– একবার বললেই পারতি!!
– কেন বলব ? তুই বুঝিতে পারিস না?
– বুঝলে কি আর তোর থেকে দূরে থাকতাম। দুজনেই চুপ। কিছুটা সময় নিরবতার পর দিশা বলে উঠল, চুপ কেন?
– এমনিই।
– কাউকে ভালোবাসিস?
– না।
– ভালোবাসতি?
– হ্যা।
– সেদিন বলিসনী কেন?
– বলার সাহস ছিলো না।
– কেন ?
– তোকে হারানোর ভয়ে।

– কেন হারাবি আমায়?
– তোকে বলার পর যদি তুই যদি “না” বলে দিস। যদি তুই চলে যাস আর আমাদের বন্ধুত্বটা নষ্ট করে দিস।
– তুই কেমন করে ভাবলী “তোকে ছেড়ে আমি চলে যাবো?”
– তাহলে এই দুই বছর কোথায় ছিলি?
– ওটা তো……………….!!! থাক পুরানো কথা বাদ দে।
– ok, দিলাম। আবারো নিরবতা দুজনের মাঝে। প্রকৃতিও কেমন যেন ওদের সাথে শান্ত হয়ে গেল। মনে হচ্ছে আকাশেরও বুঝি আজ মন
খারাপ। এই বুঝি কান্না শুরু করবে।
– কিছু বলবি?
– কি বলবো?
– যা ভাবছিস এখন।
– তুই বলতে পারিস না?
– না।
– কেন?
– তুই জানিস না, “মেয়েদের বুক ফাটে তোবুও মুখ ফোটে না”।
– কেন ফোটে না? তোরা ফোটাতে চাসনা দেখেই ফোটে না।
– হা……..হা……..হা……..হা……..!!!
– তোর হাসিটা এখনো আগের মতোই সুন্দর। (দিশার দিকে তাকিয়ে বলল বিপলু)
– যাক বাবা, আমার হাসির কারণে হলেও তুই একবারের জন্য আমার দিকে তাকালি। এতক্ষণ তো আমার মনে হয়েছিলো আমি কোন গাছের সাথে কথা বলছি।
– (চুপ)
– আচ্ছা আমি আসি (দিশা উঠতে যাবে ঠিক তখনি দিশার হাত ধরে ফেলল বিপলু)
– বস।
– কেন বসবো ? তুই তো কিছু বলবি না!!
– বস বলছি।
– বল, কি বলবি?
– আমার হাতটা একটু শক্ত করে ধরবি?
– হুম ধরলাম।
– ছোটবেলায় তোকে হরলিক্স খাওয়ানী?
– কেন ? (বিস্মিত হয়ে)
– তোকে শক্ত করে ধরতে বলেছি, স্পর্শ করতে বলিনী।
– ok বাবা, ধরলাম। এবার বল কি বলবি?
– দিশা, আমি…….
– হুম….!!
– আমি……
– তারপর ?
– তোকে…
– হুম…..!!
– তোকে…
– তোকে কি …..??
– আমি একটু জল খাবো…।
– (হাত ছেড়ে দিয়ে রাগান্বিত হয়ে) যা ওই দোকান থেকে খেয়ে আয়।
– তোর কাছে নেই?
– না। বিপলু উঠে জল খেতে চলে গেল। এমন ভাবে গেল মনে হয় কত বছরের তৃষ্ণার্ত। অপর দিকে দিশার মনটা খারাপ হয়ে গেল।
Boy Proposing a Girl Cartoon - Valobasa
আজ দুই বছর পর ওদের দেখা অথচ বিপলু ওর মনের কথাটা আজও বলতে পারলো না। 
আজ থেকে ঠিক তিন বছর আগে এই দিনে দিশার সাথে বিপলুর প্রথম পরিচয় হয়।
বন্ধুত্বের কিছুদিন পরেই দিশাকে ভালোবাসতে শুরু করে বিপলু। দিশাও ব্যাপারটা বুঝতে পারে কিন্তু না বোঝার ভান করে থাকে।
মেয়েদের এই এক স্বভাব, “বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না”। 
ওই দিকে বিপলু নানা কথা- বার্তায়, চাল-চলনে দিশাকে বোঝাতে চেষ্টা করে যে সে দিশাকে ভালোবাসে। 
দিশা বুঝেও সবসময় না বোঝার ভান করে থাকতো। কারণ, দিশা সবসময় চাইতো বিপলু দিশাকে সরাসরি প্রপোজ করুক। 
সব মেয়েরেই এই রকম স্বপ্ন থাকে যে তার ভালোবাসার মানুষ তাকে আগে প্রপোজ করুবে, তার মনের কথাটা বলবে কিন্তু বিপলু সেটা পারছে
না শুধুমাএ বন্ধুত্বটা নষ্ট হওয়ার ভয়ে।
কোনদিন আর পারেওনী। 
মাঝে অন্য একটা ছেলের জন্য দুই জনের বন্ধুত্বের ফাটল দেখা দেয়। 
অতঃপর দীর্ঘ দুই বছর পর আজ আবার তাদের দেখা কিন্তু বিপলু আজও দিশাকে মনের কথা না বলায় দিশার মন খারাপ।
২০ মিনিট হয়ে গেল বিপলু এখনো আসছে না।
দিশা ফোন করল কিন্তু বিপলু ফোনটাও ধরছে না। 
হয়তো বিপলু চলে গেছে, হয়তো বিপলুর আজও বলার সাহস হয়নী এমনটা ভেবে দিশা উঠে দাড়ালো। 
হঠাৎ পিছন থেকে কে যেন “দিশা” বলে চিৎকার করে উঠল।
দিশা পিছনে ফিরে তাকালো।
আরে এতো বিপলু! 
ও একটু দূরে হাটুগেড়ে বসে আছে, হাতে এক গুচ্ছ লাল গোলাপ। 
বিপলু লাল গোলাপ গুলো দিশার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল, 
– দিশা……, I……Love…… You……. .!!!
লেকের পাড়টা যেনো বিপলুর চিৎকারে কেপেঁ উঠল। 

লেকের পাড়ের উৎসুক মানুষ গুলোর দৃষ্টি এখন শুধু বিপলু আর দিশার দিকে।
এমন দৃশ্য হয়তো আজ বিরল তাই কেউ কেউ ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে গেল।
অন্য দিকে দিশা অপলক দৃষ্টিতে বিপলুর দিকে তাকিয়ে রইল। 

যে বিপলু ভালোবাসি কথাটা বলতে তিন বছর সময় নিলো, যে বিপলুর মনের কথাটা বলতে গেলে হাত কাপঁতে শুরু করে সেই বিপলু আজ পুরো পৃথিবীর সামনে প্রপোজ করল!
এটা ভাবতেই দিশা অবাক হয়ে গেল।
দিশা কেমন যেনো নিস্তব্ধ হয়ে গেলো।
দিশার বিস্ময় যেনো কাটছে না। 
বিপলু সত্যি আজ প্রপোজ করল নাকি দিশা স্বপ্ন দেখছে। 
কেন যেনো আজ নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না দিশা। 
সব কিছুই যেনো আজ স্বপ্ন মনে হচ্ছে। 
এই সব কথা ভাবতে ভাবতে দিশার চোখে জল চলে আসল।
– কিরে আর কতক্ষণ বসে থাকবো ??
বিপলুর কথায় যেনো জ্ঞান ফিরল দিশার।
দিশা আস্তে আস্তে বিপলুর দিকে এগিয়ে আসলো। 
বিপলুর হাত থেকে ফুলের তোড়াটা নিলো। 
বিপলু উঠে দাড়ালো। দিশা বিপলুর দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাড়িয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর......
– কিরে, কিছু বলবি না ?
– কি বলবো ? (দিশার চোখে জল)
– তুই কাঁদছিস কেন ?
– মার খাবি। এই কথাটা বলেতে এত সময় লাগলো?
– ওকে, সরি…..।
– কান ধর।
– কার? তোর না আমার?
– তোর, শয়তান। (ধমক দিয়েই বলল দিশা)
বিপলু কানে ধরতে যাবে ঠিক তখনি দিশা “I Love You Too” বলে বিপলুকে জড়িয়ে ধরল। 
দিশার চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগলো। 
বিপলু জানে দিশার চোখে আজ কোনো কষ্টের কান্না ছিলো না, যা ছিলো তা ছিলো আনন্দের।
আর বিপলুর চোখে- মুখে ছিলো আনন্দের হাসি। 
গত দুই বছর বিপলু দিশার জন্য অনেক কেঁদেছে, সেই কাঁন্না আজ হাসিতে রুপান্তরিত হয়েছে।

Monday, August 29, 2016

বাবা কি বোকা

আজ আপনাদের জন্য রয়েছে,
দুটো ছোট ছোট মজার গল্প, এবং দুটোতেই রয়েছে বাবার চরিত্র।
Funny Hindi Jokes - Valobasa
বুল্টি ওর বাবা, ঘুঘুচাঁদ বাবুর সাথে বসে আছে!
এমন সময় হঠাৎ সেখানে বয়ফ্রেন্ড লেবু উপস্থিত!
ভয়ে প্রথমে বুল্টির মুখ শুঁকিয়ে গেল!
তারপর বুদ্ধি করে বুল্টি লেবুকে জিজ্ঞেস করলঃ- তুমি কি চমচম খাঁর লেখা "DADDY IS AT HOME " বইটা নিতে এসেছ?
লেবুঃ- না, আমি কুমকুম কুমারীর লেখা "WHERE SHOULD I WAIT FOR YOU?" বইটা নিতে এসেছি।
বুল্টিঃ- সরি, এই বইটা আমার কাছে নেই, তবে তুমি কুমার কার্তিকের লেখা "UNDER THE MANGO TREE" বইটা পড়ে দেখতে পারো।
লেবুঃ- ঠিক আছে, তবে তুমি কলেজ যাবার সময় "Retail Management guide, CALL YOU IN 5 MINUTES " টা আনতে ভুলো না।
বুল্টিঃ- আমি কলেজ যাবার সময় তোমার জন্য অচেতন ভগতের লেখা "I WON'T LET YOU DOWN" বইটাও নিয়ে আসব।
লেবু "Bye" জানিয়ে চলে গেলো।
তখন বুল্টির বাবা ঘুঘুচাঁদ বাবু বুল্টিকে জিজ্ঞেস করলেনঃ- "এত গুলো বই! ছেলেটা কি সব পড়ে ফেলতে পারবে?!" বুল্টি চোখ উজ্জ্বল করে বললঃ- "হ্যাঁ বাবা, ও খুব স্মার্ট, বুদ্ধিমান আর মেধাবী ছেলে!"
ঘুঘুচাঁদঃ- (বুল্টিকে চোখ টিপে) ও তাই নাকি! তাহলে ওকে বরং প্রেমকান্ত বাক্যবাগীসের লেখা "OLD MEN ARE NOT STUPID" বইটাও একবার পড়তে বলিস! 
তুইও পড়িস! বুঝলি? কাজে দেবে!
Hindi Funny Photo - Valobasa
মাঃ কি রে, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাত খাচ্ছিস কেন?
বল্টুঃ এখন থেকে এভাবেই খাবো।
মাঃ কেন রে ?
বল্টুঃ আর কত অপমান সহ্য করব?
.
.
.
.
.
.
.
বাবা রোজই বলে এত বড় ছেলে, এখনো বসে বসে খাস! :D :D

Monday, August 8, 2016

যুক্তি দিয়ে ভালোবাসা বিচার করুন

বলতে গেলে এটাকেও একটা মজার গল্প বলা যেতেই পারে।
কিন্তু একটু বুঝেই দেখুন, আসলে কথাটা খারাপ না।
ও হো আপনি তো এখনও গল্পোটাই জানেন না, আগে পড়ে ফেলুন তাড়াতাড়ি।
Indian Couple Love Momoent - Valobasa
ট্রেনে এক অর্থনীতিবিদের পাশে বসে ছিল এক যুবক।
যুবকের চেহারায় ছিল দুশ্চিন্তার ছাপ। 
কিছুক্ষণের মধ্যে তাদের দুইজনের পরিচয় হল। 
কথা-বার্তার এক পর্যায়ে যুবকটি অর্থনীতিবিদকে বলল...,

যুবকঃ আমি ৬ বছর আগে বিয়ে করেছি। আমার স্ত্রী আমাকে খুব ভালোবাসে। আমার ৫ বছরের একটি মেয়েও আছে। কর্মক্ষেত্রেও আমি যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু ১ বছর আগে একটি সুন্দরী মেয়ের সাথে আমার পরিচয় হয় এবং আমরা একে-অপরের প্রেমে পড়ে যাই।

অর্থনীতিবিদঃ এখন আপনি কি করবেন?

যুবকঃ আমি আমার স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে চাই। তবে, এখনো ফাইনাল ডিসিশন নিতে পারি নি। ভীষণ দুশ্চিন্তায় আছি। কি করা যায়, বলুনতো? 

অর্থনীতিবিদঃ হুম..., এই দুটোর মধ্যে একটি বাছাই করা সত্যিই খুব কঠিন কাজ। কিন্তু অর্থনীতির হিসাব দিয়ে বিশ্লেষণ করলে আপনার সমস্যার সমাধান করা যায়!! 
ধরুন, আপনি আপনার বসের কঠিন কোন সমস্যার সমাধান করে দিলেন।
এখন তিনি আপনাকে পুরষ্কার দিতে চান।
তিনি আপনাকে দুটো পুরষ্কারের থেকে একটি বেছে নিতে বললেন।
আপনাকে নগদ ৫ লাখ টাকা দেয়া হবে। অথবা, ২ বছর পর ৭ লাখ টাকা দেয়া হবে। তখন আপনি কোনটি নেবেন?

যুবকঃ অবশ্যই নগদ ৫ লাখ টাকাই নেবো।

অর্থনীতিবিদঃ কেন? 

যুবকঃ কে জানে ২ বছর পর কী ঘটবে? ২ বছর পর আমি টাকাটা পাবোই এমন তো কোন নিশ্চয়তা নেই। 
কিন্তু ৫ লাখ টাকা তো আমাকে এখনই দেওয়া হবে। 

অর্থনীতিবিদঃ (হেসে বলল) আপনি একদম ঠিক বলেছেন। 
একইভাবে, ভবিষ্যতে ঐ সুন্দরী আপনাকে এখনকার মতই ভালোবাসবে, এমন তো কোন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু আপনি তো এটা নিশ্চিত যে, আপনার স্ত্রী আপনাকে কতোটা ভালোবাসে..., যুবকটি তার ভুল বুঝতে পেরে প্রচন্ড আবেগে অর্থনীতিবিদকে জড়িয়ে ধরল এবং কেঁদে ফেলল...।

Friday, August 5, 2016

ভালোবাসা মানে পাশে থাকা

এই গল্পটা সেই দুজনের,
যাদের সন্তান নেই, আর হবেও না কোনোদিন।
Indian Lovly Actors Couple  Love -Valobasa
"কি ব্যাপার সকাল আটটা বাজে। আজ কি অফিসে যেতে হবে না নাকি?" - ঝুমের ডাকে চোখ ডলতে থাকে জীত।
জানালার পর্দাটা সরিয়ে দেয়ার সাথে সাথেই সকালের আলোটা চোখে এসে পড়ে জীতের।
বিছানার পাশেই ভেজা চুল ঝাড়তে শুরু করে ঝুম। 
ভেজা চুলের ছাট এসে জীতের মুখে পড়ে। 
জীত ঝুমের হাতটা ধরে কাছে নিয়ে এসে কপালে একটা চুমু একে দিয়ে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি"
ঝুম ও জীতের নাকটা হালকা টেনে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি"
এমনটা প্রতিদিনই হয়।
ভালোবাসা বাড়ে ধীরে ধীরে। কখনোই কমে না। 
ছ বছর হলো ঝুমের আর জীতের বিয়ে হয়েছে। 
এতটুকু পরিমান মন খারাপ করতে দেখেনি ঝুমকে। 
জীত এতেই খুশি। লাভ ম্যারিজ। দুজনকেই দুজন খুব সুন্দর করে বোঝে।
ঝুম কখনোই পুরো পৃথিবী দাবি করে না জীতের কাছে।
জীত ই তার জন্য যথেষ্ট। 
জীত ঝুমকে রাজকুমারী বলে ডাকে। 
ঝুমের খুব লজ্জা লাগে। আবার অনেক ভালোও লাগে।
জীত ঝুমকে ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। অফিসে যাওয়ার আগে ঝুম আমার রুমাল কই, ঝুম আমার মোবাইল কই,ঝুম আমার টাই কই,ঝুম আমার ফাইল কই, এইটা কই ওইটা কই নানা কথা বলে ঝুমকে অস্থির করে ফেলে। 
এমনকি টাইটাও নিজ হাতে বাধা শিখেনি কারন ঝুম বেধে দেবে বলে। 
বড্ড ক্লান্ত হয়ে যেত ঝুম। 
কিন্ত অফিসে যাওয়ার সময় যখন ঝুমের কপালে চুমু দিয়ে জীত বলে, 'সারাটাদিন তোমায় অনেক মিস করবো '
তখনই যেন ঝুমের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে মুখে হাসি ফুটে ওঠে। 
পরম বিশ্বাসে মাথা এলিয়ে দেয় জীতের বুকে।
কিন্তু জীবনে সুখের পাশাপাশি দুঃখও আছে। 
জীত সবসময় তা লুকানোর চেষ্টা করে। 
ঝুম রোজ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাদে। কিন্তু জীত ঝুমের শব্দ ছাড়া কান্না বুঝতে পারে। 
তখনই চোখের জল স্পর্শ করে ঝুমের অধর থেকে সরিয়ে দেয়। 
রাগ করে বলে, 'আবার কান্নাকাটি করলে আমি কিন্তু মরে যাবো ' এটা বলে জীতও কেঁদে দেয়। 
এভাবেই কষ্ট ঢেকে যায়। 
কিন্ত ঝুমের কষ্টটা যেন একটু বেশিই।
তিন বছর আগের ঘটনা। ছ মাসের অন্তঃস্বত্তা ঝুম। 
বেশ ভালোই চলছিল জীত আর ঝুমের দিনগুলো। 
পেটের ভেতর থাকা বাচ্চা টা পা দিয়ে ধাক্কা মারে আর ঝুম ব্যাথায় কাতরে ওঠে। এদিকে জীত হেসে হেসে প্রায় খুন।আর রেগে গিয়ে ঝুম বলত“ তোমার মতোই দুষ্টু হবে”।
কোনো এক দুপুরবেলা হঠাৎ বাথরুম থেকে চিৎকার এর আওয়াজ আসে। 
জীত বাথরুমের দরজা খুলে যেন চোখে মুখে অন্ধকার দেখা শুরু করলো।
বাথরুমের মেঝে রক্তে লাল হয়ে রয়েছে। 
আর ঝুম যন্ত্রনায় ছটফট করছে।
এরপরে ঘটনা স্বাভাবিক হতে পারতো।
কিন্তু ভাগ্যে হয়তো অস্বাভাবিক কিছু ছিল। 
প্রচন্ড আঘাতের কারনে মা হবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে ঝুম।
ঝুম শুধু কেঁদে যায় জীতের হাত ধরে আর জীত মিথ্যে শান্তনা দিতে থাকে।
"কাঁদছ কেন? 
ধুর পাগলি। ভগবান হয়তো আরো বড় উপহার রেখেছে আমাদের জন্য। কিচ্ছু হবে না।
কাঁদবে না তো। তাহলে কিন্ত আমি কেঁদে দেবো।"
মুহূর্তগুলো খুবই কষ্টকর।
এখনো ঝুম যখন বারান্দায় একা একা বসে থাকে তখন জীত পাশে গিয়ে বসে আকাশের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলে,
"ওই যে চাদটা দেখছো না? তার পাশের তারাটাই আমাদের বাচ্চা টা"
মনটা যেন আরো ভারী হয়ে যায় ঝুমের। ভারি মনটা আর ধরে রাখতে না পেরে জীতের বুকে এলিয়ে দেয়। 
আর জীত ঝুমের কপালে চুমু দিয়ে বলে, "ভালোবাসি,ভালোবাসি, ভালোবাসি" কী অদ্ভুত এই ভালবাসা তাই না।

Thursday, August 4, 2016

মায়ের তুলনা হয়না

একমাত্র মায়ের ভালোবাসা স্বার্থহীন।
বাকি সবেতেই স্বার্থ।
 তাই ভালোবাসার কথা আসলেই মায়ের কথা বলতেই হয়।
Indian Mother With Son Love - Valobasa
যে মেয়েটার বিছানায় গড়াগড়ি করে কিংবা হাত পা ছুঁড়ে ঘুমানোর অভ্যাস এক সময় সেই মেয়ে এক কাত হয়ে সারারাত পার করে দেয় কারণ সে জানে তার পাশে শুয়ে আছে ছোট্ট একটা বাবু। 
এখন কিছুতেই হাত-পা ছোড়া চলবে না।
যে একটা সময় লাল পিঁপড়ার কামড় খেয়ে চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় তুলত, আজ তার ভেতরে বেড়ে উঠা ছোট্ট প্রাণটা
সারাদিন হাত পা ছোড়াছোড়ি করে, প্রতিটা লাথি বেশ জোরেই আঘাত করে তবু মা দাঁতে ঠোট চেপে সব সহ্য করে, হয়ত দু ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ে।
সে জল যতটা কষ্টের তার থেকে অনেক বেশি আনন্দের কারণ সে অনুভব করে তার বাবুটার জীবন্ত প্রাণের স্পন্দন।
একদিন নাড়াচাড়া না করলে অজানা আশংকায় বুক কেঁপে ওঠে "সবকিছু ঠিক আছে তো??"
একদিন হঠাৎ তীব্র যন্ত্রণা।
জানান দেয় তার সন্তানের পৃথিবীতে আগমন এর সময় হয়েছে। 
বোধ হয় পেটের ভিতরে কেউ কিছু টেনে ছিঁড়ে ফেলছে। 
কুড়িটি হাড় একসাথে ভেঙে দেওয়ার সমান কষ্ট নারীজাতি সেদিনই অনুভব করতে পারে। 
এত কষ্টের পর সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে মায়ের ক্লান্ত বিধ্বস্ত চেহারা খানি এদিক ওদিক খোঁজে ফেরে একজনকে, মৃদু করে বলে "আমার বাবু কোথায় ?"
ছোট্ট একটা রক্ত মাখা শরীর তুলে দেওয়া হয় তার কোলে। 
টপটপ করে নোনা জল গড়িয়ে পড়ে সে দেহে।
তার বুকে মাথা রেখে মা বাবুটার হৃদস্পন্দন শোনে। 
আচ্ছা এটা কেন বলে না "তুই আমায় খুব দিয়েছিস। তোকে আমার লাগবে না।
"মা জানে তার এই ছোট্ট বাবুটা ছাড়া তার একদম চলবে না। 
বাবুটা মায়ের বুকের উষ্ণতায় চুপটি শুয়ে থাকে মায়ের নির্ঘুম চোখ তাকে সারারাত পাহারা দেয়। 
ফিসফিস করে বাবুটাকে শোনায় "তুই ভাল থাকলেই আমি ভাল থাকব।
"তুমি কি করে পার মা?
তবুও কেন আমরা তোমার মর্যাদা দিতে পারি না..??
কেন শেষ বয়সে তোমার ঠিকানা হয় ওই বৃদ্ধাশ্রম!